নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সম্মতিতে আট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) বদলি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। বুধবার, (২১ জানুয়ারী ২০২৬) নির্বাচন কমিশনের সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
ইসি সূত্র জানায়, নির্বাচন তফসিল ঘোষণার পর কোনো সরকারি কর্মকর্তাকে বদলি করতে হলে নির্বাচন কমিশনের সম্মতি নিতে হয়। এ পরিপ্রেক্ষিতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় একটি তালিকা পাঠালে ইসি তাতে সম্মতি দেয়।
গত ২০ জানুয়ারি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব সামিউল আমিন সই করা চিঠি থেকে জানা যায়, বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের কর্মকর্তাদের নামের পাশে বর্ণিত উপজেলায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে পদায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে।
যে আট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে, তারা হলেন- পাথরঘাটা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ইশরাত জাহানকে চরফ্যাশন উপজেলায়। জীবননগর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আল-আমীনকে নগরকান্দায় দেয়া হয়েছে। ভান্ডারিয়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা রেহেনা আক্তারকে ধুনটে দেয়া হয়েছে। বাহুবল উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা লিটন চন্দ্র দে-কে জীবননগর উপজেলায় দেয়া হয়েছে। ধুনট উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা প্রীতিলতা বর্মনকে বাহুবল উপজেলায় দেয়া হয়েছে। নগরকান্দা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মেহরাজ শারবীনকে দেয়া হয়েছে কলমাকান্দা উপজেলায়। কলমাকান্দা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুদুর রহমানকে ভান্ডারিয়া উপজেলায় দেয়া হয়েছে। চরফ্যাশন উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. লোকমান হোসেনকে পাথরঘাটা উপজেলায় পদায়ন করা হয়েছে।
চিঠিতে আরও বলা হয়, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে ন্যস্ত কর্মকর্তাদের নিজ নিজ অধিক্ষেত্রে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব পালনের জন্য দণ্ডবিধি, ১৮৯৮-এর ১৪৪ ধারার ক্ষমতা অর্পণ করা হয়েছে।
বর্ণিত কর্মকর্তাদের আজকের মধ্যে বদলিকৃত কর্মস্থলে যোগদান করতে হবে। অন্যথায় একইদিন অপরাহ্নে বর্তমান কর্মস্থল থেকে তাৎক্ষণিকভাবে অবমুক্ত (স্ট্যান্ড রিলিজড) বলে গণ্য হবেন। নির্বাচন কমিশনের সম্মতির পরিপ্রেক্ষিতে জনস্বার্থে জারিকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।