image

অবিলম্বে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের দাবি জানালো আইপিডি

সংবাদ অনলাইন রিপোর্ট

দেশের স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে কার্যকর করতে এবং সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে অবিলম্বে সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, জেলা ও উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছে ইনস্টিটিউট ফর প্ল্যানিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (আইপিডি)।

মঙ্গলবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ড. আদিল মুহাম্মদ খান এই আহ্বান জানান।

বিবৃতিতে আইপিডি উল্লেখ করে, দীর্ঘ সময় ধরে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি না থাকায় স্থানীয় পর্যায়ে সেবা কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে এবং প্রশাসনের জবাবদিহিও দুর্বল হয়ে পড়েছে। সম্প্রতি ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণসহ ছয়টি সিটি করপোরেশনে রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সংস্থাটি।

আইপিডির মতে, এ ধরনের নিয়োগ স্থানীয় সরকারের প্রাতিষ্ঠানিক স্বাতন্ত্র্য ও স্বচ্ছতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। এর ফলে চাঁদাবাজিসহ অনৈতিক প্রভাব বিস্তারের ঝুঁকি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর অন্তর্বর্তী সরকার ১২টি সিটি করপোরেশন, ৩৩০টি পৌরসভা, ৪৯৭টি উপজেলা এবং ৬৪টি জেলা পরিষদের জনপ্রতিনিধিদের অপসারণ করে। বর্তমানে ইউনিয়ন পরিষদ ছাড়া বাকি সব স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান প্রশাসকের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে।

আইপিডি মনে করে, প্রশাসকদের দিয়ে কার্যক্রম চালানোয় নাগরিক সেবা প্রাপ্তিতে সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। দ্রুত নির্বাচনের মাধ্যমে জনপ্রতিনিধি নিশ্চিত করা না গেলে এই সংকট আরও ঘনীভূত হবে।

সংস্থাটি আরও জানায়, সিটি করপোরেশনে প্রশাসক নিয়োগ দিলেও কাউন্সিলর না থাকায় নগরবাসীর সমস্যা কমছে না। মূলত ওয়ার্ড কাউন্সিলরের কার্যালয় থেকেই জন্মনিবন্ধন, ট্রেড লাইসেন্স, হোল্ডিং ট্যাক্স, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও অবকাঠামো মেরামতের মতো জরুরি সেবাগুলো দেওয়া হয়। কাউন্সিলর না থাকায় এ সব সেবা পেতে দীর্ঘসূত্রতা তৈরি হচ্ছে।

কোনো অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থাই যে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির বিকল্প হতে পারে না, বিবৃতিতে সেই বিষয়টি স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে। জনভোগান্তি নিরসনে দ্রুততম সময়ে স্থানীয় সরকারের সব স্তরে নির্বাচনের কোনো বিকল্প নেই বলে মনে করে আইপিডি।

‘নগর-মহানগর’ : আরও খবর

সম্প্রতি