image

ফেব্রুয়ারিতে ১৮৩ নারী সহিংসতার শিকার: মহিলা পরিষদ

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

ফেব্রুয়ারি মাসে ১৮৩ জন নারী ও কন্যা বিভিন্ন সহিংসতার শিকার হয়েছেন বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ। সোমবার (২ মার্চ) সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সমাবেশে এমন দাবি করেছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের নেতৃবৃন্দ।

দেশে ক্রমবর্ধমান নারী ও কন্যা ধর্ষণ, হত্যা ও সহিংসতার ঘটনায় প্রতিবাদে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেম, এবং বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক মালেকা বানু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সীমা মোসলেম ও অ্যাড. মাসুদা রেহানাসহ অন্যান্য কমিটির নেতৃবৃন্দ।

সভাপতির বক্তব্যে ডা. ফওজিয়া মোসলেম বলেন, “ফেব্রুয়ারি মাসে ১৮৩ জন নারী ও কন্যা বিভিন্ন সহিংসতার শিকার হয়েছেন। বিচারহীনতা সমাজকে বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। নরসিংদীতে কিশোরীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় সালিশের মাধ্যমে মীমাংসা হওয়া একটি গুরুতর সমস্যা। সরকারের ছয় মাসের পরিকল্পনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অধীনে টাস্কফোর্স গঠন করে নারী ও কন্যার প্রতি সহিংসতা বন্ধে শূন্য সহিষ্ণুতা নীতি গ্রহণ করতে হবে।”

সাধারণ সম্পাদক মালেকা বানু বলেন, “প্রতিদিনের খবরে নারী ও কন্যাদের প্রতি ক্রমবর্ধমান সহিংসতার খবর আমাদের ক্ষুব্ধ ও বেদনাহত করছে। সরকার পরিবর্তন হলেও নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে কার্যকর রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা এখনও গড়ে ওঠেনি। অপরাধীদের সুষ্ঠু বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। সমাজ ও পরিবারকে মানবিক মূল্যবোধে শিক্ষিত করে নারী ও কন্যার ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে।”

অন্যান্য বক্তারা আরও বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে ধর্ষণ ও দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হচ্ছে বিভিন্ন বয়স ও পেশার নারী। গণমাধ্যমে আসলেও অনেক ঘটনা অপ্রকাশিত থাকে। বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ এসব ঘটনায় সালিশ বা বিয়ে দিয়ে মীমাংসা বন্ধ করার তীব্র দাবি জানায়। বক্তারা বলেন, ধর্ষণের ঘটনায় অপরাধীদের গ্রেপ্তার ও উপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করতে আইনের পূর্ণ প্রয়োগ অপরিহার্য।

সমাবেশে কেন্দ্রীয় ও ঢাকা মহানগর কমিটির নেত্রীবৃন্দ, সম্পাদকমণ্ডলী, কর্মকর্তাগণ এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সঞ্চালনা করেন লিগ্যাল অ্যাডভোকেসি ও লবি পরিচালক অ্যাড. দীপ্তি শিকদার।

‘জাতীয়’ : আরও খবর

সম্প্রতি