বিএনপির ১৬৭ প্রার্থীই ঋণগ্রহীতা
আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের হলফনামা বিশ্লেষণ করে চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)।
শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রার্থীদের ব্যক্তিগত ও আর্থিক তথ্যের বিশ্লেষণ তুলে ধরে সংস্থাটি।
সুজনের দেওয়া তথ্যমতে, নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী ২ হাজার ২৬ জন প্রার্থীর মধ্যে ৫১৯ জনই বিভিন্ন ব্যাংকের ঋণগ্রহীতা, যা মোট প্রার্থীর ২৫ দশমিক ৬২ শতাংশ। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঋণগ্রহীতা প্রার্থীর সংখ্যায় শীর্ষে রয়েছে বিএনপি; দলটির ১৬৭ জন প্রার্থীই ঋণগ্রহীতা।
সংবাদ সম্মেলনে সুজনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক দিলীপ কুমার সরকার জানান, ঋণগ্রহীতাদের মধ্যে ৭৫ জন প্রার্থী রয়েছেন যারা প্রত্যেকে ৫ কোটি টাকার বেশি ঋণ নিয়েছেন। তবে আশার কথা হলো, গত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তুলনায় এবারের নির্বাচনে ঋণগ্রহীতা প্রার্থীর হার কিছুটা কমেছে।
আর্থিক অবস্থার বিশ্লেষণে দেখা যায়, বার্ষিক ১ কোটি টাকার বেশি আয় করেন এমন প্রার্থী রয়েছেন ৯৫ জন। এর মধ্যে ৫১ জনই বিএনপির মনোনীত প্রার্থী। এছাড়া ২৫ জন স্বতন্ত্র এবং ৫ জন জাতীয় পার্টির প্রার্থী কোটি টাকার উপরে আয় করেন। শীর্ষ আয়কারীদের তালিকায় প্রথমেই রয়েছেন কুমিল্লা-৮ আসনের বিএনপি প্রার্থী জাকারিয়া তাহের, যার বার্ষিক আয় প্রায় ৬০ কোটি টাকা। দ্বিতীয় অবস্থানে আছেন টাঙ্গাইল-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আসাদুল ইসলাম।
আয়কর রিটার্ন ও হলফনামার স্বচ্ছতা নিয়ে সংস্থাটি উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, মোট প্রার্থীর প্রায় অর্ধেকই তাদের মনোনয়নপত্রের সঙ্গে আয়কর রিটার্নের কপি জমা দেননি, ফলে তাদের হলফনামা অসম্পূর্ণ রয়ে গেছে।
এছাড়া ১৫৫ জন প্রার্থী তাদের আয়ের সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য উল্লেখ করেননি। অন্যদিকে, নির্বাচনে স্বল্প আয়ের প্রার্থীর সংখ্যাও নেহায়েত কম নয়। প্রায় ৪১ শতাংশ প্রার্থীর বার্ষিক আয় ৫ লাখ টাকার নিচে বলে বিশ্লেষণে উঠে এসেছে। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আয়কর প্রদানের দিক থেকেও বিএনপি প্রার্থীরা এগিয়ে রয়েছেন বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।
অর্থ-বাণিজ্য: শেয়ারবাজারে সাপ্তাহিক লেনদেন বেড়েছে ১৫ শতাংশ
অর্থ-বাণিজ্য: আবার বাড়লো সোনার দাম