image

দ্বিগুণ দামেও পাওয়া যাচ্ছে না এলপি গ্যাস, ‘জিম্মি’ সাধারণ মানুষ

রোববার, ০৪ জানুয়ারী ২০২৬
ফয়েজ আহমেদ তুষার

রাজধানীর বেশিরভাগ এলাকায় এলপি গ্যাসের খুচরা বিক্রেতাদের দোকান বন্ধ। কোথাও দোকান খোলা পাওয়া গেলেও গ্যাসের দাম প্রায় দ্বিগুণ। বিক্রেতারা বলছেন, সরবরাহ নেই। তাই দোকান বন্ধ। যারা দাম বেশি নিচ্ছেন তারা বলছেন, তারা পরিবেশকের কাছ থেকে অনেক বেশি দাম দিয়ে গ্যাস এনেছেন। রোববার,(০৪ জানুয়ারী ২০২৬) ঢাকার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এই চিত্র দেখা গেছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঢাকার বাইরে বিভিন্ন জেলা-উপজেলায়ও একই অবস্থা।

বিইআরসি চলতি জানুয়ারি মাসের জন্য ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম নির্ধারণ করেছে ১৩০৬ টাকা

ডিসেম্বরে দাম নির্ধারিত ছিল ১২৫৩ টাকা

ডিসেম্বরের শেষ দিকে বিক্রি হয়েছে ১৯০০-২১০০ টাকায়

গত কয়েকদিন ধরে বিক্রি হচ্ছে ‘২২০০-২৪০০ টাকায়

আবাসিকে রান্নায় বেশি ব্যবহৃত হয় বেসরকারি পর্যায়ের ১২ কেজি এলপি গ্যাসের (এলপিজি) সিলিন্ডার।

জ্বালানি খাতের মূল্য নির্ধারণকারী সংস্থা বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) জানুয়ারি মাসের জন্য ১২ কেজি তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) সিলিন্ডারের দাম নির্ধারণ করেছে ১ হাজার ৩০৬ টাকা। রোববার সংস্থাটির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে নতুন দাম ঘোষণা করা হয়েছে, যা এদিন সন্ধ্যা ৬টা থেকে কার্যকর হয়েছে।

গত মাসে (ডিসেম্বর ২০২৫) বিইআরসি নির্ধারিত দাম ছিল ১ হাজার ২৫৩ টাকা। যেটি রোববার সন্ধ্যা ৬টার আগে পর্যন্ত কার্যকর ছিল। তবে ডিসেম্বরজুড়েই বাজারে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম অনেক বেশি ছিল।

সরেজমিন ঢাকার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, গত শুক্রবার থেকে রোববার বিকেল পর্যন্ত ১২৫৩ টাকার এই সিলিন্ডার স্থানভেদে ২ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ঢাকার বাইরেও বিভিন্ন জেলায় খোঁজ নিয়ে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম সরকার নির্ধারিত দরের চেয়ে অনেক বেশি রাখার তথ্য পাওয়া গেছে।

ভোক্তা পর্যায়ে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি বা এলপি গ্যাস) ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম ১ হাজারের কম হওয়া উচিত বলে সম্প্রতি মন্তব্য করেছিলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।

গত বছর অক্টোবরে ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেছিলেন, দাম কমানোর ক্ষেত্রে বেসরকারি খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও মুনাফা বাড়িয়ে অর্থপাচারের সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসা প্রয়োজন। অতিরিক্ত দামের জন্য তিনি বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের পাশাপাশি এ খাতের ব্যবসায়ীদেরও দায়ী করেছেন।

তবে অন্তর্বর্তী সরকারও বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি।

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, সরকার নির্ধারিত দামে কখনোই এলপিজি সিলিন্ডারের গ্যাস কিনতে পাওয়া যায় না। খুচরায় অন্তত ২শ’ টাকা বেশি গুনতে হয় ক্রেতাদের। তবে গত দুই সপ্তাহ ধরে আরও বেশি দাম নিচ্ছেন বিক্রেতারা।

অনেক জায়গায় আবার বাড়তি দাম দিয়েও সিলিন্ডার মিলছে না। এতে বাসাবাড়িতে খাবার রান্না করা নিয়ে ব্যাপক ভোগান্তিতে পড়েছেন এলপিজি ব্যবহারকারীরা। পাইপলাইনের গ্যাস নেই কিংবা চাপ না থাকায় রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানেই অনেকে এলপিজি ব্যবহার করে থাকেন। হঠাৎ করে সংকট ও দাম বেড়ে যাওয়ার বিষয়ে খুচরা বিক্রেতারা ডিলারদের দোষ দিচ্ছেন। এর বিপরীতে এলপিজি পরিবেশক ও অপারেটরগুলোর সংগঠনের তরফে দাবি করা হয়েছে, গত মাসে (ডিসেম্বরে) আমদানি কমে যাওয়ায় সরবরাহে ঘাটতি তৈরি হয়েছে।

ঢাকার মগবাজার, রামপুরা, বনশ্রী, বাড্ডা, মিরপুর কল্যাণপুর, কাজীপাড়া, যাত্রাবাড়ী, শনির আখড়া, খিলগাঁও, বাসাবো, মুগদা, মোহাম্মদপুরসহ আশপাশের এলাকা ঘুরে ও খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পাইকারি সরবরাহ কমে যাওয়ায় খুচরা বিক্রেতারা নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে ৫০০-৬০০ টাকা বেশি দামে সিলিন্ডার বিক্রি করছেন। আবার অনেক দোকানে সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না। ভোক্তাদের এক দোকান থেকে আরেক দোকানে ঘুরতে হচ্ছে।

মগবাজারের বাসিন্দা শেফিক রহমান সুমন বলেন, তার পরিচিত একজন শনিবার (গত) এলপি গ্যাসের ১২ কেজি সিলিন্ডার কিনেছেন ২৫০০ টাকায়। নয়াটোলার বাসিন্দা নজরুল ইসলাম বলেন, রোববার দুপুরে তার গ্যাস শেষ হয়ে যায়। তিনি বাসার পাশের গ্যাসের দোকানে গিয়ে দেখেন সেটি বন্ধ। ফোন দেয়ার পর দোকানদার জানায়, তার দোকানের গ্যাস শেষ। পরিবেশকের কাছ থেকে ১২ কেজি সিলিন্ডার ২১০০ টাকায় গ্যাস কিনতে হবে, তাই তিনি গ্যাস না এনে দোকান বন্ধ রেখেছেন।

নজরুল ইসলাম জানান, এরপর তিনি কয়েক জায়গায় ঘুরে গ্যাসের দোকান বন্ধ পান। শেষ পর্যন্ত নয়াটোলার র‌্যাব অফিস সংলগ্ন একটি গ্যাসের দোকানের শাটার খোলা দেখতে পান। তবে কলাপসিবল গেইট তালা বন্ধ পান। ভিতরে সারি সারি সিলিন্ডার। দোকানের বাইরে অপেক্ষমাণ এক ব্যক্তিকে দেখে তিনি গ্যাসের প্রয়োজন জানান। ওই ব্যক্তি প্রথমে গ্যাস নাই বললেও প্রায় সঙ্গে সঙ্গে বলেন, খুঁজলে হয়তো পাওয়া যাবে। তবে দাম পড়বে আড়াই হাজার টাকা। নজরুল কথা না বাড়িয়ে অন্য দোকানের খোঁজে চলে যান।

মোহাম্মদপুরের বাসিন্দা কবির হোসেন বলেন, সাধারণত সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে ১৫০-২০০ টাকা বেশি দিয়ে এলপি গ্যাস কিনতে হয়। শুক্রবার (গত) পুরো এলাকা ঘুরে শুধু একটি দোকানে পেট্রোম্যাক্সের সিলিন্ডার পাওয়া গেছে। দাম চাওয়া হয় ২ হাজার ১০০ টাকা।

বনশ্রীর বাসিন্দা সোহেল আহমেদ, যাত্রাবাড়ীর কবির উদ্দিনসহ অনেক এলাকার বাসিন্দাদের একই অভিযোগ।

মুন্সীগঞ্জ, কুমিল্লা, বরিশাল, যশোর, রংপুর, ময়মনসিংহসহ আরও কয়েকটি জেলায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, স্থানীয় পরিবেশকরা এলপি গ্যাসের বাড়তি দাম হাঁকছেন।

খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, সমস্যা শুরু হয়েছে ডিস্ট্রিবিউশন বা পরিবেশক পর্যায় থেকে। পাইকারিতে সরবরাহ কম, তাছাড়া বেশি দামে কিনতে হচ্ছে বলে খুচরা বাজারেও এর প্রভাব পড়ছে।

মালিবাগের এক দোকানদার সংবাদকে বলেন, ‘এলপিজি কোম্পানিগুলো ঠিকমতো গ্যাস সরবরাহ করতে পারছে না। চাহিদার কথা জানালে কয়েকদিন পর সিলিন্ডার আসছে। পনের দিন আগে ১২ কেজি সিলিন্ডার কিনতে হয়েছে ১ হাজার ৫২০ টাকার বেশি দিয়ে। পরিবহন খরচ মিলিয়ে ১ হাজার ৭০০ টাকার কমে বিক্রি করা সম্ভব হয়নি। গত সপ্তাহে একই সিলিন্ডার কিনতে হয়েছে ১ হাজার ৯০০ টাকায়। তাই আরও বাড়িয়ে বিক্রি করতে হচ্ছে।’

*লোয়াবের দাবি*

এলপিজি অপারেটরস অব বাংলাদেশ (লোয়াব) ও সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, ‘শীতকালে বিশ্ববাজারে এলপিজির চাহিদা ও পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার কারণে নিয়মিত পরিবহনে ব্যবহৃত কিছু জাহাজও সংকটে পড়েছে। এতে ডিসেম্বর মাসে দেশের আমদানি কমে প্রায় ৪০ শতাংশে নেমে এসেছে।’

এলপিজি ব্যবসায়ী ও এনার্জিপ্যাকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হুমায়ুন রশীদ বলেন, ‘মাসে গড়ে এক লাখ ৩০ হাজার থেকে ৪০ হাজার টন এলপিজি আমদানি হলেও ডিসেম্বরে তা নেমেছে প্রায় ৯০ হাজার টনে। এতে সরবরাহ কমে গেছে।’ তবে তার দাবি, তারা পরিবেশকদের কাছে বিইআরসি নির্ধারিত দামেই সরবরাহ করছেন। খুচরা পর্যায়ে মূল্যবৃদ্ধির দায় তাদের নয়।

*ক্যাবের বক্তব্য*

বাজার অস্থিরতা নিয়ে ভোক্তা অধিকারবিষয়ক সংগঠন কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) বলছে, নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি করা আইনত দ-নীয় অপরাধ। কিন্তু পর্যবেক্ষণ ও প্রয়োগ ক্ষমতার ঘাটতির কারণে এ ক্ষেত্রে কার্যকর ব্যবস্থা দেখা যাচ্ছে না।

ক্যাবের জ্বালানি উপদেষ্টা এম শামসুল আলম বলেন, ‘সরবরাহ সংকটের নামে এখন যা হচ্ছে, তা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে। বিইআরসি শাস্তি নিশ্চিত করতে না পারায় ভোক্তাদের আস্থা নষ্ট হচ্ছে।’

*লোয়াবকে বিইআরসির চিঠি*

বাজারের এ পরিস্থিতি বিইআরসির নজরে আসার পর সংস্থাটি লোয়াবকে চিঠি দিয়ে নির্ধারিত দাম নিশ্চিতের আহ্বান জানিয়েছে।

বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ জানিয়েছেন, আমদানি খরচ বাড়লে কোম্পানিগুলো প্রমাণসহ কমিশনে তথ্য জমা দেবে, এরপর মূল্য সমন্বয় বিবেচনায় নেয়া হবে। এর আগে বাড়তি দামে বিক্রির সুযোগ নেই।

এদিকে জানুয়ারি মাসের জন্য এলপিজির দাম রোববার ঘোষণা করবে বলে বিইআরসি গত বৃহস্পতিবার এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে।

*পাইপলাইনেও গ্যাস কম*

ঢাকার অনেক আবাসিক এলাকায় গ্যাসের সংকট দেখা দিয়েছে। রাজধানীর রামপুরার বাসিন্দা তানভীর উল ইসলাম জানান, শুক্রবার (গত) সকাল থেকেই তার বাসায় গ্যাসের চাপ একদমই নেই।

মগবাজার নয়াটোলার বাসিন্দা ইকবাল হোসেন বলেন, শীত আসার পর প্রায়ই গ্যাসের চাপ কমে যায়। এতে রান্না করা মুশকিল হয়ে পড়ে। বাধ্য হয়ে তিনি বাসায় এলপিজি সিলিন্ডার রাখেন।

ভোক্তারা বলছেন, সরকার নির্ধারিত মূল্যে কখনোই এলপিজি গ্যাস কিনতে পারেন না তারা। তাদের ভাষ্য, এ খাতের ব্যবসায়ী, পরিবেশক ও দোকানদারদের কাছে সবসময়ই গ্রাহকরা জিম্মি।

*জানুয়ারির জন্য বিইআরসি ঘোষিত নতুন দর*

রোববার বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এলপি গ্যাসের নতুন দাম ঘোষণা করেন।

নতুন দর অনুযায়ী, বেসরকারি এলপিজির মূল্য সংযোজন করসহ (মূসক/ভ্যাট) দাম নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি কেজি ১০৮ টাকা ৮৩ পয়সা। গত মাসে তা ছিল ১০৪ টাকা ৪১ পয়সা। অর্থাৎ এ মাসে দাম কেজিতে বেড়েছে ৪ টাকা ৪২ পয়সা। এই হিসাবে বিভিন্ন আকারের এলপিজি সিলিন্ডারের দাম নির্ধারিত হবে। বাজারে বিভিন্ন আকারের এলপিজি সিলিন্ডার পাওয়া যায়।

এই হিসাবে জানুয়ারি মাসের জন্য বেসরকারি পর্যায়ের ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম হয়েছে ১ হাজার ৩০৬ টাকা। গত মাসে (ডিসেম্বর ২০২৫) দাম ছিল ১ হাজার ২৫৩ টাকা। অর্থাৎ জানুয়ারিতে ১২ কেজিতে দাম বেড়েছে ৫৩ টাকা। গত মাসে দাম বেড়েছিল ৩৮ টাকা।

রোববার সন্ধ্যা ছয়টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে বলে জানান বিইআরসি চেয়ারম্যান। সংস্থাটি প্রতি মাসেই এলপিজির দাম নির্ধারণ করে।

বাজারে এলপিজির বাড়তি দামের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বিইআরসির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ বলেন, ‘ব্যবসায়ীরা বলছেন উৎপাদনপর্যায়ে তারা নির্ধারিত দামেই পরিবেশকের কাছে বিক্রি করছেন। খুচরা পর্যায়ে বাড়তি দামের বিষয়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর অভিযান চালাচ্ছে। উৎপাদনপর্যায়ে বাড়তি দামের অভিযোগ এলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

সরকারি কোম্পানির সরবরাহ করা এলপিজির সাড়ে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৮২৫ টাকা অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। অন্যদিকে গাড়িতে ব্যবহৃত এলপিজির (অটো গ্যাস) দাম প্রতি লিটার ৫৯ টাকা ৮০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। গত মাসে তা ছিল ৫৭ টাকা ৩২ পয়সা।

২০২১ সালের এপ্রিল থেকে এলপিজির দাম নির্ধারণ করে আসছে বিইআরসি। এলপিজি তৈরির মূল উপাদান প্রোপেন ও বিউটেন বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা হয়। প্রতি মাসে এলপিজির এই দুই উপাদানের মূল্য প্রকাশ করে সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠান আরামকো। এটি সৌদি কার্গো মূল্য (সিপি) নামে পরিচিত।

এই সৌদি সিপিকে ভিত্তিমূল্য ধরে দেশে এলপিজির দাম সমন্বয় করে বিইআরসি। আমদানিকারক কোম্পানির চালান (ইনভয়েস) মূল্য থেকে গড় করে পুরো মাসের জন্য ডলারের দাম হিসাব করে বিইআরসি।

‘জাতীয়’ : আরও খবর

» অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২:রাজধানীর ৫ থানায় গ্রেপ্তার ৯৮

সম্প্রতি