গণঅভ্যুত্থানের পর দায়িত্ব নেওয়া অন্তর্বর্তী সরকার সুশাসিত, দুর্নীতিমুক্ত ও জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠান গঠনে শক্তিশালী ভিত্তি স্থাপনে ব্যর্থ হয়েছে বলে পর্যবেক্ষণ দিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।
সংস্থাটি মনে করে, সংস্কারের নামে সরকার যেসব উদ্যোগ নিয়েছে, তার অধিকাংশই লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়েছে এবং জনগণের প্রত্যাশা পূরণের পরিবর্তে উল্টো পথে হাঁটছে।
সোমবার সকালে ধানমন্ডিতে টিআইবির কার্যালয়ে ‘কর্তৃত্ববাদ পতন-পরবর্তী প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি’ শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে এমন মন্তব্য করে প্রতিষ্ঠানটি।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট থেকে ২০২৬ সালের ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত পরিচালিত এক গবেষণার ফলাফল তুলে ধরে টিআইবি জানায়, দুর্নীতিমুক্ত সমাজ ও জনগণের কাছে অঙ্গীকারবদ্ধ রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরির আকাঙ্ক্ষা থাকলেও বাস্তবে উল্টো চিত্র দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে গণতান্ত্রিক চর্চার অভাব এবং অর্থ, পেশি ও ধর্মনির্ভর রাজনীতির প্রভাব আগের মতোই বজায় রয়েছে।
গবেষণার পর্যবেক্ষণে টিআইবি আরও উল্লেখ করেছে, বর্তমানে রাজনীতিতে নারীর অংশগ্রহণ ও প্রতিনিধিত্ব অনেকটা জিম্মি অবস্থায় রয়েছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে সরকারের নিষ্ক্রিয়তা বা তোষণমূলক অবস্থানের কারণে উগ্র ও ধর্মান্ধ গোষ্ঠীর ক্ষমতায়ন দৃশ্যমান হয়ে উঠেছে। শুরুর দিকে বিভিন্ন সংস্কার কার্যক্রমে নাগরিক সমাজকে গুরুত্ব দেওয়া হলেও, সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে তাদের সুপারিশগুলো উপেক্ষা করার প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে।
সংবাদ সম্মেলনে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, সরকারের ভেতরে নাগরিক সমাজের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ থাকলেও তারা প্রত্যাশিত ভূমিকা পালনে ব্যর্থ হয়েছেন। এর ফলে সাধারণ জনগণের মধ্যে নাগরিক সমাজ সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা তৈরি হচ্ছে। দখলবাজি ও দলবাজির পুরনো সংস্কৃতি নতুন মোড়কে ফিরে আসায় সংস্কারের মূল লক্ষ্য ব্যাহত হচ্ছে বলে গবেষণায় সতর্ক করা হয়েছে।
রাজনীতি: ২২ বছর পর খুলনা যাচ্ছেন তারেক রহমান
অর্থ-বাণিজ্য: স্বর্ণের দামে নাটকীয়তা: লাগাতার উঠানামা
নগর-মহানগর: হাতিরঝিলে পিকআপের ধাক্কায় নিহত ১
অর্থ-বাণিজ্য: ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে কমলো স্বর্ণের দাম