দেশে খাদ্যের সংকট হওয়ার কোনো আশঙ্কা নেই দাবি করে খাদ্য উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার বলেছেন, ‘ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার রাজনৈতিক টানাপোড়েনের প্রভাব খাদ্য পরিস্থিতির উপরে পড়বে না। দুই দেশের মধ্যে এখনো বাণিজ্য চলমান রয়েছে।’
রোববার,(০৪ জানুয়ারী ২০২৬) সচিবালয়ে দেশের খাদ্য মজুত পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। খাদ্য উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘ভারত থেকে আমরা চাল আমদানি করি টাকায়। তারাও এটা বিক্রি করেন।
বাজারটা কিন্তু ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়ের প্রয়োজন হয়। বিক্রেতাও বাজারে আসতে হয়, তার বিক্রি করা দরকার আছে। আমরাও বাজারে যাই আমাদের কেনা দরকার আছে। ঠিক তেমনভাবে ভারত থেকে চাল আমদানি বা যেসব জিনিস আমদানি সেটাকে আমরা রাজনৈতিকভাবে দেখি না।’
উপদেষ্টা বলেন, ‘অন্য যেখান থেকেই আনি আমরা এটা রাজনৈতিকভাবে দেখি না। আমরা এটাকে দেখি বাজার মেকানিজম হিসেবে। যেখানে আমরা কম পাই সেখান থেকে আমরা কিনি।’
তিনি জানান, দেশের বর্তমান খাদ্য মজুত পরিস্থিতি সন্তোষজনক। সরকারি খাদ্য গুদামে বর্তমানে ২০ লাখ ২৭ হাজার ৪২০ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য মজুত রয়েছে। এর মধ্যে ১৬ লাখ ৯৬ হাজার ৭৮৭ টন চাল, দুই লাখ ৩৩ হাজার ২২৪ টন গম এবং ৯ লাখ ৭ হাজার ৪০৯ টন ধান মজুত রয়েছে।
গম পুরোটাই আমদানি করতে হয় জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, ‘আমাদের দেশে গমের চাহিদা বছরে ৭০ লাখ মেট্রিক টন। এর মধ্যে আমাদের দেশে উৎপাদন মোটে ১০ লাখ মেট্রিক টন।
আর চালের সিংহভাগই লোকাল, আর কিছু পরিমাণ ইমপোর্ট করা হয়েছে, আরও কিছু পরিমাণ ইমপোর্ট চ্যানেলের মধ্যে আমাদের আছে। এবারে ইমপোর্টের পরিমাণটা শেষ হওয়ার পরে বলতে পারবো, আরও কয়েক মাস পরে বলতে পারবো যে অন্যান্য বছরের তুলনায় ইমপোর্টের পরিমাণটা কমে যাবে আশা করছি।’