গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানে নিরাপত্তা বাহিনীর অনাকাঙ্ক্ষিত অনুপ্রবেশ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছে সম্পাদক পরিষদ। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) পরিষদের সভাপতি নুরুল কবির ও সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান হানিফ মাহমুদের সই করা বিবৃতিটি গণমাধ্যমে পাঠানো হয়। বিবৃতিটি হুবহু উল্লেখ করা হলো।
“আমরা লক্ষ্য করছি যে, অন্তর্বর্তিকালীন সরকারের আমলেও গণমাধ্যমকর্মী ও প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা প্রদানের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয় বাহিনী এবং সরকারের এক ধরনের শৈথিল্য দৃশ্যমান। আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের এই আচরণ আরও স্পষ্ট হচ্ছে। গত ৭ ফেব্রুয়ারি একটি নিবন্ধিত ডিজিটাল গণমাধ্যমের কার্যালয়ে সেনাসদস্যদের অনুপ্রবেশের মতো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এর একটি উদ্বেগজনক উদাহরণ। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম ও সংবাদ পরিবেশনে কোনো ব্যত্যয় ঘটে থাকলে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করাই ছিল প্রত্যাশিত।
বিগত শাসনামলে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর ভাবমূর্তি যেভাবে বিনষ্ট হয়েছে, তা কাটিয়ে ওঠার প্রচেষ্টার কথা আমরা সরকার, সেনাপ্রধান এবং রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন সংস্থার প্রধানদের কাছে গত ১৮ মাস ধরে শুনে আসছি। তবে গণমাধ্যমে এ ধরনের ঘটনা নির্বাচনের আগে সাধারণ ভোটার ও গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে একটি নেতিবাচক বার্তা দিয়েছে।
একই সঙ্গে সম্পাদক পরিষদ মনে করে, ডিজিটাল ও মাল্টিমিডিয়া সাংবাদিকতায় ক্ষেত্রবিশেষে জবাবদিহিহীন পরিবেশ তৈরি হয়েছে। সেই সুযোগে কিছু কিছু অস্বীকৃত প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে যেভাবে অপতথ্য ছড়ানো হচ্ছে, তা সামগ্রিকভাবে নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।
এই প্রেক্ষাপটে, সম্পাদক পরিষদ একটি গণতান্ত্রিক উত্তরণের লক্ষ্যে সরকার, নিরাপত্তা বাহিনী এবং সকল গণমাধ্যমকর্মীদের যার যার অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহবান জানাচ্ছে।”
অর্থ-বাণিজ্য: ইন্টারনেট ব্যাংকিং ৪ দিন বন্ধ থাকবে
অর্থ-বাণিজ্য: উত্তরা ব্যাংকের নতুন উপব্যবস্থাপনা পরিচালক
অর্থ-বাণিজ্য: সুদহার অপরিবর্তিত রেখে নতুন মুদ্রানীতি