image
ছবিঃ সংগৃহীত

জ্বালানি-বিদ্যুৎ খাতের খসড়া মহাপরিকল্পনা নিয়ে প্রশ্ন সিপিডির

সংবাদ অনলাইন রিপোর্ট

বিশেষ কোনো দেশের স্বার্থে তড়িঘড়ি করে অন্তর্বর্তী সরকার জ্বালানি-বিদ্যুৎ খাতের খসড়া মহাপরিকল্পনা প্রস্তুত করেছে কিনা, সেই প্রশ্ন তুলেছে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)। গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি বলছে, এর মধ্যে দিয়ে জ্বালানি রূপান্তরে অন্তর্বর্তী সরকার উল্টো পথে যাত্রা করেছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের খসড়া জ্বালানি ও বিদ্যুৎ মহাপরিকল্পনা (২০২৬-২০৫০) নিয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় সিপিডি এ কথা বলেছে। বৃহস্পতিবার, (১৫ জানুয়ারী ২০২৬) রাজধানীর ধানমন্ডিতে সিপিডির কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই প্রতিক্রিয়া জানানো হয়।

সিপিডির গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, বিগত সরকারের সময়ে কী ধরনের বৈষম্যমূলক পরিস্থিতির ভেতর দিয়ে এই সংস্থা (সিপিডি) কাজ করেছে, তা সবাই জানে। বর্তমান সরকারের সময়ে কিছুটা সহযোগিতা নিয়ে তারা কাজ করছিলেন। এ রকম একটি প্রেক্ষাপটে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত নিয়ে একটি খসড়া মহাপরিকল্পনা প্রধান উপদেষ্টার কাছে জমা দেয়া হয়েছে। এই বিষয় সিপিডি জানে না। এটা সিপিডির জন্য একধরনের বিব্রতকর পরিস্থিতি।

কোনো ধরনের আলাপ-আলোচনা ছাড়া, কোনো ধরনের বিশেষজ্ঞ পরামর্শ ছাড়া মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের মাধ্যমে এ ধরনের একটি কাজ (খসড়া মহাপরিকল্পনা প্রস্তুত) গোপনে শেষ করার বিষয়টি আগের সরকারের আচরণকে মনে করিয়ে দেয় বলে মন্তব্য করেন খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম।

খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম প্রশ্ন রেখে বলেন, কেন এ রকম একটি মহাপরিকল্পনার মিশন-ভিশনে যথাযথভাবে নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রতিফলন নেই? কেন এখানে রিসোর্স অপটিমাইজেশনের নাম করে অভ্যন্তরীণ কয়লাকে ব্যবহার করার জন্য গুরুত্ব দেয়া হয়েছে? কেন সোলারের নাম ব্যবহার করে সোলারের বাইরে অন্যান্য যে জ্বালানি আছে যেগুলো কার্বন নির্গমন করে, সেগুলোকে সোলারের ভেতরে যুক্ত করা হয়েছে?

খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, খসড়া মহাপরিকল্পনায় ২০৫০ সালে বিদ্যুতের প্রাক্কলন করা হয়েছে ৬০ হাজার মেগাওয়াট। অথচ তারা তথ্য-উপাত্ত দিয়ে দেখিয়েছিলেন এর অর্ধেক অর্থাৎ ৩০ হাজার মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ দরকার হবে না। খসড়া মহাপরিকল্পনায় এলএনজি অবকাঠামোকে বিপুল বিনিয়োগের জন্য সামনে নিয়ে আসা হয়েছে।

‘জাতীয়’ : আরও খবর

» আইসিজেতে মায়ানমারের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গাদের ওপর জাতিগত নিধনের বিচার শুরু

সম্প্রতি