আসন্ন গণভোট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সারা দেশে সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন সম্পন্ন হয়েছে। সরকারের নির্দেশে ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার বা বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তার জন্য রাজধানীসহ দেশের সকল জেলা ও উপজেলায় সেনাবাহিনী এবং বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) তাদের টহল কার্যক্রম জোরদার করেছে।
গণভোট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কঠোর নিরাপত্তা বলয় গড়ে তুলতেই মঙ্গলবার সকাল থেকে সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন সম্পন্ন হয়েছে।
আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, নির্বাচনী পরিবেশ স্থিতিশীল রাখা, ভোটারদের নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে আসা নিশ্চিত করা এবং যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় সেনাবাহিনী ‘স্ট্রাইকিং ফোর্স’ হিসেবে রাজপথে অবস্থান করছে।
জেলা শহরগুলোতে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে নিরাপত্তা মানচিত্র তৈরি করা হয়েছে, যেখানে সেনাবাহিনী ও বিজিবির পাশাপাশি র্যাব ও পুলিশ সদস্যগণ আইন-শৃঙ্খলারক্ষায় নিয়োজিত থাকবেন।
নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী, সশস্ত্র বাহিনীর এই মোতায়েন নির্বাচনী কার্যক্রম শেষ না হওয়া পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। বিশেষ করে স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত সেনা সদস্য।
আইএসপিআর আরও জানিয়েছে, সেনাবাহিনীর এই বিশেষ টহল কেবল রাজপথেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং দুর্গম পাহাড়ি এবং চরাঞ্চলেও নির্বাচনী নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হেলিকপ্টার ও বিশেষ বাহন ব্যবহার করছে। বেসামরিক প্রশাসনের অনুরোধে তারা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সামগ্রী পরিবহনেও সহায়তা প্রদান করছে। সরকারের এই কঠোর অবস্থানের মূল লক্ষ্য হলো একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করা।