image
প্রতীকী ছবি

ফ্যামিলি কার্ড পেতে যা জানা জরুরি

সংবাদ অনলাইন রিপোর্ট

প্রান্তিক ও নিম্নআয়ের পরিবারগুলোকে সরাসরি সহায়তার আওতায় আনতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। জাতীয় পরিচয়পত্রভিত্তিক কেন্দ্রীয় ডেটাবেসের মাধ্যমে উপকারভোগীদের তালিকা তৈরি করে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় পাইলট প্রকল্প হিসেবে কার্যক্রম শুরু হবে। পরে তা পর্যায়ক্রমে সারা দেশে সম্প্রসারণ করা হবে।

কীভাবে হবে তথ্য সংরক্ষণ?

ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় প্রতিটি পরিবারের তথ্য জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) অনুযায়ী একটি কেন্দ্রীয় ডেটাবেসে সংরক্ষণ করা হবে। এতে একই ব্যক্তি একাধিকবার সুবিধা নেওয়া, ভুয়া তালিকা তৈরি বা মধ্যস্বত্বভোগীর দৌরাত্ম্য কমবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন। স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের সহায়তায় উপকারভোগী পরিবার চিহ্নিত করা হবে। তালিকা যাচাই-বাছাই শেষে ধাপে ধাপে কর্মসূচি বিস্তৃত করা হবে।

আবেদন করতে যা লাগবে

পূর্ণাঙ্গ আবেদন কার্যক্রম এখনও শুরু না হলেও আগাম প্রস্তুতি হিসেবে সম্ভাব্য আবেদনকারীদের নিচের কাগজপত্র প্রস্তুত রাখতে বলা হয়েছে—

১. আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি)

২. পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি

৩. সচল মোবাইল নম্বর

কোথায় ও কীভাবে আবেদন?

পাইলট প্রকল্প শেষে ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা ওয়ার্ড কাউন্সিলরের কার্যালয় থেকে সরাসরি আবেদন ফর্ম সংগ্রহ করা যাবে। পাশাপাশি ঘরে বসে আবেদন করার সুবিধা দিতে একটি অনলাইন পোর্টাল চালুর প্রস্তুতিও চলছে। প্রতি পরিবারে একটি করে ফ্যামিলি কার্ড ইস্যু করা হবে। এই কার্ডের মাধ্যমে মাসিক নগদ সহায়তা অথবা নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ করা হতে পারে।

তদারকিতে মন্ত্রিসভা কমিটি

ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি বাস্তবায়নে ১৫ সদস্যের একটি মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করা হয়েছে। সম্প্রতি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। কমিটিতে অর্থমন্ত্রীকে সভাপতি করা হয়েছে। সদস্য হিসেবে রয়েছেন মহিলা ও শিশু এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী, উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন এবং উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ। এ ছাড়া মন্ত্রিপরিষদ সচিব, মহিলা ও শিশুবিষয়ক সচিব, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সচিব, অর্থ বিভাগের সচিব, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব এবং পরিকল্পনা ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব কমিটির সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত থাকবেন।

সরকারের প্রত্যাশা

সরকারের প্রত্যাশা, ফ্যামিলি কার্ড চালু হলে অর্থনৈতিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলো সরাসরি উপকৃত হবে এবং সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত হবে। একই সঙ্গে সহায়তা বণ্টনে ডিজিটাল ব্যবস্থাপনা নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।

‘জাতীয়’ : আরও খবর

সম্প্রতি