image

ভারতের মতামত দেওয়ার অধিকার নেই: তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা

সংবাদ অনলাইন রিপোর্ট

নির্বাচন একটি দেশের সম্পূর্ণ অভ্যন্তরীণ বিষয় এবং সেখানে অন্য কোনো দেশ বিশ্লেষণ করতে পারলেও সরাসরি মতামত দেওয়ার কোনো অধিকার বা সুযোগ রাখে না ব‌লে মন্তব্য ক‌রে‌ছেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।

বুধবার দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তি‌নি এমন মন্তব‌্য ক‌রেন।

আজকের এই মন্তব্যের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের সার্বভৌম গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় বাইরের হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে সরকারের অনড় অবস্থান আরও একবার প্রকাশিত হলো।

বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে প্রতিবেশী দেশ ভারতের বিভিন্ন মন্তব্য ও বিশ্লেষণের প্রেক্ষিতে কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করে তি‌নি ব‌লেন, নির্বাচন একটি দেশের সম্পূর্ণ অভ্যন্তরীণ বিষয় এবং সেখানে অন্য কোনো দেশ বিশ্লেষণ করতে পারলেও সরাসরি মতামত দেওয়ার কোনো অধিকার বা সুযোগ রাখে না।

কোনো দল জিতলে কী হবে এমন আগাম মন্তব্যকে তিনি ‘অবস্তুনিষ্ঠ’ হিসেবে অভিহিত করেন এবং দায়িত্বশীল আচরণের আহ্বান জানান।

​উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান জানান, গণভোট ও সাধারণ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশে ইতিবাচক আমেজ তৈরি হয়েছে।

বর্তমান সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন ভিত্তিহীন প্রচারণা চালিয়ে যে ভয়ের আবহ তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে, তাতে কান না দেওয়ার জন্য তিনি দেশবাসীকে অনুরোধ জানান।

তিনি উল্লেখ করেন, পতিত স্বৈরাচারী শক্তি যদি নির্বাচনের পরিবেশ বিঘ্নিত করার কোনো চেষ্টা চালায়, তবে সরকার তা কঠোরভাবে প্রতিহত করতে পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে।

নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার দিন ককটেল বিস্ফোরণের মতো ঘটনার উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, জনমনে ভীতি সৃষ্টির অপচেষ্টা চালানো হলেও মাঠপর্যায়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে নির্বাচন নিয়ে যথেষ্ট আগ্রহ ও উৎসাহ দেখা গেছে। কোনো সুনির্দিষ্ট ব্যক্তি যদি ভোট দিতে ভয় পান, তবে সরকার তাঁর নিরাপত্তা নিশ্চিতের দায়িত্ব নেবে।

​সচিবালয়ের এই বৈঠকে উপদেষ্টা আরও বলেন, নির্বাচনের সময় রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে উত্তেজনা বা বাকযুদ্ধ থাকা স্বাভাবিক, তবে সেটি যেন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি না ঘটায় তা নিশ্চিত করা সরকারের কাজ। জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) মাধ্যমে গণভোটের প্রচার এবং ভোটারদের কেন্দ্রমুখী করার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

‘জাতীয়’ : আরও খবর

সম্প্রতি