image

বৈধ অস্ত্রও জমা দিতে হবে ৩১ জানুয়ারির মধ‍্যে

সংবাদ অনলাইন রিপোর্ট

সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে বৈধ অস্ত্রের ওপর কড়াকড়ি আরোপ করেছে সরকার। এর অংশ হিসেবে দেশের সব বৈধ অস্ত্রের লাইসেন্সধারীদের আগামী ৩১ জানুয়ারির মধ্যে নিকটবর্তী থানায় অস্ত্র জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আগ্নেয়াস্ত্র বহন ও প্রদর্শন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে। এ সময়ের মধ্যে কোনো লাইসেন্সধারী ব্যক্তি আগ্নেয়াস্ত্র সঙ্গে রাখা বা প্রকাশ্যে প্রদর্শন করতে পারবেন না।

তবে রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও জাতীয় সংসদ সদস্য পদপ্রার্থীদের ক্ষেত্রে নির্ধারিত নীতিমালা অনুযায়ী বরাদ্দকৃত বৈধ অস্ত্রের জন্য এই নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না। প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, নির্বাচন কমিশনে বৈধভাবে মনোনয়নপত্র দাখিল ও গৃহীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী এবং তাঁর জন্য অনুমোদিত সশস্ত্র রিটেইনারদের ক্ষেত্রে অস্ত্র প্রদর্শন নিষিদ্ধকরণ সংক্রান্ত নির্দেশনা কার্যকর হবে না।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই নির্দেশ অমান্য করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নির্দেশনা বাস্তবায়নে দেশের সব পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বলেন, নির্বাচনের সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আগ্নেয়াস্ত্র জমা ও বহনে নিষেধাজ্ঞা একটি নিয়মিত ও গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। এর মাধ্যমে সহিংসতা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঝুঁকি কমানো সম্ভব হবে।

নির্বাচনী নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে ভোটগ্রহণের পরিবেশ আরও শান্তিপূর্ণ রাখা সম্ভব। তবে মাঠপর্যায়ে নজরদারি ও তদারকি জোরদার করার ওপরও তাঁরা গুরুত্বারোপ করেছেন।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে রবিবার এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে

‘জাতীয়’ : আরও খবর

» বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাতের খসড়া মহাপরিকল্পনা বাতিলসহ ৫ দফা দাবি

» গণভোট: প্রধান উপদেষ্টা কেন ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে, ব্যাখ্যা দিলো তার দপ্তর

» গণভোট: ‘হ্যাঁ-এর পক্ষে প্রচারে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের ‘আইনগত বাধা নেই’, দাবি আলী রীয়াজের

সম্প্রতি