বিএনপি ৩৫ ও জামায়াত পাচ্ছে ১১টি
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর এবার সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
সোমবার সংসদ সচিবালয়ের পক্ষ থেকে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের নামের তালিকা অর্থাৎ নারী আসনের ভোটার তালিকা নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আনুষ্ঠানিকভাবে জমা দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের নির্বাচন ব্যবস্থাপনা শাখা এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
আইন অনুযায়ী, সাধারণ নির্বাচনের গেজেট প্রকাশের তিন কার্যদিবসের মধ্যে সংসদ সচিবালয়কে এই তালিকা ইসিতে পাঠাতে হয়। সচিবালয় থেকে ২৯৬ জন সংসদ সদস্যের একটি তালিকা কমিশনকে প্রদান করা হয়েছে। এখন এই তালিকার ওপর ভিত্তি করেই নারী আসনের নির্বাচনের পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করবে ইসি।
বিদ্যমান আইন ও সংসদীয় আসনের আনুপাতিক হার বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এবারে বিএনপি পাচ্ছে ৩৫টি সংরক্ষিত আসন। এ ছাড়া বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ১১টি আসন পেতে যাচ্ছে। স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জোটভুক্ত হলে একটি আসন পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এবং জাতীয় নাগরিক পার্টিও একটি আসন পেতে পারে। তবে ছোট দলগুলো যদি নিজেদের মধ্যে জোট গঠন না করে, তবে তারা কোনো আসন পাবে না। সেক্ষেত্রে সমীকরণ কিছুটা পরিবর্তন হতে পারে। রাজনৈতিক দলগুলো যদি বড় জোট গঠন করে নির্বাচনে অংশ নেয়, তবে বিএনপির আসন বেড়ে ৩৬টি হতে পারে অথবা জামায়াতের আসন সংখ্যা বেড়ে ১৩টিতে দাঁড়ানোর সুযোগ রয়েছে।
সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমান মাছউদ জানিয়েছেন, এই নির্বাচনের কার্যক্রম কার্যত শুরু হয়ে গেছে। যেহেতু এটি সংসদীয় প্রতিনিধিত্বকারী দলগুলোর মনোনীত প্রার্থীদের নির্বাচন, তাই দলগুলো ইতোমধ্যে তাদের প্রার্থী চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। আইনি বাধ্যবাধকতা অনুযায়ী সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণের ৯০ দিনের মধ্যে এই নির্বাচন সম্পন্ন করার প্রস্তুতি নিচ্ছে কমিশন।