পরাজিত ‘ফ্যাসিস্ট’ শক্তি বাংলাদেশে আবার নিজেদের রাজত্ব কায়েম করতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস। এই প্রেক্ষাপটে দেশকে বাঁচাতে তিনি এদেশের তরুণ সমাজকে রক্ষা করার আহ্বান জানিয়েছেন। বিজয় দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি বলেছেন, যারা দেশ ছেড়ে পালিয়েছে তারা বুঝে গেছে তরুণ যোদ্ধারা তাদের পুররুত্থানে ভীষণ রকম বাধা। নির্বাচনের আগেই তারা এই বাধা ‘সরিয়ে ফেলতে চায়’, আবার নিজেদের রাজত্ব কায়েম করতে চায়।
দেশকে বাঁচাতে তরুণদের রক্ষা করুন
নানা কায়দায় তারা নির্বাচনের আগেই দেশে ফিরতে চায়
চোরাগোপ্তা খুনের চেষ্টা তারই একটা রূপ
তাদের (বিদেশি) বন্ধুরা যতদিন তাদের সঙ্গে আছে ততদিন তারা এই স্বপ্ন দেখবে
আমরা অবশ্যই ঐক্যবদ্ধ হয়ে তাদের মোকাবিলা করব
এ দেশের পবিত্র মাটিতে আর কোনোদিন ফিরে আসবে না
দেশবাসীর উদ্দেশ্যে মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, “আমাদের তরুণদের রক্ষা করুন। তাহলে আমরা সবাই এবং আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি রক্ষা পাবে।”
১৭ মিনিটের ভাষণে মুহাম্মদ ইউনূস দেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, আসন্ন জাতীয় নির্বাচন, আগামীর বাংলাদেশ নিয়ে কথা বলেন। ভাষণের শুরুতেই দেশের সব শিশু, কিশোর-কিশোরী, তরুণ-তরুণী, ছাত্র-ছাত্রী, নারী-পুরুষ, নবীন-প্রবীণ- সবাইকে বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা তিনি। মুক্তিযুদ্ধসহ ‘স্বাধীনতার জন্য যুগযুগ ধরে লড়াই-সংগ্রামে যারা আত্মত্যাগ করেছেন’ সেই বীর যোদ্ধা ও শহীদদের অবদান তিনি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।
ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান বিন হাদির ওপর হামলা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সরকার হাদির ওপর হামলার ঘটনাকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের প্রাথমিকভাবে চিহ্নিত করা গেছে। আমি দেশবাসীকে আশ্বস্ত করতে চাই, যারা এ ষড়যন্ত্রে জড়িত তারা যেখানেই থাকুক না কেন, তাদের কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না।’
তিনি বলেন, ‘পরাজিত শক্তি ‘ফ্যাসিস্ট’ সন্ত্রাসীদের এই অপচেষ্টা সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ করে দেয়া হবে। ভয় দেখিয়ে, সন্ত্রাস ঘটিয়ে বা রক্ত ঝরিয়ে এই দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা কেউ থামাতে পারবে না।’
হাদিকে গুলি
হাদিকে গুলির ঘটনাকে গণতান্ত্রিক পথচলার ওপর আঘাত হিসেবে তুলে ধরে মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘আপনাদের সামনে আজ উপস্থিত হয়েছি অত্যন্ত ব্যথিত হৃদয়ে। এ আনন্দের দিনে গভীর বেদনার সঙ্গে জানাচ্ছি, জুলাই অভ্যুত্থানের সম্মুখযোদ্ধা ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদির ওপর সম্প্রতি যে হামলার ঘটনা ঘটেছে, তা শুধু একজন ব্যক্তির ওপর আঘাত নয়, এটি বাংলাদেশের অস্তিত্বের ওপর আঘাত।’
সংকটাপন্ন অবস্থায় বর্তমানে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন হাদির চিকিৎসা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে সরকার প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থাগ্রহণ করেছে বলে ভাষণে তুলে ধরেন প্রধান উপদেষ্টা।
ফাঁদে পা দেবো না
সংযম বজায় রেখে অপপ্রচার বা গুজবে কান না দেয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ফ্যাসিস্ট সন্ত্রাসীরা, যারা অস্থিরতা সৃষ্টি করতে চায়, আমরা অবশ্যই ঐক্যবদ্ধ হয়ে তাদের মোকাবিলা করবো। তাদের ফাঁদে পা দেবো না। পরাজিত ফ্যাসিস্ট শক্তি এ দেশের পবিত্র মাটিতে আর কোনোদিন ফিরে আসবে না।’
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আমাদের তরুণদের রক্ষা করুন। তাহলে আমরা সবাই এবং আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি রক্ষা পাবে। যারা দেশ ছেড়ে পালিয়েছে তারা বুঝে গেছে তরুণ যোদ্ধারা তাদের পুনরুত্থানের পক্ষে ভীষণ রকম বাধা। এই অস্ত্রহীন, ভীতিহীন, ব্যক্তিগত স্বার্থ সম্বন্ধে সম্পূর্ণ উদাসীন দৈনন্দিন এই চেহারার ছেলেমেয়েদের নিয়ে তাদের সাংঘাতিক ভীতি। তাদের লক্ষ্য হলো নির্বাচন আসার আগেই পথের এ বাধাগুলো সরিয়ে ফেলা, নিজেদের রাজত্ব আবার কায়েম করা।’
নির্বাচনের পর বেকায়দায়
কারও নাম না নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারপ্রধান বলেন, ‘তাদের (বিদেশি) বন্ধুরা যতদিন তাদের সঙ্গে আছে ততদিন তারা এ স্বপ্ন দেখবে। নির্বাচন হয়ে গেলে তাদের বন্ধুরা সমর্থন জোগাতে বেকায়দায় পড়বে। সেজন্যই তো এত তাড়াহুড়া। তারা চায় নির্বাচনের আগেই তাদের ফিরে আসা নিশ্চিত করতে। নানা ভঙ্গিতে এটা তারা করবে। এই চোরাগোপ্তা খুন করার উদ্যোগ তার একটা রূপ। আরও কঠিনতর পরিকল্পনা নিয়ে তাদের প্রস্তুতি আছে।’
তিনি বলেন, ‘দেশের সবাইকে জোর গলায় বলতে হবে আমরা তরুণদের রক্ষা করবো। এখানে পুরনো আমলের দাসত্ব মেনে যারা আছে তাদেরকে দাসত্ব থেকে বের হয়ে আসতে হবে। উৎসবমুখর, শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করে আমরা সবাই মিলে দেশের ওপর আমাদের পরিপূর্ণ দখল প্রতিষ্ঠিত করবো।’
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি একই দিনে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।
জাতীয় নির্বাচনের যে কদিন বাকি আছে ওই দিনগুলো উৎসবমুখর করে রাখার আহ্বান জানিয়ে মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘যেহেতু আমাদের কিশোর- কিশোরী, তরুণ-তরুণীদের মনে কোনো ভয়ডর নেই তাই তারা নির্বাচনের আগের দু’মাসের প্রতিটি মুহূর্তকে উৎসবমুখর করে রাখবে। সব রকমের হিংসা, কোন্দল থেকে দেশকে বাঁচিয়ে রাখবে।’
ঐতিহাসিক মুহূর্ত
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন এবং গণভোটকে ‘বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ পথরেখা নির্ধারণের এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত’ হিসেবে বর্ণনা করে ‘ভোট রক্ষা করার, দেশকে রক্ষা করার’ আহ্বান জানান তিনি। প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘ভোটের ওপর নির্ভর করছে আপনার আমার সবার ভবিষ্যৎ। আপনার আমার সন্তানের ভবিষ্যৎ। যোগ্য লোককে ভোট দিন। জাতির ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করুন।’
অন্তর্বর্তী সরকারপ্রধান বলেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানকালে তৎকালীন ফ্যাসিস্ট সরকারের নির্দেশে সংগঠিত হত্যাকাণ্ডের বিচারকাজ যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় এগিয়ে চলছে। ইতোমধ্যে ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক একটি মামলার রায় ঘোষিত হয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল স্বাধীন ও স্বচ্ছ, প্রমাণভিত্তিক বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দেশের ছাত্র, শ্রমিক ও সাধারণ জনগণের ওপর নির্বিচার হত্যাকাণ্ডের প্রধান নির্দেশদাতা হিসেবে পতিত ফ্যাসিস্ট সরকারের প্রধান শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেছেন।’
ট্রাইব্যুনালে দণ্ডিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানকে দেশে ফেরানোর জন্য সরকার যে আনুষ্ঠানিকভাবে ভারত সরকারকে অনুরোধ জানিয়েছে, সে কথাও ভাষণে বলেন প্রধান উপদেষ্টা। তিনি বলেন, ইতোমধ্যে বেশ কিছু প্রাতিষ্ঠানিক ও কাঠামোগত সংস্কার সম্পন্ন করা হয়েছে। কয়েক ডজন পুরনো আইন সংশোধন করা হয়েছে এবং বেশ কয়েকটি নতুন আইন প্রণয়ন করা হয়েছে।
গণভোট, পক্ষে-বিপক্ষে
মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘সংস্কারের সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ হচ্ছে জুলাই জাতীয় সনদ। মৌলিক সাংবিধানিক সংস্কার নিশ্চিত করার জন্য এটি আদেশ আকারে জারি হয়েছে।’ এখন জনগণকেই যে সিদ্ধান্ত দিতে হবে, সে কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে এখন নাগরিকদের অনুমোদন নেয়ার পালা। তাই আগামী নির্বাচনে আপনাদের সিদ্ধান্ত অপরিসীম গুরুত্বপূর্ণ। গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের পথরেখা এখান থেকেই সূচিত হবে। আগামী সংসদ নির্বাচনের সময় একইসঙ্গে জুলাই জাতীয় সনদের ওপর গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। এই গণভোটে আপনারা হ্যাঁ/না ভোটের মাধ্যমে সংস্কারের পক্ষে বা বিপক্ষে মতামত দিন।’
এবারের নির্বাচন আর গণভোটই যে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে দেবে, সে কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘আমরা কোন ধরনের রাষ্ট্র প্রত্যাশা করি তা নির্ভর করবে গণভোটের ফলাফলের ওপর। এ ভোটের মাধ্যমে ঠিক হবে নতুন বাংলাদেশের চরিত্র, কাঠামো ও অগ্রযাত্রার গতিপথ।’
বিগত নির্বাচন
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ের নির্বাচনের অভিজ্ঞতা মনে করিয়ে দিয়ে মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘যারা ভোট বাক্স ডাকাতি করবে তারা দেশের মানুষের স্বাধীনতা হরণকারী। তারা নাগরিকদের দুশমন। তাদের থেকে নাগরিকদের রক্ষা করা আমাদের সবার অবশ্য কর্তব্য। ভোট জনগণের ভবিষ্যৎ রচনার অক্ষর। ভোট বাক্সে ভোট জমা দিতে না পারলে কাক্সিক্ষত ভবিষ্যৎ আর রচনা করা যাবে না। আপনার ভোট আপনি সযতেœ ভোট বাক্সে দিয়ে আসুন। কেউ বাধা সৃষ্টি করলে তাকে সুশৃঙ্খলভাবে প্রতিহত করুন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতা নিন।’
জাতির উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘মনে রাখবেন, ভোট রক্ষা করা দেশ রক্ষা করার সমান দায়িত্ব। ভোট রক্ষা করুন। দেশকে রক্ষা করুন। ‘ভোট দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবার গাড়ির চাকা। এ চাকা কাউকে চুরি করতে দেবেন না।’
নির্বাচন সামনে রেখে মাঠ প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনে বেশ কিছু রদবদল আনার বিষয়টি তুলে ধরে মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘এই পরিবর্তনগুলো কারও প্রতি অনুরাগ বা বিরাগ প্রসূত নয়। এগুলো করা হয়েছে দক্ষতা, যোগ্যতা এবং পেশাগত সক্ষমতার ভিত্তিতে। আমাদের লক্ষ্য একটাই দেশের প্রতিটি ভোটার যেন ভোট দিতে পারেন নিরাপদ পরিবেশে, ভয়মুক্ত মনে এবং সর্বোচ্চ স্বাধীনতায়।’
জুলাই সনদ বাস্তবায়নে কেন গণভোটের আয়োজন করা হলো, সেই ব্যাখ্যা দিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘যাতে দেশের ভবিষ্যৎ সংস্কারদিশা নির্ধারণে জনগণ সরাসরি সিদ্ধান্ত দিতে পারেন। এই গণভোট হবে বাংলাদেশের ইতিহাসে নতুন মাইলফলক। এখানে আপনাদের প্রতিটি ভোট আগামী দিনের রাষ্ট্রব্যবস্থার ভিত্তি স্থাপন করবে।’
প্রভাব ‘শতবর্ষব্যাপী’
এবারের গণভোটের প্রভাব ‘শতবর্ষব্যাপী’ হবে মন্তব্য করে সবাইকে ভোট দেয়ার আহ্বান জানান মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, ‘এর মাধ্যমে আপনারা জানান- আপনারা কি জুলাই সনদের সংস্কার কাঠামোকে এগিয়ে নিতে চান কি না। আপনাদের ভোটই নির্ধারণ করবে রাষ্ট্র কোন পথে অগ্রসর হবে, প্রশাসন কোন কাঠামোয় পুনর্গঠিত হবে এবং নতুন বাংলাদেশ কেমন রূপ পাবে।’
ভাষণের শেষ দিকে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা আজ এক নতুন ইতিহাসের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে আছি। এ দেশ আমাদের, এই রাষ্ট্র আমাদের, এর ভবিষ্যৎও আমাদের হাতেই। এখন আমাদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার পালা। আমরা এবারের বিজয় দিবসকে জাতীয় জীবনে নতুনভাবে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার সুবর্ণ সুযোগ হিসেবে নিতে চাই। মহান মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক অনুপ্রেরণা ধারণ করে জনগণের ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে এগিয়ে যাওয়া এবং গণতান্ত্রিক উত্তরণের পথে যে নবযাত্রা সূচিত হয়েছে, তা এগিয়ে নেয়াই আমাদের সম্মিলিত দায়িত্ব।’
জাতির উদ্দেশে অন্তর্বর্তী সরকারপ্রধান বলেন, ‘আসুন, শতবর্ষের সংগ্রাম ও বহু কষ্টে অর্জিত স্বাধীনতাকে পূর্ণতা দিতে নতুন প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ, সুখী ও সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তুলি। ধর্ম-বর্ণ-গোষ্ঠী এবং লিঙ্গ পরিচয় নির্বিশেষে সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে হাতে হাত রেখে এগিয়ে যাই শান্তি, সমৃদ্ধি ও গণতন্ত্রের পথে। আসুন, ন্যায়বিচার, গণতন্ত্র, মানবিকতা ও উন্নয়নের পথে একসঙ্গে এগিয়ে যাই।’
আন্তর্জাতিক: খামেনির স্ত্রীও মারা গেলেন
অর্থ-বাণিজ্য: হরমুজ প্রণালি বন্ধ করায় বিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দাম
অর্থ-বাণিজ্য: পরপর তিন দিন বাড়লো সোনার দাম
অর্থ-বাণিজ্য: সূচকের উত্থানে লেনদেন ৭৭৯ কোটি টাকা