image

৩ মার্চ থেকে শুরু ঈদের অ‌গ্রিম টিকিট যুদ্ধ

সংবাদ অনলাইন রিপোর্ট

দরজায় কড়া নাড়ছে পবিত্র ঈদুল ফিতর। পরিবারের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে শহরবাসীর নাড়ির টানে গ্রামে ফেরার সেই চিরচেনা আমেজ এবার একটু আগেই শুরু হতে যাচ্ছে।

সোমবার বাংলাদেশ রেলওয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে, আগামীকাল মঙ্গলবার, ৩ মার্চ থেকেই শুরু হচ্ছে আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে আন্তঃনগর ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রির মহাযজ্ঞ। আগামী ২১ মার্চ সম্ভাব্য ঈদের দিন ধরে এবার যাত্রীদের সুবিধার্থে এবং কালোবাজারি রোধে শতভাগ টিকিট অনলাইনে বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

রেল ভবনে অনুষ্ঠিত এক প্রস্তুতিমূলক সভায় নেওয়া এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এবারের ঈদযাত্রায় ট্রেনের টিকিটের জন্য আর স্টেশনের কাউন্টারে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে হবে না সাধারণ মানুষকে।

​টিকিট বিক্রির সময়সূচিতে এবার কিছুটা ভিন্নতা আনা হয়েছে। পশ্চিমাঞ্চলে চলাচলকারী ট্রেনের টিকিটগুলো প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে এবং পূর্বাঞ্চলের টিকিটগুলো দুপুর ২টা থেকে অনলাইনের মাধ্যমে সংগ্রহ করা যাবে।

আগামীকাল ৩ মার্চ থেকে শুরু হয়ে পর্যায়ক্রমে ৯ মার্চ পর্যন্ত চলবে এই অগ্রিম টিকিট সংগ্রহের কাজ। সূচি অনুযায়ী ৩ মার্চ পাওয়া যাবে ১৩ মার্চের টিকিট, আর একইভাবে শেষ দিন ৯ মার্চ মিলবে ১৯ মার্চের কাঙ্ক্ষিত টিকিট। চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করে ২০ থেকে ২২ মার্চের টিকিটের বিষয়ে পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

তবে রেলওয়ে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, একজন যাত্রী সর্বোচ্চ চারটি টিকিট কিনতে পারবেন এবং একবার কেনা টিকিট কোনোভাবেই ফেরত বা রিফান্ড করা হবে না।

​দীর্ঘ ভ্রমণের ক্ষেত্রে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের সুবিধার্থে নন-এসি কোচের মোট আসনের ২৫ শতাংশ টিকিট "দাঁড়িয়ে যাওয়ার" (Standing Ticket) জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে, যা কেবল যাত্রা শুরুর দিন প্রারম্ভিক স্টেশন থেকে সংগ্রহ করা যাবে।

ঈদযাত্রাকে নির্বিঘ্ন ও দালালমুক্ত করতে এবার গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি কারিগরি সক্ষমতাও বৃদ্ধি করেছে রেলওয়ে। নাড়ির টানে বাড়ি ফেরার এই ব্যাকুলতা যেন প্রতিটি মানুষের জন্য নিরাপদ ও আনন্দদায়ক হয়, সেই প্রত্যাশায় প্রস্তুত হচ্ছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।

‘জাতীয়’ : আরও খবর

» ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ: জ্বালানি তেল নিয়ে শঙ্কা, বিকল্প সন্ধানের তাগিদ

সম্প্রতি