image

সকাল সাড় সাতটা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত চলবে ভোট

সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি সিইসির

সংবাদ অনলাইন রিপোর্ট

আসন্ন নির্বাচনকে সুষ্ঠু, বিশ্বাসযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক করতে নির্বাচন কমিশন তাদের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।

বুধবার রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে এক ব্রিফিংয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিকদের সামনে কমিশনের এই অবস্থানের কথা তুলে ধরেন।

তিনি স্পষ্ট করে বলেন, একটি স্বচ্ছ নির্বাচন উপহার দিতে তারা বদ্ধপরিকর এবং ভোটগ্রহণ থেকে শুরু করে গণনা পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে স্বচ্ছতা বজায় রাখা হবে। ভোটাররা যাতে কোনো ভয়ভীতি ছাড়া নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সেজন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে লিঙ্গ ও বয়স নির্বিশেষে সব নাগরিকের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে কমিশন কাজ করে যাচ্ছে।

সিইসি তার বক্তব্যে জানান, নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে এবার প্রায় ৩৩০ জন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক এবং ১৬০ জনের বেশি বিদেশি সাংবাদিক পুরো প্রক্রিয়া সরাসরি পর্যবেক্ষণ করবেন। তিনি একে স্বচ্ছতার অন্যতম ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করেন।

কমিশন শুরু থেকেই স্বচ্ছতাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, ভোটারদের সঠিক পরিচয় নিশ্চিত করেই ব্যালট পেপার দেওয়া হবে এবং আইনি কাঠামো অনুযায়ী কঠোর গোপনীয়তার মাধ্যমে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হবে। যদি কোনো নির্বাচন সংক্রান্ত বিরোধ দেখা দেয়, তবে তা প্রচলিত আইন ও সংবিধানের আলোকে দ্রুত এবং কঠোরভাবে নিষ্পত্তি করা হবে বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দেন।

প্রস্তুতির বিষয়ে আলোকপাত করে সিইসি জানান, এবার ভোটার তালিকায় প্রায় ৪৫ লাখ নতুন ভোটার যুক্ত হয়েছে, যার বড় একটি অংশ নারী। এছাড়া প্রবাসীদের জন্য এবারই প্রথম আইটি সমর্থিত পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে, যা সীমিত সময়েও ভালো সাড়া ফেলেছে। নির্বাচনের সামগ্রী এরই মধ্যে মাঠ পর্যায়ে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে এবং ভোটকেন্দ্রগুলোতে বিতরণের কাজ চলছে। নির্ধারিত দিনে সকাল সাড় সাতটা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলবে। ভোট গণনা শেষে ফলাফল সরাসরি কেন্দ্রেই ঘোষণা করা হবে এবং পরে রিটার্নিং কর্মকর্তারা তা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করবেন বলে সিইসি আশ্বস্ত করেন।

এ সময় অন্য নির্বাচন কমিশনারদের মধ্যে আব্দুর রহমানেল মাছউদ, তাহমিদা আহমদ, মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ এবং ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ উপস্থিত ছিলেন। কমিশন আশা করছে, সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি জনআস্থাসম্পন্ন ও সুন্দর নির্বাচন উপহার দেওয়া সম্ভব হবে।

‘জাতীয়’ : আরও খবর

সম্প্রতি