image

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন তারেক রহমান

সংবাদ অনলাইন রিপোর্ট

দেড় দশকের রাজনৈতিক নির্বাসন আর দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে বাংলাদেশের ইতিহাসের এক নতুন অধ্যায় সূচিত হলো।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর মঙ্গলবার বিকেলে এক জমকালো অনুষ্ঠানে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাঁকে গোপনীয়তা ও পদের শপথ পাঠ করান।

​আজকের দিনটি ছিল অত্যন্ত ব্যস্ত ও নাটকীয়তায় ঠাসা। সকাল পৌনে ১১টায় জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথ কক্ষে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন প্রথমে বিএনপি এবং পরে জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় ঐক্যজোটের বিজয়ীদের শপথ পাঠ করান।

এরপরই সংসদীয় দলের সভায় সর্বসম্মতিক্রমে তারেক রহমানকে সংসদীয় নেতা নির্বাচিত করা হয়।

দুপুরের পর থেকেই সচিবালয় থেকে ৪৯টি চকচকে গাড়ি সংসদের উদ্দেশে রওনা হয়, যা ছিল নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ নিতে যাওয়ার এক দৃশ্যমান প্রস্তুতি। তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত এই নতুন মন্ত্রিসভায় অভিজ্ঞ রাজনীতিকদের পাশাপাশি দেখা গেছে নুরুল হক নূর, জোনায়েদ সাকি এবং ববি হাজ্জাজের মতো তরুণ ও নতুন প্রজন্মের মুখগুলোকে। বিশেষ করে টেকনোক্র্যাট কোটায় খলিলুর রহমান ও আমিনুর রশীদের অন্তর্ভুক্তি সরকারের প্রশাসনিক দক্ষতাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

​ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা এবং পররাষ্ট্রসচিব বিক্রম মিশ্রির উপস্থিতি এই শপথ অনুষ্ঠানে আন্তর্জাতিক মর্যাদার এক ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে। তবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল "জুলাই সনদ" বাস্তবায়ন।

যদিও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানে অংশ নেয়নি, তবে তাদের নির্বাচিত সদস্যরা সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছেন। বিকেলের এই শপথ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের পর আজ রাত থেকেই দেশ এক নতুন রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে পথচলা শুরু করতে যাচ্ছে।

‘জাতীয়’ : আরও খবর

সম্প্রতি