৭৯ আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী, একযোগে বহিষ্কার ৫৯

সংবাদ অনলাইন রিপোর্ট

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ৭৯ আসনে বিএনপির অন্তত ৯০ জন বিদ্রোহী বা স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে বহিষ্কার, কঠোর বার্তা আর বিভিন্ন পর্যায়ে সমঝোতা ও আলোচনার পরও তারা প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেননি।

বিদ্রোহের কারণে এর আগে রুমিনসহ ১১ জন বহিষ্কার

দুজন প্রার্থিতা প্রত্যহার করায় তাদের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার

জামায়াতের বিদ্রোহী একজন, বহিষ্কার

গতকাল মঙ্গলবার ছিল প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন। বুধবার, (২১ জানুয়ারী ২০২৬) বিএনপির প্রার্থীদের ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দের পাশপাশি দলটি থেকে নির্বাচনে দাঁড়ানো স্বতন্ত্র প্রার্থীদেরও প্রতীক বরাদ্দ করা হয়।

ভোটে দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে প্রার্থী হওয়ায় বুধবার একসঙ্গে ৫৯ জন নেতাকে বহিষ্কার করেছে বিএনপি। এমন বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে বিএনপি কঠোর অবস্থানে থাকবে বলে আগেই হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

এবারের নির্বাচনে বিএনপির প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর একজন বিদ্রোহী প্রার্থীর খবর পাওয়া গেছে। তিনি হলেন- ময়মনসিংহ-৬ (ফুলবাড়িয়া) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী জেলা জামায়াতের সাবেক আমির অধ্যাপক জসিম উদ্দিন। এ কারণে তাকে গত ২৯ ডিসেম্বর দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।

বিএনপির রাজনীতি করা অনেকেই দলের টিকেট না পেয়ে বিদ্রোহী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। দলের প্রতীক না পেয়ে দলের কঠোর অবস্থানের পরও ভোটের লড়াইয়ে থাকছেন স্বতন্ত্র হিসেবে; যা মোট সংসদীয় আসনের এক-চতুর্থাংশের বেশি।

আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপির রাজনীতি করা এসব ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থীদের আর সরে যাওয়ার সুযোগ নেই। ব্যালটে তাদের নাম থাকবে। তবে এখন সমঝোতা কিংবা দলের আদেশ মেনে কেউ ভোটের লড়াইয়ে না থাকার ঘোষণা হয়তো দিতে পারবেন।

এমনটা না হলে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের ভোটের আগের তিন সপ্তাহে ২৯৮ আসনের মধ্যে এক চতুর্থাংশটিতে ভোটের প্রচারে দেখা মিলবে বিএনপির বিদ্রোহীদের।

বিএনপির বিদ্রোহী যারা

এসব ‘বিদ্রোহীদের’ মধ্যে সাবেক সংসদ সদস্য, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক নেতা, জেলা কমিটির নেতা, বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা রয়েছেন।

দলীয় নির্দেশ অমান্য করে ঢাকা বাদে ৬৩ জেলায় ১১৮টি আসনে প্রায় ১৭৯ জন বিএনপি নেতা ধানের শীষ প্রতীকের মনোনীত প্রার্থীর বাইরে মনোনয়নপত্র দিয়েছিলেন। এরপর অনেক নেতার সঙ্গেই বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটি কথা বলে এবং প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নেয়ার আহ্বান জানান। দল থেকে স্পষ্ট বার্তা দেয়া হয়, প্রার্থিতা অব্যাহত রাখলে দল থেকে বহিষ্কার করা হবে। এমনকি দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানও কারও কারও সঙ্গে ঢাকায় কথা বলেছেন। তারা প্রত্যাহারও করে নিয়েছেন।

অনেক ক্ষেত্রে জেলা পর্যায়েও আলোচনা-সমঝোতার মাধ্যমে কেউ কেউ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন। কোথাও কোথাও বিএনপি প্রার্থীর বিপরীতেও বিকল্প হিসেবে কেউ কেউ মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। তারা তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। এভাবে প্রায় অর্ধেক বিএনপি নেতা তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।

কিন্তু তারপরেও ঢাকার তিনটি আসনসহ প্রায় এক-চতুর্থাংশ আসনে ধানের শীষের বিপরীতে দলটির সাবেক নেতারা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে রয়ে গেছেন।

ঢাকার আসনগুলো হচ্ছেÑ ঢাকা-৭, ঢাকা-১২ এবং ঢাকা-১৮। এর মধ্যে ঢাকা-১২ আসনে শরিক বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হককে ছেড়ে দিয়েছে বিএনপি। কিন্তু সেখানে যুবদলের সাবেক সভাপতি ও মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক সাইফুল আলম নীরব প্রার্থী হয়েছেন। যদিও দল থেকে তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

অন্যদিকে ঢাকা-১৮ আসনটিতে বিএনপি গুম হওয়া ব্যক্তিদের স্বজনদের সংগঠন ‘মায়ের ডাক’-এর সমন্বয়ক সানজিদা ইসলাম তুলিকে প্রার্থী করেছে। কিন্তু সেখানে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে রয়ে গেছেন দারুস সালাম থানা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক সৈয়দ আবু বকর সিদ্দিক সাজু।

এর মধ্যে বাগেরহাটের চারটি আসনের প্রত্যেকটিতেই বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী রয়ে গেছেন। জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য এম এ এইচ সেলিম নিজে তিনটি আসন থেকে নির্বাচন করছেন।

বাগেরহাট-২ সদর আসন থেকে সেলিমের আপন ভাই জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও বর্তমান সমন্বয়ক এম এ সালাম মনোনয়নপত্র জমা করেছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তিনি তা প্রত্যাহার করে নেন।

অন্য আসনগুলোর মধ্যে জেলাওয়ারি বিশ্লেষণে দেখা যায় পঞ্চগড়, শরীয়তপুর, কক্সবাজার, লক্ষ্মীপুর, বগুড়া, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, লালমনিরহাট, ভোলা, সিরাজগঞ্জ, চুয়াডাঙ্গা, খুলনা, সাতক্ষীরা, ফেনী, পিরোজপুর, নরসিংদীর, রাঙামাটি, বান্দরবানের মতো জেলায় দলীয় নির্দেশ অমান্য করে কোনো বিএনপি নেতা প্রার্থী হননি।

আবার নোয়াখালী-৬, নড়াইল-১ আসনে তিনজন ‘বিদ্রোহী’ হয়ে রয়েছেন। দিনাজপুর-৫, রাজশাহী-৫, নাটোর-১, বাগেরহাট-১, নারায়ণগঞ্জ-৩, নারায়ণগঞ্জ-৪, গোপালগঞ্জ-২, মাদারীপুর-১, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে দুজন করে বিএনপির বিদ্রোহী নেতা রয়ে গেছেন।

কিছু ব্যতিক্রমও ছিল। যেমন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নামে যে তিনটি আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেয়া হয়েছিল সেখানে প্রত্যেক স্থানেই ‘বিকল্প প্রার্থী ছিল। গত ৩০ ডিসেম্বর সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী মারা যান। এরপর ওই তিনটি আসনে বিকল্প প্রার্থীরাই দলীয় প্রার্থী হন।

সুনামগঞ্জের পাঁচটি আসনেই বিএনপি দুজন করে প্রার্থীকে মনোনয়নের দিয়েছিল। পরে অবশ্য একজন করে প্রত্যাহার করে নেন। যদিও সুনামগঞ্জের দুটি আসনে বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ রয়েই গেছে।

এছাড়া চট্টগ্রাম-৬ আসনে গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী ও খন্দকার গোলাম আকবরকে দলীয় প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেয়া হয়েছিল। তারা দুজনই মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। শেষে দলের টিকেট পেয়েছেন গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী।

নেত্রকোণা-৪ (মোহনগঞ্জ, মদন, খালিয়াজুরি) আসনে সাবেক প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরের পাশাপাশি সেখানে তার স্ত্রী তাহমিনা জামান শ্রাবণীও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। শ্রাবণী তার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। এমন আরও বেশ কয়েকটি আসনেই হয়েছে।

*বিদ্রোহী ৫৯ নেতাকে বহিষ্কার*

ভোটে দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে প্রার্থী হওয়ায় একসঙ্গে ৫৯ জন নেতাকে বহিষ্কার করেছে বিএনপি; যাদের মধ্যে কেন্দ্রীয় নেতা যেমন রয়েছেন, তেমনি দলের টিকেটে পাওয়া সাবেক সংসদ সদস্যও রয়েছেন। বুধবার রাতে দলের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তাদের বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

এর আগে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের আগে একই কারণে ১১ জনকে বহিষ্কার করা হয়। পরে দুজন মনোনয়নপত্র তুলে নিলে তাদের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করেছিল দলটি।

বুধবার রাতে দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত চিঠিতে তাদের বহিষ্কারের আদেশ দিয়ে বলা হয়, এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

*রংপুর বিভাগ*

দিনাজপুর-২ আসনের আ ন ম বজলুর রশিদ, দিনাজপুর-৫ আসনের এ জেড এম রেজয়ানুল হক এবং নীলফামারী-৪ আসনের রিয়াদ আরাফান সরকার রানাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

*রাজশাহী বিভাগ*

নওগাঁ-৩ আসনের পারভেজ আরেফিন সিদ্দিকী জনি, নাটোর-১ আসনের তাইফুল ইসলাম টিপু ও ডা. ইয়াসির আরশাদ রাজন, নাটোর-৩ আসনের দাউদার মাহমুদ, রাজশাহী-৫ আসনের ইসফা খাইরুল হক শিমুল ও ব্যারিস্টার রেজাউল করিম, পাবনা-৩ আসনের কে এম আনোয়ারুল ইসলাম এবং পাবনা-৪ আসনের জাকারিয়া পিন্টুকে বহিষ্কার করা হয়।

*খুলনা বিভাগ*

কুষ্টিয়া-১ আসনের নুরুজ্জামান হাবলু মোল্লা, নড়াইল-২ আসনের মনিরুল ইসলাম, যশোর-৫ আসনের অ্যাডভোকেট শহিদ ইকবাল, সাতক্ষীরা-৩ আসনের ডা. শহীদুল আলম, বাগেরহাট-১ আসনের ইঞ্জিনিয়ার মাসুদ ও বাগেরহাট-৪ আসনের খায়রুজ্জামান শিপন বহিষ্কৃত হয়েছেন।

*বরিশাল বিভাগ*

বরিশাল-১ আসনের আব্দুস সোবহান এবং পিরোজপুর-২ আসনের মোহাম্মদ মাহমুদ হোসেনকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

*ঢাকা বিভাগ*

নারায়ণগঞ্জ-১ আসনের মোহাম্মদ দুলাল হোসেন, নারায়ণগঞ্জ-২ আসনের মো. আতাউর রহমান খান আঙ্গুর, নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের অধ্যাপক মো. রেজাউল করিম, টাঙ্গাইল-১ আসনের অ্যাডভোকেট মোহাম্মাদ আলী, টাঙ্গাইল-৩ আসনের লুৎফর রহমান খান আজাদ, টাঙ্গাইল-৫ আসনের অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল, নরসিংদী-৫ আসনের মো. জামাল আহমেদ চৌধুরী, মুন্সিগঞ্জ-১ আসনের মো. মুমিন আলী ও মুন্সিগঞ্জ-৩ আসনের মো. মহিউদ্দিনকে বহিষ্কার করা হয়।

*ময়মনসিংহ বিভাগ*

কিশোরগঞ্জ-১ আসনের রেজাউল করিম চুন্নু, কিশোরগঞ্জ-৫ আসনের শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল, ময়মনসিংহ-১ আসনের সালমান ওমর রুবেল, ময়মনসিংহ-১০ আসনের এবি সিদ্দিকুর রহমান, ময়মনসিংহ-১১ আসনের মো. মোর্শেদ আলম, নেত্রকোনা-৩ আসনের মো. দেলোয়ার হোসেন ভূঁইয়া এবং শেরপুর-৩ আসনের মো. আমিনুল ইসলাম বাদশাহ বহিষ্কার হয়েছেন।

*ফরিদপুর বিভাগ*

মাদারীপুর-১ আসনের লাভলু সিদ্দিকী ও কামাল জামাল নুরউদ্দিন মোল্লা, মাদারীপুর-২ আসনের মিল্টন বৈদ্য, রাজবাড়ী-২ আসনের নাসিরুল হক সাবু, গোপালগঞ্জ-২ আসনের এম এস খান মঞ্জু ও সিরাজুল ইসলাম সিরাজ এবং গোপালগঞ্জ-৩ আসনের অ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান হাবিবকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

*সিলেট বিভাগ*

সুনামগঞ্জ-৩ আসনের আনোয়ার হোসেন, সুনামগঞ্জ-৪ আসনের দেওয়ান জয়নুল জাকেরীন, সিলেট-৫ আসনের মামুনুর রশীদ, মৌলভীবাজার-৪ আসনের মহসিন মিয়া মধু এবং হবিগঞ্জ-১ আসনের শেখ সুজাত মিয়াকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

*কুমিল্লা বিভাগ*

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ আসনের অ্যাডভোকেট কামরুজ্জামান মামুন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনের কাজী নাজমুল হোসেন তাপস, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনের কৃষিবিদ সাইদুজ্জামান কামাল, কুমিল্লা-২ আসনের ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল মতিন, কুমিল্লা-৭ আসনের আতিকুল আলম শাওন ও চাঁদপুর-৪ আসনের এম এ হান্নান বহিষ্কার হয়েছেন।

*চট্টগ্রাম বিভাগ*

চট্টগ্রাম-১৪ আসনের অ্যাডভোকেট মিজানুল হক চৌধুরী ও শফিকুল ইসলাম রাহী, চট্টগ্রাম-১৬ আসনের লিয়াকত আলী চেয়ারম্যান, নোয়াখালী-২ আসনের কাজী মফিজুর রহমান, নোয়াখালী-৬ আসনের প্রকৌশলী ফজলুল আজীম এবং ইঞ্জিনিয়ার তানবীর উদ্দীন রাজীবকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

বিএনপির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘দলীয় নীতি, আদর্শ ও শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকা-ে’ জড়িত থাকার জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে বলে তুলে ধরা হয়। আদেশে বলা হয়, এসব নেতাদের প্রাথমিক সদস্যসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

‘জাতীয়’ : আরও খবর

» সরকারি চাকরিজীবীদের সর্বনিম্ন মূল বেতন ২০ হাজার, সর্বোচ্চ ১ লাখ ৬০ হাজার করার সুপারিশ

» নির্বাচনে যেন কোনো ‘গলদ’ না থাকে: প্রধান উপদেষ্টা

» বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো সূচি অনুযায়ী ভারতেই খেলতে হবে, জানালো আইসিসি

» ইসির সম্মতিতে ৮ ইউএনও বদলি

» সাবেক সচিব মহিবুলের সোয়া কোটি টাকার জমি জব্দ, ২১ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

সম্প্রতি