আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ভোটারদের বড় একটি অংশ বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে দেখতে চান। সম্প্রতি বেসরকারি সংস্থা ”সোচ্চার” এর এক জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে।
জরিপে অংশগ্রহণকারী ৪২ দশমিক ১ শতাংশ ভোটার মনে করেন তারেক রহমানই হতে যাচ্ছেন দেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী। তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তার পক্ষে জনমত পাওয়া গেছে ৩৪ দশমিক ৯ শতাংশ।
অন্যদিকে, জাতীয় নাগরিক কমিটির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন বলে মনে করেন মাত্র ১ দশমিক ৮ শতাংশ মানুষ। শনিবার দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজারের বিডিবিএল ভবনে এক অনুষ্ঠানে এই জরিপের ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়।
জরিপের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ঢাকা-১৭, ঢাকা-১৫, ঢাকা-১১ ও ঢাকা-১৩ আসনের মোট ২ হাজার ২৪১ জন ভোটারের মতামত গ্রহণ করা হয়েছে। সেখানে অংশগ্রহণকারীদের কাছে প্রশ্ন রাখা হয়েছিল “আগামী নির্বাচনের পর সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারা কাকে দেখতে চান?” উত্তরে সিংহভাগ ভোটার তারেক রহমানের কথা বললেও বড় একটি অংশ জামায়াত আমিরের প্রতিও সমর্থন জানান। তবে জরিপে অংশ নেওয়া ১৬ দশমিক ২ শতাংশ মানুষ এ বিষয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট মতামত দিতে পারেননি এবং ৪ দশমিক ১ শতাংশ মানুষ উত্তর দিতে রাজি হননি।
জরিপটির লিঙ্গভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, নারী ও পুরুষ উভয় শ্রেণির ভোটারদের মধ্যেই তারেক রহমানের জনপ্রিয়তা বেশি। জরিপে অংশ নেওয়া ৪২ দশমিক ৪ শতাংশ পুরুষ এবং ৪১ দশমিক ৭ শতাংশ নারী ভোটার তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন। বিপরীতে ডা. শফিকুর রহমান প্রধানমন্ত্রী হবেন বলে মত দিয়েছেন ৩৪ দশমিক ৩ শতাংশ পুরুষ এবং ৩৫ দশমিক ৫ শতাংশ নারী ভোটার।
নির্বাচনী এই জনমত জরিপটি বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে। মূলত ঢাকা মহানগরীর গুরুত্বপূর্ণ চারটি আসনের জনমত যাচাইয়ের মাধ্যমে এই গবেষণার চিত্রটি তুলে ধরেছে সংস্থাটি।
সারাদেশ: উপকূলে কমেছে পরিযায়ী পাখির আশ্রয়স্থল