বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান ও ডেইলি স্টারের সম্পাদক মাহফুজ আনামের একটা ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়েছে।যেখানে আমিরের সঙ্গে কানে কানে কথা বলছেন মাহফুজ আনাম। ছবিটা জামায়াতের উদ্যোগে গত ২০ জানুয়ারি রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের বলরুমে আয়োজিত ‘পলিসি সামিট-২০২৬’ অনুষ্ঠানের। তবে ঘটনার পনের দিন পর সামাজিক মাধ্যম ছবিটা সামনে এনেছে।
জামায়াতের পলিসি সামিটে শুধু ডেইলি স্টার সম্পাদকই নন, উপস্থিত ছিলেন দেশের অন্যসব সংবাদমাধ্যমের সম্পাদকেরাও। তাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন প্রবীণ সম্পাদক আবুল আসাদ, দৈনিক প্রথম আলোর নির্বাহী সম্পাদক সাজ্জাদ শরিফ, বাসসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক মাহবুব মোর্শেদ, দৈনিক নয়া দিগন্তের সম্পাদক সালাউদ্দিন বাবর, দ্য নিউ নেশন সম্পাদক মোকাররম হোসেন, দৈনিক মানবকণ্ঠের সম্পাদক মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম প্রমুখ।
শুধু তাই নয়, আমেরিকা, যুক্তরাজ্য, চীন, ভারত, পাকিস্তান, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, জাতিসংঘ, ইউএনডিপিসহ বিভিন্ন দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থার রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার ও কূটনীতিকরাও অংশ নেন। উপস্থিত ছিলেন সিপিডির ডিস্টিংগুইসড ফেলো ও প্রথম নির্বাহী পরিচালক ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য, সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী শাহদীন মালিক, সাবেক সংসদ সদস্য মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান, ইবনে সিনা ট্রাস্টের সদস্য প্রশাসন অধ্যাপক ড. এ কে এম সাদরুল ইসলাম প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের এক ফাঁকে জামায়াতের আমিরের সঙ্গে কানে কানে কথা বলেন ডেইলি স্টার সম্পাদক। সেই মুহূর্তের ছবি ধারন করা হয়েছিল। তবে এতদিন তা প্রকাশ করা হয়নি। দুদিন আগে শেয়ার করা ছবিতে নানা ধরনের মন্তব্য আসছে। তাদের মধ্যে কী কথা হয়েছে তা জানার সুযোগ না থাকলেও অনেকেই সমালোচনা করছেন। অনেকে আবার ডেইলি স্টারের হামলা ও অগ্নিসংযোগের বিষয়টা টেনে আনছেন। কেউ আবার রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সম্পাদকদের বেশি ঘনিষ্টতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন।
প্রসঙ্গত, গেল বছরের ১৮ ডিসেম্বর গভীর রাতে ঢাকার কারওয়ার বাজারে ডেইলি স্টার ও প্রথম আলো কার্যালয়ে একদল উগ্র জনতা হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করে। এই ঘটনায় সাংবাদিকরা কয়েক ঘণ্টা অবরুদ্ধ ছিলেন। ঘটনার সময় ইংরেজি দৈনিক নিউজ এজ সম্পাদক নুরুল কবিরকে লাঞ্ছিত করা হয়।পরদিন দ্য ডেইলি স্টার ও প্রথম আলো কার্যালয়ে হামলার নিন্দা জানান জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি নিউজ এজ সম্পাদকের ওপর হামলা ও অপপ্রচারেরও প্রতিবাদ জানান।
নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে নিন্দা জানিয়ে জামায়াত আমির লেখেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সুরক্ষা আমাদের সবাই মিলেই নিশ্চিত করতে হবে। ফ্যাসিবাদের আমলে যেভাবে গণমাধ্যমের ওপর নগ্ন হামলা করা হতো সেই সংস্কৃতিতে ফিরতে চাই না।
আন্তর্জাতিক: ভেনেজুয়েলায় মাদুরোর ঘনিষ্ঠ সহযোগী গ্রেপ্তার
আন্তর্জাতিক: এরদোয়ান-সিসি বৈঠক: অংশীদারত্ব চুক্তিতে স্বাক্ষর