সরকারি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও গাছ কাটার আগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক বলে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও নির্বিচারে বৃক্ষ নিধন বন্ধে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বুধবার একটি রিট আবেদনের চূড়ান্ত শুনানি শেষে হাইকোর্টের বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মুুবিনা আসিফের সমন্বয়ে গঠিত দ্বৈত বেঞ্চ এ রায় দেন।
রায়ে বলা হয়েছে, সরকারি বা বেসরকারি—যে কোনো উন্নয়ন প্রকল্পে গাছ কাটার প্রয়োজন হলে পরিবেশগত প্রভাব বিবেচনা করে নির্ধারিত কমিটির অনুমোদন নিতে হবে। অনুমতি ছাড়া শহরাঞ্চল, সড়কের পাশ কিংবা সরকারি জমিতে গাছ কাটা যাবে না।
এ ছাড়া জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে গাছ কাটার অনুমোদনের জন্য আলাদা কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। কমিটিতে পরিবেশ অধিদপ্তর, স্থানীয় প্রশাসন এবং পরিবেশ বিশেষজ্ঞদের অন্তর্ভুক্ত করার কথাও বলা হয়েছে।
এর আগে পরিবেশ ও মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ (এইচআরপিবি) হাইকোর্টে জনস্বার্থে একটি রিট আবেদন করে। রিটে বলা হয়, উন্নয়ন প্রকল্পের নামে দেশের বিভিন্ন এলাকায় নির্বিচারে গাছ কাটা হচ্ছে, যা পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি করছে এবং মানুষের সুস্থ পরিবেশে বসবাসের সাংবিধানিক অধিকার লঙ্ঘন করছে।
রিট আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, বিদ্যমান আইন ও নীতিমালা থাকা সত্ত্বেও সেগুলোর যথাযথ প্রয়োগ না থাকায় শহর ও গ্রাম—উভয় এলাকাতেই বৃক্ষ নিধনের প্রবণতা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে।
রায়ে হাইকোর্ট বলেন, গাছ পরিবেশের অপরিহার্য অংশ এবং মানুষের জীবন ও জীবিকার সঙ্গে সরাসরি জড়িত। নির্বিচারে গাছ কাটলে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হয়, যা দীর্ঘমেয়াদে জনস্বাস্থ্য ও টেকসই উন্নয়নের জন্য বড় হুমকি।
আদালত সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরগুলোকে রায়ের নির্দেশনা দ্রুত বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন।
অর্থ-বাণিজ্য: দেশের ইতিহাসে স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড
অর্থ-বাণিজ্য: পাঁচ মাসে বাণিজ্য ঘাটতি বেড়ে ৯৪০ কোটি ডলার
অর্থ-বাণিজ্য: বিএইচবিএফসির খেলাপি ঋণ কমে ৩.৪৫%
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: বিটিসিএলের নতুন প্যাকেজ ঘোষণা