image

জাতীয় সংসদ নির্বাচন: পুলিশের করণীয় ও বর্জনীয় নিয়ে গাইডলাইন চূড়ান্ত

সংবাদ অনলাইন রিপোর্ট

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পুলিশের ভূমিকা কী হবে তা নিয়ে পুলিশ সদর দপ্তর গাইডলাইন চূড়ান্ত করেছে। ইতোমধ্যে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে গাইডলাইনের সব নির্দেশিকা মাঠ পর্যায়ে পুলিশ কনস্টেবল থেকে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে পৌঁছে দেয়া হয়েছে। ওই গাইডলাইনে নির্বাচনে পুলিশের করণীয় ও বর্জনীয় কী হবে তা-ও চূড়ান্ত করে দেয়া হয়েছে।

কনস্টেবল থেকে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কঠোর নির্দেশনা

প্রার্থী, এজেন্ট বা সমর্থকের কাছ থেকে খাবার/উপঢৌকন/অন্য সুবিধা নেয়া যাবে না: পুলিশ সদর দপ্তর

ভোট দেয়া শেষ হলে কেন্দ্রের বেষ্টিত এলাকা (৪শ’ গজ ব্যাসার্ধ) ত্যাগ

করতে হবে

কোনো সাংবাদিক ১০ মিনিটের বেশি ভোটকক্ষে অবস্থান করতে পারবেন না

পুলিশের বর্জনের তালিকায় রয়েছে, কোনো প্রার্থী অথবা প্রার্থীর এজেন্ট কিংবা সমর্থকদের কাছ থেকে খাবার/উপঢৌকন/অন্য কোনো সুবিধা নেয়া যাবে না। এমনকি প্রাথীর সঙ্গে ছবি তোলা, আলাপচারিতা বা ঘনিষ্ঠ হওয়া যাবে না। আর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে না গেলে বলপ্রয়োগ বা লাঠিচার্জ করা যাবে না। এভাবে নানা ধরনের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। পুলিশ সদর দপ্তর থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

পুলিশ হেডকোয়াটার্সের গাইডলাইনে যা আছে- পুলিশের ভূমিকা ও উদ্দেশ্য, গণতন্ত্রের ভিত্তি রক্ষা, আইনের শাসন বজায় রাখা, জনগণের আস্তা অর্জন করা, ভোটাধিকার ও গোপনীয়তা রক্ষা করা, নিরাপত্তা, সতর্ককতার দিক নির্দেশনা রয়েছে।

পুলিশের করণীয়: নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা, নির্বাচনী আইন ও আচরণবিধি কঠোরভাবে অনুসরণ করা। ভোটারদের অবাধ ও স্বাধীনভাবে ভোট দেয়ার পরিবেশ সুনিশ্চিত করা। কোনো রাজনৈতিক দল, প্রার্র্থী বা গোষ্ঠীর পক্ষে অবস্থান করা যাবে না।

স্থানীয় জননিরাপত্তা রক্ষা ও ভোটগ্রহণ চলাকালে শৃঙ্খলা রক্ষা ও বিশৃঙ্খলা প্রতিরোধ করা। সব রাজনৈতিক দল, প্রার্থী বা সমর্থকের প্রতি সমতা বা নিরপেক্ষতা রেখে আইনগত সহায়তা প্রদান করা।

ভোটকেন্দ্র, ব্যালট বাক্সসহ অন্যান্য সরঞ্জাম, প্রিজাইডিং অফিসারসহ নির্বাচন অফিসার ও ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

টয়লেট/ওয়াশ রুম ব্যবহারের সময় সঙ্গীয় বর্ডিওর্ন ক্যামেরাসহ অস্ত্রগোলাবারুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

শুধুমাত্র অফিসিয়াল দরকারে ফোন ব্যবহার করা। সব ধরনের কথাবার্তায় সংযমী ও দায়িত্ববান হওয়া। উদ্দেশ্যপূর্ণভাবে আপনার মতামত ব্যবহার করার স্বার্থে কেউ উসকাানি/উত্তেজনাপূর্ণ কথা বলে কথা রেকর্ড করতে পারে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে স্বার্থ হাসিল করতে পারে। ফলে কথাবার্তা ও মোবাইল ফোন ব্যবহারে সতর্ক থাকা।

ভোটকেন্দ্রের ভিতরে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ে প্রিজাইডিং অফিসারের নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া। জাল ভোট, ভয়ভীতি, সহিংসতা বা আচরণবিধি লঙ্ঘননের অপচেষ্টা হলে আইন অনুযায়ী তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেয়া।

নারী প্রতিবন্ধী, বয়স্ক ও সংখ্যালঘু ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ ও ভোট প্রদানে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। নির্বাচনী দায়িত্ব পালন কালে প্রিজাইডিং ও পোলিং অফিসারদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেয়া। কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে তাৎক্ষণিক ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও নির্বাচন অফিসারকে অবহিত করা।

বর্জনীয়: রাজনৈতিক মতাদর্শ বা ব্যক্তিগত পছন্দ প্রকাশ অথবা কোনো বক্তব্য দেয়া যাবে না। কোনো রাজনৈতিক দল বা প্রার্থীর মিছিলে অংশগ্রহণ বা কার্যালয়ে উপস্থিত থাকা যাবে না।

কোনো রাজনৈতিক দল, প্রার্থী বা সমর্থকের প্রতি পক্ষপাতমূলক (যেমন: পছন্দনীয় দলের প্রার্থীর আচরণবিধি লঙ্ঘন উপেক্ষা করা, অন্যান্য প্রার্থীর ন্যায়সঙ্গত দাবিতে সাড়া না দেয়া ইত্যাদি) আচরণ করা যাবে না।

পুলিশ সদস্য ও কর্মকর্তারা গালিগালাজ, হুমকি বা অবমাননাকর কোনো আচরণ প্রদর্শন করা যাবে না। নির্বাচনী আইন ও বিধিমালার পরিপন্থী কোনো নির্দেশ পালন করা যাবে না।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কোনো রাজনৈতিক পোস্ট বা শেয়ার বা কমেন্ট প্রদান করা যাবে না। প্রচারণায় অযাচিত হস্তক্ষেপ বা একপক্ষীয় সহায়তা প্রদান করা যাবে না।

দায়িত্বকালীন সময়ে অপ্রয়োজনে ফোন ব্যবহার বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সক্রিয় থাকা যাবে না। এছাড়াও ভোটগ্রহণের দিন ব্যক্তিগত আলাপচারিতায় মোবাইল ফোন ব্যবহার একদমই নিষিদ্ধ।

নির্বাচনী দায়িত্ব পালনকালে অনৈতিক আচরণ কিংবা অসাদাচরণ করা যাবে না। নির্বাচনসংক্রান্ত সংবেদনশীল কোনো তথ্য প্রকাশ করা যাবে না। ভোটের ফলাফল/সম্ভাব্য বিজয়ী প্রার্থী সম্পর্কে পূর্বানুমান কথোপকথন করা যাবে না। অফিসিয়াল রিকোয়েস্ট ছাড়া কোনো অবস্থাতেই কোনো স্পর্শকাতর ঘটনার ছবি/ভিডিও কারও কাছে পাঠানো যাবে না। কোনো ধরনের ব্যক্তিগত আলাপ-মশগুল করা যাবে না। একত্রে জড়ো হয়ে উদ্দেশ্যহীন ঘোরাঘুরি করা যাবে না।

বাদাম/ভাপা পিঠা/চানাচুর, জিলাপি, বিস্কুট, কলা ইত্যাদি মুখরোচক খাবার খাওয়া, অশোভন পোশাক পরিধান ও অপেশাদার কাজ থেকে বিরত থাকাসহ বিভিন্ন বর্জনীয় নির্দেশ পুলিশকে পালন করতে হবে। বিশেষ করে, পুলিশ সদস্য থেকে ইন্সপেক্টর পর্যন্ত এ নির্দেশ কঠোরভাবে পালন করতে হবে।

পুলিশের আচরণবিধি:

দেয়ালে লিখে বা অঙ্কন করে কোনো প্রকার নির্বাচনী প্রচারণা চালানো যাবে না। সড়ক কিংবা জনগণের চলাচল বা সাধারণ ব্যবহারের জন্য নির্ধারিত স্থানে নির্বাচনী ক্যাম্প স্থাপন করা যাবে না। নির্বাচনী প্রচারণা এবং ভোটগ্রহণের সময় কোনো প্রকার ড্রোন কোয়াডকপ্টার বা এরূপ যন্ত্র ব্যবহার করা যাবে না।

ধর্মীয় উপসনালয়/ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এবং কোনো সরকারি অফিস বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্বাচনী প্রচারণা চালানো যাবে না। নির্বাচনী এলাকায় একক কোনো জনসভায় প্রয়োজনীয়সংখ্যক মাইক্রোফোন বা লাউড স্পিকার ব্যবহার করতে পারবেন।

নির্বাচনী এলাকায় মাইক বা শব্দের মাত্রা বর্ধনকারী যন্ত্রের ব্যবহার দুপুর ২টা থেকে রাত ৮টার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে হবে।

প্রার্থী কিংবা তাদের পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি নির্বাচনী ক্যাম্পে ভোটারদের কোনোরূপ কোমল পানীয় বা খাদ্য পরিবেশক বা কোনোরূপ উপঢৌকন প্রদান করতে পারবেন না।

কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বা তার পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি, সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান বা ভোটারের নাম, ভোটার নম্বর ও ভোটকেন্দ্রের নাম উল্লেখপূর্বক ভোটার স্লিপ প্রদান করতে পারবেন। ভোট কেন্দ্রের ৪শ’ গজের মধ্যে উক্ত ভোটার স্লিপ বিরতণ করতে পারবে না।

অফিসার ও ফোর্সদের সতর্কতা: ভোটকেন্দ্রের ভৌগলিক অবস্থান সম্পর্কে বিস্তারিত জানা, যাতায়াত পথ/রাস্তা/প্রতিবন্ধকতা সম্পর্কে অবহিত হওয়া। ভোটকেন্দ্রে স্থাপিত সিসি ক্যামেরার অবস্থান এবং কার্যকারিতা সম্পর্কে অবহিত হওয়া। ভোটকেন্দ্রের দায়িত্বে নিয়োজিত পুলিশ ও আনসার সদস্যদের এমনভাবে মোতায়েন করতে হবে যাতে ভোট কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়। আর বাহির থেকে কেউ কোনো ধরনের নাশকতামূলক কর্মকা- করতে না পারে।

যাদের ভোট দেয়া সম্পন্ন হবে, তাদের ভোট কেন্দ্রের বেষ্টিত এলাকা (৪শ’ গজ ব্যাসার্ধ) ত্যাগ করতে অনুরোধপূর্বক বেষ্টনীর ভিতর থেকে বের করে দিতে হবে।

ভোটকেন্দ্রের বেষ্টিত এলাকায় (৪শ’ গজ ব্যাসার্ধ) আইনশৃঙ্খলা ও নিয়মকানুন কঠোরভাবে পালন নিশ্চিত করতে হবে।

ভোটকেন্দ্রের নির্ধারিত চৌহাদ্দির (৪শ’ গজ ব্যাসার্ধ) মধ্যে কমিশন কর্তৃক অনুমোদিত কোনো ব্যক্তি বা ব্যক্তিদের ব্যতীত অন্য কেউ কোনো ধরনের অস্ত্র বা বিস্ফোরক দ্রব্য লাঠি বা দেশীয় কোনো ধারালো বা ভোঁতা অস্ত্র বহন করতে পারবেন না।

ভোটারদের সঙ্গে সর্বদা বিনয়ী আচরণ করতে হবে। দায়িত্বে নিয়োজিত পুলিশ, আনসার, দফাদার ও চৌকিদাররা যেন কোনোভাবেই উত্তেজনার আচরণ না করেন এ বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।

অস্ত্র-গোলাবারুদের হেফাজতে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। পুলিশ, আনসার, দফাদার ও চৌকিদার সদস্যদের তাদের খাবার ও আবাসনের জন্য কোনো অবস্থাতেই কোনো প্রার্থী বা তার এজন্টের ওপর নির্ভরশীল হবেন না।

সাংবাদিক: ভোটকক্ষের ভিতর থেকে সরাসরি সম্প্রচার, দুইয়ের অধিক সাংবাদিক একইসঙ্গে একই ভোটকক্ষে প্রবেশ করতে পারবেন না। কোনো সাংবাদিক ১০ মিনিটের বেশি ভোটকক্ষে অবস্থান করতে পারবে না। ভোট দেয়ার গোপন কক্ষে কোনো ছবি তোলা /ভিডিও করা যাবে না। ভোটকেন্দ্রে নিয়োজিত অফিসার ও নিরাপত্তা সদস্যদের সঙ্গে পরিচিত থাকা এবং পারস্পারিক সহযোগিতা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে হবে।

স্ট্রাকিং টিমের দায়িত্ব: স্ট্রাইকিং টিম হলো নির্বাচনকালীন কুইক রেসপন্সের জন্য গঠিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী দল, যারা গুরুতর ও আকষ্মিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য রিজার্ভ অবস্থান সর্বদা প্রস্তুত থাকা। তাদের দায়িত্ব হবে, সহিংসতা, সংঘর্ষ, কেন্দ্র দখলের চেষ্টা বা গুরুতর বিশৃঙ্খলার খবর পেলে সুনির্দিষ্টভাবে করণীয় সম্পর্কে জেনে দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হওয়া।

নির্বাচনকালীন কোনো সহিংসতা, মারামারি বা সংঘর্ষের পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে আইনানুগ ও পরিমিত বলপ্রয়োগের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা।

প্রিজাইডিং অফিসার থেকে সাধারণ ভোটারদের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

মোবাইল টিম, জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বা স্থানীয় পুলিশের অনুরোধে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা।

আটক: ভোটসংক্রান্ত সহিংসতা, কেন্দ্র দখল বা গুরুতর আইন লঙ্ঘনে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আটক করা এবং আইনানুগ প্রক্রিয়া গ্রহণ করা।

ভোগগ্রহণ শেষে ব্যালট বাক্সসহ অন্যান্য সরঞ্জাম পরিবহন, ভোটাররা, কেন্দ্রের নিরাপত্তা ও ফলাফল ঘোষণাকালীন আইনশৃঙ্খলা রক্ষা। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত ও নিয়মিত প্রতিবেদন জানানো।

মনিটরিং ও জবাবদিহিতা: কোনো অপরাধ সংঘটিত হলে তাৎক্ষণিকভাবে অপরাধী চিহ্নিতকরণ, ঘটনাস্থল সংরক্ষণ, সিসিটিভি ও বর্ডিওর্ন ক্যামেরাসহ অন্যান্য মাধ্যমে সাক্ষ্য সংরক্ষণের উদ্যোগ গ্রহণ করা।

সিসিটিভি, মিডিয়া ফুটেজ, ভ্রাম্যমাণ আদালত ও ইসির মনিটরিং টিমের নজরদারিতায় দোষী প্রমাণিত হলে তাৎক্ষণিক প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ, দরকার হলে নির্বাচনী অপরাধে মামলা করা।

নির্বাচন কর্মকর্তা (বিশেষ বিধান) আইন ১৯৯১-এর সর্বশেষ ২০২৫ সালের সংশোধনী অনুযায়ী নির্বচনী কাজে নিয়োজিত সব আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যকে ‘নির্বাচন কর্মকর্তা’ কর্তৃক নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে অবহেলা/অনীহা প্রকাশের মতো কোনো অপরাধ করলে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের বিধান রাখা হয়েছে।

এদিকে বুধবার, (০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬) পুলিশ সদর দপ্তর থেকে জানিয়েছে, পুলিশ সদর দপ্তরের এই গাইডলাইন মাঠপর্যায়ে নির্বাচনী দায়িত্ব পালনকারী পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্যদের কাছে পাঠানো হয়েছে। তারা এ নির্দেশ মতো দায়িত্ব পালন করবেন। এরআগে নির্বাচনে দায়িত্ব পালনের জন্য এইবারই প্রথম দেড় লাখ পুলিশকে প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। এবার থাকবে পুলিশ জনপদে, ভোট দিবেন নিরাপদে।

‘জাতীয়’ : আরও খবর

সম্প্রতি