চার দফা দরপত্র বাতিল
কয়লা সরবরাহ করা নিয়ে উচ্চ আদালতের রায় উপেক্ষা করে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে (ডিপিএম) কয়লা কেনার প্রক্রিয়া শুরু করেছে পটুয়াখালীর ১৩২০ মেগাওয়াট আরএনপিএল বিদ্যুৎ কেন্দ্র। বিদ্যুতকেন্দ্রটির কয়লা সরবরাহে উন্মুক্ত দরপত্র প্রক্রিয়া (ওটিএম) পদ্ধতিতে চতুর্থ দফায় ডাকা দরপত্রে আর্থিক ও কারিগরিভাগে যোগ্য বিবেচিত হওয়ার পরও কার্যাদেশ প্রদান না করে ‘বিধিবহির্ভূতভাবে দরপত্র বাতিল করলে’ রিট পিটিশন করে সিঙ্গাপুরভিত্তিক একটি প্রতিষ্ঠান।
এ বিষয়ে আদালতের রায় কোম্পানিটির পক্ষে গেলে হঠাৎ করে ডিপিএমে কয়লা ক্রয়ের প্রক্রিয়া শুরু করেছে বিদ্যুৎ বিভাগ ও আরএনপিএল। অভিযোগ উঠেছে, জাতীয় নির্বাচনের আগের ‘তড়িঘড়ি করে পুরনো সিন্ডিকেটকে কাজ দিতে’ এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
রাষ্ট্রীয় রুরাল পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড এবং চীনের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান নরিনকো’র যৌথ উদ্যোগে গঠিত আরপিসিএল-নরিনকো পাওয়ার লিমিটেড (আরএনপিএল) পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ১৩২০ মেগাওয়াটের এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি নির্মাণ করে। গত জানুয়ারি ও এপ্রিলে পর্যায়ক্রমে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির দুটি ইউনিট গ্রিডের সঙ্গে যুক্ত হয় এবং পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করে। এরপর জাতীয় গ্রিডে সর্বোচ্চ পাঁচ থেকে ছয়শ মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ দিয়েছে কেন্দ্রটি।
তবে কয়লা সংকটে গত ১২ জুন থেকে আরএনপিএলের এই কেন্দ্রটির বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ আছে।
অভিযোগ উঠেছে, সিঙ্গাপুরভিত্তিক জিনহে গ্লোবাল কমোডিটি সাপ্লাই চেইন নামের একটি কোম্পানির আগ্রহেই ডিপিএম প্রক্রিয়ায় কিনতে নানা তৎপরতা চালাচ্ছে মন্ত্রণালয় ও কর্তৃপক্ষ। গত ২৪ নভেম্বর সিঙ্গাপুরভিত্তিক জিনহে গ্লোবাল কমোডিটি সাপ্লাই চেইন নামে একটি কোম্পানি সরাসরি খনি থেকে কয়লা সরবরাহের প্রস্তাব দিয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বরাবর একটি চিঠি দেয়। এতে বিদ্যমান কয়লার দরে (ইয়াংথাই এনার্জি সরবরাহকৃত কয়লার মূল্য অনুযায়ী) সরবরাহের জন্য আগ্রহ প্রকাশের কথা জানানো হয়।
এরপর গত ৪ জানুয়ারি কোম্পানিটির দেয়া চিঠির উপর “বিষয়টি দেখুন” লিখে বিভাগের সচিবকে নির্দেশনা দেন খোদ উপদেষ্টা।
অভিযোগ রয়েছে, সিঙ্গাপুরভিত্তিক এই কোম্পানিটির স্থানীয় প্রতিনিধি রেডসান এগ্রোসিম (বিডি) লিমিটেডের কয়লা সরবারাহের কোনো অভিজ্ঞতাই নেই। অথচ আদালতের রায়ের পরও সাশ্রয়ী দর প্রস্তাবকারী ইয়াংথাই এনার্জিকে কয়লা সরবারাহের ক্রয়াদেশ না দিয়ে সিন্ডিকেটের জন্য প্রক্রিয়া জটিল করায় বন্ধ হয়ে গেছে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি। যা বড় ক্ষতিমুখে ঠেলে দিয়েছে প্রকল্পটিকে।
বিদ্যুৎ বিভাগের তথ্যমতে, সিঙ্গাপুরভিত্তিক কোম্পানিটি থেকে ডিপিএমে কয়লা সংগ্রহের পাশাপাশি আরএনপিএল কর্তৃপক্ষ ১৫টি কয়লা সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানকে গত দুই মাসে ইমেইল পাঠিয়ে কয়লা সংগ্রহের আগ্রহের কথা জানিয়ে দর প্রস্তাবের অনুরোধ জানায়। এরমধ্যে পিটি সাম্বার গ্লোবাল এনার্জি নামে ইন্দোনেশিয়ার একটি প্রতিষ্ঠানকে দেড় মিলিয়ন টন কয়লা সরবরাহের জন্য নির্ধারণ করা হয়। অথচ এই প্রতিষ্ঠানটি আরএনপিএলের চতুর্থ দফায় উন্মুক্ত দরপত্রে অংশ নিলেও কারিগরি মূল্যায়নে যোগ্য বিবেচিত হয়নি। এছাড়া প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে পূর্ব নির্ধারিত মানে কয়লা সরবরাহ না করার মাধ্যমে ব্যবসায়িক প্রতারণা অভিযোগ এনে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে ভিয়েতনাম সরকার কর্তৃক ইন্দোনেশিয়ার সরকার চিঠি দিয়েছিল। আদালতের রায় উপক্ষো করেই জাতীয় নির্বাচনের আগেই পুরাতন সিন্ডিকেটের পছন্দের দুটি কোম্পানির একটিকে কাজ দিতে আরএনপিএল ও বিদ্যুৎ বিভাগ চেষ্টা করছে বলে জানিয়েছে একটি সূত্র।
আরএনপিএল, বিদ্যুৎ বিভাগ ও বিপিডিবির মধ্যে চালাচালি হওয়া সাম্প্রতিক কয়েকটি চিঠি পর্যালোচনায় দেখা যায়, ডিপিএমে কয়লা সংগ্রহে জন্য বিশেষ একটি কোম্পানিকে কাজ দিতে চিঠির ভাষাতে কৌশল করে বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব বরাবর চিঠি দেয় আরএনপিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। ওই চিঠিতে দ্রুত সময়ের মধ্যে কয়লা সংগ্রহ করা না গেলে বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ হয়ে যাওয়ার কথা জানানো হয়।
এরপর সিঙ্গাপুরভিত্তিক কোম্পানিটি কয়লা সরবরাহের প্রস্তাব জমা দেয়ার একদিন পর আরএনপিএলের বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালুর জন্য কয়লা সংগ্রহে জরুরি ভিত্তিতে বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব বরাবর চিঠি দেয়। আরএনপিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এএইচএম রাশেদের সই করা ওই চিঠিতে জানানো হয়, কয়লা সংগ্রহে তিন ধরনের পদ্ধতির অনুসরণ করা যেতে পারে। প্রথমত- সরাসরি ক্রয় পদ্ধতি অনুসরণ করে খনি নির্বাচনের মাধ্যমে কয়লা সংগ্রহ করা, দ্বিতীয়ত- বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি চালুর ক্ষেত্রে অন্তবর্তীকালীন ব্যবস্থা হিসেবে মাতারবাড়ি মজুদকৃত কয়লা ধারে এনে বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালু করা এবং তৃতীয় পরিকল্পনায় অন্তবর্তীকালীন সময়ের জন্য লিমিটেড টেন্ডারিং মেথড (এলটিএম) পদ্ধতি অনুসরণ করে কয়লা কেনা।
অভিযোগ রয়েছে, আরএনপিএলের বোর্ড সভায় কয়লা কেনার ক্ষেত্রে যে তিন ধরনের পদ্ধতি অনুসরণ করার কথা বলা হয়েছে। তা মূলত বিশেষ ওই সিন্ডিকেটের চাহিদা অনুযায়ী কয়লা সংগ্রহের দুটি দ্রুত বিকল্প। মূলত সিন্ডিকেটকে কাজ পাইয়ে দেয়ার জন্য এ ধরনের চিঠি ইস্যু করা হয়েছে। আর দ্রুত সময়ে কয়লা সংগ্রহের এই নির্দেশনা আরএনপিএলের অনুরোধে দেয় বিদ্যুৎ বিভাগ।
আরএনপিএল কর্তৃপক্ষ বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি চালু করতে গত ১০ ডিসেম্বর কোম্পানির ৬৮ তম বোর্ড সভায় কয়লা কেনার একাধিক সিদ্ধান্ত অনুমোদন দিয়েছে। বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির বাণিজ্যিক উৎপাদনে না আসা পর্যন্ত ইপিসি ঠিকাদার কনসোর্টিয়াম (টেপকো-সিএইচইসি-সিডব্লিউইসি) থেকে ভ্যারিয়েশন অর্ডারের মাধ্যমে জরুরি ভিত্তিতে কয়লা সংগ্রহের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সরকারি ক্রয় বিধিমালা (পিপিআর-২০২৫) অনুযায়ী ডিপিএম অনুসরণ করে ইপিসি এবং ইন্দোনেশিয়ার কয়লাখনি থেকে সরাসরি কয়লা সংগ্রহের সম্ভাবনা যাচাই করার সিদ্ধান্ত হয়।
এ লক্ষ্যে বিদ্যুৎ বিভাগ, বিপিডিবি বিআরইবি, আরপিসিএল, নরিনকো ইন্টারন্যাশনালের একজন করে প্রতিনিধিকে নিয়ে ছয় সদস্যের একটি কমিটিও গঠন করা হয়েছে। কমিটির সদস্যরা কয়লা সংগ্রহের জন্য যোগ্য খনি চিহ্নিত করতে ইন্দোনেশিয়া সফর করবেন। এছাড়া, ইপিসি ঠিকাদার থেকে কয়লা সংগ্রহের ক্ষেত্রে মূল্য ও শর্ত মূল্যায়নের জন্য বিপিডিবি, এমআইএসটি মন্ত্রণালয় ও আরএনপিএল-এর তিন সদস্যের একটি ভ্যারিয়েশন অ্যাসেসমেন্ট কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেয়।
তবে খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ইপিসি কন্ট্রাক্টরের মাধ্যমে কয়লা সংগ্রহ করা হলে বিদ্যুৎ উৎপাদন আরও বিপর্যস্ত ও ব্যয়বহুল হবে। কারণ নির্মাণ ব্যয়ের সঙ্গেই কয়লার ব্যয় যুক্ত করা হবে। ফলে ইপিসি থেকে কয়লা নিলে বেড়ে যাবে প্রকল্পের ঋণ।
তারা বলছেন, প্রতিযোগিতামূলক আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে নানা ধাপে মূল্যায়নের পর আর্থিক ও কারিগরিভাগে যোগ্য কোম্পানিকে নির্বাচিত করা হয়। এমন অনুসরণ না করে তড়িঘড়ি করে এমন দরপত্র আহ্বান করা, স্পট পারচেজ/ডিপিএম পদ্ধতিতে করে সরাসরি একটি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে কয়লা সরবরাহ করতে দেওয়া অথবা ইপিসি কন্ট্রাক্টরকে ব্যবহার করে কয়লা সংগ্রহ সবকিছু যেন সিন্ডিকেটের কারসাজি। যা দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা হ্রাস, আমদানি নির্ভরতা বৃদ্ধির অন্যতম কারণ।
জানতে চাইলে আরএনপিএলের প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী মো. তৌফিকুল ইসলাম বলেন,“গত ১২ জানুয়ারি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ আছে কয়লা সংকটের কারণে। তাই কয়লা আনার চেষ্টা করা হচ্ছে।” সিঙ্গাপুরভিত্তিক একটি প্রতিষ্ঠানের রিট দায়েরের বিষয়টি স্বীকার করে তিনি বলেন, “আমরা চূড়ান্ত রায়ের অপেক্ষা করছি।”
তিনি বলেন, “যে পরিমাণ কয়লা আমদানির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে, তা ওই কোম্পানি যদি রায় পায়ও তারপরও তাদের চুক্তি সঙ্গে সাংঘর্ষিক হবে না।”
আরএনপিএলের কয়লা সরবরাহ সংক্রান্ত আদালতের আদেশ উপেক্ষা করার বিষয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেন, অল্প পরিমাণে কয়লা আনার কথা বলা হয়েছে। কারণ, কয়লা না থাকায় বিদ্যুৎকেন্দ্রটির উৎপাদন বন্ধ আছে।
আরএনপিএলের কমিশনিংয়ের জন্য নির্ধারিত শিডিউলের মধ্যে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির সব কয়লা সরবরাহ করেছে ইয়াংথাই এনার্জি। কেন্দ্রটিতে দীর্ঘমেয়াদে কয়লা সরবরাহে আরএনপিএলের ডাকা চতুর্থ দফা দরপত্রে অংশ নেয় সিঙ্গাপুরভিত্তিক কোম্পানিটি। দরপত্রের সব ধরনের শর্ত পূরণ করার পরও কোনো যৌক্তিকতা ছাড়াই দরপত্র বাতিল করে বিদ্যুৎ বিভাগ। সেই সঙ্গে নতুন করে দরপত্র আহ্বান করার নির্দেশ দেয় আরএনপিএলকে। এর বিরুদ্ধে আদালত গেলে রায়ও আসে কোম্পানিটির পক্ষে। আদালতের রায় অবমাননা করে ডাকা এমন তড়িৎ দরপত্র প্রক্রিয়া এবং একইসাথে স্পট পারচেজএর মাধ্যমে কয়লা সংগ্রহ করাকে অবৈধ এবং বেআইনি বলে অবহিত করেছেন খাত সংশ্লিষ্টরা।
চতুর্থ দফায় ডাকা দরপত্রে যোগ্য বিবেচিত হওয়া সিঙ্গাপুরভিত্তিক কোম্পানি ইয়াংথাই এনার্জি প্রাইভেট লিমিটেডের করা রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে গত ২৮ আগস্ট উচ্চ আদালত দরপত্র বাতিল ও পুনরায় আহবানের সিদ্ধান্তের ওপর তিন মাসের স্থগিতাদেশ দেয়। পাশাপাশি কয়লার দরপত্র বাতিল ও নতুন দরপত্র আহ্বানের সিদ্ধান্ত কেন অবৈধ হবে না এবং কারিগরি ও আর্থিকভাবে যোগ্য কোম্পানির সঙ্গে আইন অনুযায়ী কেন চুক্তি করা হবে না- তা চার সপ্তাহের মধ্যে বিদ্যুৎ বিভাগসহ সংশ্লিষ্টদের কাছে জানতে চেয়েছেন।
এরপর আরএনপিএল স্থগিতাদেশ বাতিল চেয়ে আপীল বিভাগে আবেদন করে আরএনপিএল। পরে গত ২০ অক্টোবর একটি যৌথ ব্রেঞ্চ উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশ বহাল রাখে এবং দুই সপ্তাহের মধ্যে তা উচ্চ আদালতে নিষ্পত্তির নির্দেশ দেয়। এরপর গত ৩০ নভেম্বর চতুর্থ দরপত্র বাতিল ও পুনঃদরপত্র আহবানের সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করেছে উচ্চ আদালত। পাশাপাশি কারিগরি ও আর্থিকভাবে যোগ্য সিঙ্গাপুরভিত্তিক কোম্পানি ইয়াংথাই এনার্জি প্রাইভেট লিমিটেডের পক্ষে চুক্তি প্রদানের নোটিশ ইস্যুর (নোটিফিকেশন অব এওয়ার্ড) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে আরপিসিএল-নরিনকো ইন্টারন্যাশনাল পাওয়ার লিমিটেড (আরএনপিএল) কর্তৃপক্ষকে।
অভিযোগ রয়েছে, গত সাড়ে তিন বছরে চার বার দরপত্র ডেকেও ‘সিন্ডিকেটের বাধায় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারেনি’ আরএনপিএল কর্তৃপক্ষ। সিন্ডিকেটের পছন্দের কোম্পানি যোগ্য বিবেচিত না হওয়ায় দফায় দফায় শর্ত শিথিল করা হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। কয়লার মান কমানোর মাধ্যমে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের দীর্ঘ মেয়াদী ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া ও উৎপাদন ব্যয় বাড়বে- এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এর আগে গত ২৪ আগস্ট প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের চিঠি দিয়ে এ বিষয়ে অভিযোগ করেছিল দরপত্রে কারিগরি ও আর্থিকভাগে যোগ্য ইয়াংথাই এনার্জি। অভিযোগে বলা হয়, সাবেক জ্বালানি উপদেষ্টার ঘনিষ্ট একজন বিশেষ ব্যক্তি এবং আরএনপিএল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সাবেক এক শীর্ষ কর্মকর্তা সিঙ্গাপুরভিত্তিক কোম্পানিটির সঙ্গে সমঝোতার প্রস্তাব দেয়। সম্মতি না পাওয়ায় কোম্পানিটিকে কয়লা সরবরাহের কাজ থেকে বঞ্চিত করা হয়।