ছয় দফা দাবি না মেনে শুধু কমিটি গঠন করায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওপর আস্থা রাখতে পারছেন না পলিটেকনিক শিক্ষার্থীরা। এ জন্য তারা ফের আন্দোলন-কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছেন।
বুধবার (২৩ এপ্রিল) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় এ তথ্য জানান আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের প্ল্যাটফর্ম কারিগরি ছাত্র আন্দোলনের সেল সম্পাদক (অস্থায়ী) সাব্বির আহমেদ বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয় যে কমিটি গঠন করেছে, তার ওপর শিক্ষার্থীরা ‘ভরসা’ করছেন না। আগেও এমন কমিটি হয়েছিল, কিন্তু দাবি-দাওয়া পূরণ হয়নি।
এজন্য সব শিক্ষার্থীর সম্মতিতে আন্দোলন স্থগিতের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, নতুন কর্মসূচি নিয়ে আবার জোরালো আন্দোলন শুরু হবে।
নতুন কর্মসূচি ঠিক করতে আজ কারিগরি ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধি সম্মেলন ডাকা হয়েছে জানিয়ে সাব্বির আহমেদ বলেন, ‘সেখানে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। এ সম্মেলনে অংশ নিতে বিভিন্ন বিভাগীয় পর্যায় থেকে পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিরা ঢাকা এসে পৌঁছেছেন। অন্যদেরও আমরা চলে আসতে বলেছি।’
এর আগে গতকাল মঙ্গলবার রাতে ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে সংবাদ সম্মেলন করে চলমান আন্দোলন স্থগিতের ঘোষণা দেন শিক্ষার্থীরা। তবে দাবি বাস্তবায়নে গড়িমসি দেখলে ফের আন্দোলনে নামার হুমকি দিয়ে রেখেছিলেন তারা।
এদিন বিকেলে পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের ছয় দফা দাবি বাস্তবায়নে রূপরেখা প্রণয়নে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ একজন অতিরিক্ত সচিবের নেতৃত্বে কমিটি গঠন করে। এ কমিটিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের প্ল্যাটফর্ম কারিগরি ছাত্র আন্দোলনের একজন উপদেষ্টাও সদস্য হিসেবে আছেন।
ওইদিন চাকরি, পদোন্নতি ও উচ্চশিক্ষার নিশ্চয়তাসহ ছয় দাবির বিষয়ে কারিগরি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আন্দোলন স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়।মঙ্গলবার দুপুরে এই বিষয়ে অফিস আদেশও জারি করা হয়। পরে রাত ৮টায় এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীরা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত মেনে নেয়ার ঘোষণা দেয়।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘কারিগরি ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধিরা গত সোমবার কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিবের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় ছয় দাবির মধ্যে যৌক্তিক দাবিগুলো পূরণের লক্ষ্যে ফলপ্রসূ আলোচনা এবং একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।’
এর আগে গত ১৬ এপ্রিল ছয় দাবিতে সারা দেশের সড়ক, মহাসড়ক ও রেলপথ অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা। এর পর থেকে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করে আসছিল।
বুধবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৫
ছয় দফা দাবি না মেনে শুধু কমিটি গঠন করায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওপর আস্থা রাখতে পারছেন না পলিটেকনিক শিক্ষার্থীরা। এ জন্য তারা ফের আন্দোলন-কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছেন।
বুধবার (২৩ এপ্রিল) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় এ তথ্য জানান আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের প্ল্যাটফর্ম কারিগরি ছাত্র আন্দোলনের সেল সম্পাদক (অস্থায়ী) সাব্বির আহমেদ বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয় যে কমিটি গঠন করেছে, তার ওপর শিক্ষার্থীরা ‘ভরসা’ করছেন না। আগেও এমন কমিটি হয়েছিল, কিন্তু দাবি-দাওয়া পূরণ হয়নি।
এজন্য সব শিক্ষার্থীর সম্মতিতে আন্দোলন স্থগিতের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, নতুন কর্মসূচি নিয়ে আবার জোরালো আন্দোলন শুরু হবে।
নতুন কর্মসূচি ঠিক করতে আজ কারিগরি ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধি সম্মেলন ডাকা হয়েছে জানিয়ে সাব্বির আহমেদ বলেন, ‘সেখানে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। এ সম্মেলনে অংশ নিতে বিভিন্ন বিভাগীয় পর্যায় থেকে পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিরা ঢাকা এসে পৌঁছেছেন। অন্যদেরও আমরা চলে আসতে বলেছি।’
এর আগে গতকাল মঙ্গলবার রাতে ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে সংবাদ সম্মেলন করে চলমান আন্দোলন স্থগিতের ঘোষণা দেন শিক্ষার্থীরা। তবে দাবি বাস্তবায়নে গড়িমসি দেখলে ফের আন্দোলনে নামার হুমকি দিয়ে রেখেছিলেন তারা।
এদিন বিকেলে পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের ছয় দফা দাবি বাস্তবায়নে রূপরেখা প্রণয়নে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ একজন অতিরিক্ত সচিবের নেতৃত্বে কমিটি গঠন করে। এ কমিটিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের প্ল্যাটফর্ম কারিগরি ছাত্র আন্দোলনের একজন উপদেষ্টাও সদস্য হিসেবে আছেন।
ওইদিন চাকরি, পদোন্নতি ও উচ্চশিক্ষার নিশ্চয়তাসহ ছয় দাবির বিষয়ে কারিগরি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আন্দোলন স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়।মঙ্গলবার দুপুরে এই বিষয়ে অফিস আদেশও জারি করা হয়। পরে রাত ৮টায় এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীরা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত মেনে নেয়ার ঘোষণা দেয়।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘কারিগরি ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধিরা গত সোমবার কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিবের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় ছয় দাবির মধ্যে যৌক্তিক দাবিগুলো পূরণের লক্ষ্যে ফলপ্রসূ আলোচনা এবং একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।’
এর আগে গত ১৬ এপ্রিল ছয় দাবিতে সারা দেশের সড়ক, মহাসড়ক ও রেলপথ অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা। এর পর থেকে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করে আসছিল।