image

ক্রিকেটারদের সঙ্গে বসছেন ক্রীড়া উপদেষ্টা, সিদ্ধান্ত কী হবে

সংবাদ অনলাইন রিপোর্ট

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ভেন্যু পরিবর্তন নিয়ে আইসিসির কাছ থেকে চরম নেতিবাচক বার্তা পেয়েছে বিসিবি। ফলে অনেকটা দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়ার অবস্থা বাংলাদেশের। জল্পনা, কল্পনার ডালপালা বহুদূর ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকে নিশ্চিত হয়েছে টাইগাররা এবার আর বিশ্বকাপে খেলছেন না। বিসিবি সভাপতি আবার আইসিসির কাছ থেকে মিরাকলের আশায় বসে আছেন। খেলোয়াড়দের মধ্যে বয়ে যাচ্ছে তুমুল ঝড়। আর ক্রিকেটপ্রেমীদের তো ঘাম ছুটছে।

তবে এ সবকিছুর অবসান ঘটছে আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে। ক্রীড়া উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের সঙ্গে বসে কথা বলবেন। সবকিছু বিবেচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন। রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে জাতীয় দলের সঙ্গে ক্রীড়া উপদেষ্টা যে বৈঠক করবেন এখন সবার চোখ সেদিকে। অনেকের ভেতরে অনেক প্রশ্নের ঝড়ও বইছে।

ক্রীড়া উপদেষ্টা খেলোয়াড়দের কী বলবেন? যখন তারা বিশ্বকাপে খেলার জন্য উন্মুখ। ক্রীড়া উপদেষ্টা কি টাইগারদের মতামতকেই প্রাধান্য দেবেন, নাকি সরকারের ভাষ্য দিয়ে তাদের আশ্বস্ত করবেন? যদি ক্রিকেটাররা ভারতে খেলতে যেতেই চান, তাহলে উপদেষ্টা কি তাদের কথা মেনে ভারতে পাঠাবেন? এমন নানা জল্পনা, কল্পনা চলছে। তবে সবকিছুর শেষ দেখা যাবে বিকেলের সভাতেই।

অনেকে বলছেন, ক্রীড়া উপদেষ্টা ভারতের মাটিতে গিয়ে বিশ্বকাপ না খেলার পক্ষে বাংলাদেশ সরকার ও বিসিবির নেওয়া যুক্তিগুলো বিস্তারিত তুলে ধরবেন। বাংলাদেশ যে যৌক্তিক কারণেই নিরাপত্তা ও সুরক্ষার কথা ভেবে, দেশের মান মর্যাদার কথা ভেবে আইসিসি ইভেন্ট হলেও ভারতে গিয়ে খেলতে চায়নি সেটাই হয়তো বোঝাবেন।

ভারতের মাটিতে নিরাপত্তার ইস্যুটি প্রথম সামনে আসে গত ৩ জানুয়ারি। সেদিন বিসিসিআই আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজি কলকাতা নাইট রাইডার্সকে মুস্তাফিজুর রহমানকে ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দেয়। ঘটনার পরদিনই বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে বিসিবি আইসিসিকে জানায়—নিরাপত্তা শঙ্কার কারণে বাংলাদেশ দল ভারতে যাবে না। এরপর একাধিক আলোচনার পরও অবস্থান বদলায়নি। অবশ্য, মুস্তাফিজুর ইস্যুকে বিশ্বকাপের নিরাপত্তার সঙ্গে সম্পর্কহীন বলে দাবি করেছে আইসিসি। সেই সঙ্গে জানিয়েছে, একজন খেলোয়াড়ের ঘরোয়া লিগ সংক্রান্ত ঘটনাকে টুর্নামেন্টের সঙ্গে যুক্ত করা গ্রহণযোগ্য নয়।

‘জাতীয়’ : আরও খবর

সম্প্রতি