আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোট। ইতোমধ্যে দিনটিকে কেন্দ্র করে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন। দেশজুড়ে জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
এ বিষয়ে নির্বাচন বিশ্লেষকেরা বলছেন, সামনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির যেন কোনো অবনতি না হয়, সে বিষয়ে ইসিকে কঠোর নজরদারি রাখতে হবে।
যদিও এর মধ্যে সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন কমিশন বারবার জানিয়েছে, “অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় এবার বেশি সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে একটি শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করা হবে।”
তিন স্তর বিশিষ্ট নিরাপত্তা ব্যবস্থা
সম্প্রতি পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম জানিয়েছিলেন নির্বাচনে ৮ হাজার ৭৭০টি ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র রয়েছে। কোনো অনাকাঙ্খিত ঘটনা না ঘটার প্রস্তুতি হিসেবে এসব কেন্দ্রে তিন স্তরের কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে।
আইনশৃঙ্খলা
নির্বাচনী নিরাপত্তায় সারাদেশে প্রায় ৯ লাখ ৫৮ হাজার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি দায়িত্ব পালন করছেন প্রায় ২ হাজার ১০০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ৬৫৭ জন বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট।
নিরাপত্তায় প্রযুক্তি
এবার প্রথমবারের মতো নির্বাচনে ড্রোন (ইউএভি), বডি-ওয়ার্ন ক্যামেরা এবং ব্যাপকভাবে সিসিটিভি ক্যামেরা ব্যবহার করা হচ্ছে।
ইসির তথ্য মতে জানিয়েছে, ৯০ শতাংশের বেশি কেন্দ্রে সিসিটিভি নজরদারি নিশ্চিত করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, এবারের নির্বাচনে ২৯৯টি আসনে অংশ নিচ্ছে ৫১টি রাজনৈতিক দল এবং ২৭৪ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী।
মাসিয়াত/সংবাদ