বিবরণী প্রকাশ

ইউনূসের সম্পদ বেড়েছে ১.৬১ কোটি, রিজওয়ানার কমেছে ১.১২

সংবাদ অনলাইন রিপোর্ট

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টাসহ সব উপদেষ্টার আয় ও সম্পদের বিবরণী প্রকাশ করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) জারি করা প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের মোট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৫ কোটি ৬২ লাখ ৪৪ হাজার টাকা। যা এক বছর আগে ছিল ১৪ কোটি ১ লাখ ৩৯ হাজার টাকা। ফলে এক বছরে তার সম্পদ বেড়েছে ১ কোটি ৬১ লাখ টাকা।

প্রধান উপদেষ্টার দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে বলা হয়েছে, সঞ্চয়পত্র নগদায়ন, ব্যাংক আমানত বৃদ্ধি ও উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া শেয়ারের কারণে তাঁর মোট সম্পদের পরিমাণ বেড়েছে। তাঁর আর্থিক সম্পদের পরিমাণ এখন ১৪ কোটি ৭৬ লাখ টাকা, নন–ফাইন্যান্সিয়াল সম্পদ রয়েছে ২১ লাখ টাকার বেশি এবং দেশের বাইরে সম্পদের পরিমাণ ৬৪ লাখ টাকার বেশি।

অন্যদিকে, প্রধান উপদেষ্টার স্ত্রী আফরোজী ইউনূসের মোট সম্পদ এক বছরে উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। ২০২৪ অর্থবছরে তাঁর মোট সম্পদ ছিল ২ কোটি ১১ লাখ টাকা, যা ২০২৫ সালে কমে দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ২৭ লাখ টাকা। অর্থাৎ এক বছরে তাঁর সম্পদ কমেছে ৮৪ লাখ টাকার বেশি। তাঁর নামে বর্তমানে ১৬ লাখ ৯৬ হাজার টাকার দায় রয়েছে।

প্রকাশিত তথ্যে আরও দেখা গেছে, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের সম্পদ এক বছরে কমেছে সবচেয়ে বেশি। ২০২৪ সালের ৩০ জুনে তাঁর মোট সম্পদ ছিল ২ কোটি ২৫ লাখ টাকা, যা ২০২৫ সালের ৩০ জুনে কমে দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ১২ লাখ টাকায়। ফলে এক বছরে তাঁর সম্পদ কমেছে প্রায় ১ কোটি ১২ লাখ টাকা। একই সময়ে তাঁর ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক দায়ও কিছুটা কমেছে।

জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমানের ক্ষেত্রে দেখা গেছে, তাঁর দেশে থাকা আর্থিক সম্পদ এক বছরে ২০ লাখ টাকা থেকে বেড়ে ২২ লাখ টাকা হয়েছে। তবে তাঁর নামে বিদেশে ১২ লাখ মার্কিন ডলারের দায় রয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় সামান্য কমেছে।

এ ছাড়া মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের তথ্যে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী সরকারের কাছ থেকে কোনো আর্থিক সুবিধা গ্রহণ করেননি।

প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের আগস্টে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে দুর্নীতির বিরুদ্ধে অবস্থানের কথা জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস উপদেষ্টাদের সম্পদের বিবরণী প্রকাশের ঘোষণা দেন। এর পর ২০২৪ সালের অক্টোবরে এ বিষয়ে নীতিমালা জারি করা হলেও এতদিন তা প্রকাশ না হওয়ায় সমালোচনা চলছিল। মঙ্গলবার প্রকাশিত এই সম্পদ বিবরণীকে অন্তর্বর্তী সরকারের স্বচ্ছতা নিশ্চিতের প্রথম বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। প্রধান উপদেষ্টার ফেসবুক পেইজে দেওয়া বিবরণী নিচে দেওয়া হলো-

সম্পদ বিবরণীর বিস্তারিত

https://sangbad.net.bd/images/2026/February/10Feb26/news/1.jpg

https://sangbad.net.bd/images/2026/February/10Feb26/news/2.jpg

https://sangbad.net.bd/images/2026/February/10Feb26/news/3.jpg

https://sangbad.net.bd/images/2026/February/10Feb26/news/4.jpg

https://sangbad.net.bd/images/2026/February/10Feb26/news/5.jpg

https://sangbad.net.bd/images/2026/February/10Feb26/news/6.jpg

https://sangbad.net.bd/images/2026/February/10Feb26/news/7.jpg

‘জাতীয়’ : আরও খবর

সম্প্রতি