দেশে জ্বালানি তেলের বর্তমান মজুত কত?

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতে বাংলাদেশ জ্বালানি সংকটে পড়বে কিনা, এ নিয়ে আলোচনার মধ্যে দেশের জ্বালানি মজুতের একটি পরিসংখ্যান দিয়েছে বিপিসি। দেশে বর্তমানে ১৪ দিনের ডিজেল মজুত আছে, যা সেন্তোষজনক মনে করছে রাষ্ট্রীয় এই সংস্থাটি। বিপিসি বলছে, অকেটেনেরও পর্যাপ্ত মজুত আছে। এছাড়া পেট্রোলের মজুতও স্থিতিশীল।

জ্বালানির নাম মজুতের পরিমাণ বিপিসির পর্যবেক্ষণ

ডিজেল ১৪ দিন সন্তোষজনক

অকটেন ২৮ দিন পর্যাপ্ত

পেট্রোল ১৫ দিন স্থিতিশীল

জেট ফুয়েল ৫৫ দিন দীর্ঘমেয়াদী

ফার্নেস অয়েল ৯৩ দিন সর্বোচ্চ মজুত

-সূত্র: বিপিসি

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান বলেছেন, দেশে জ্বালানি তেলের ‘পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে’। তিনি আরও বলেছেন, ‘বিশ্বজুড়ে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি মাথায় রেখে সরকার তেলের বিকল্প বাজার খোঁজার পরিকল্পনা করছে।’বর্তমান মজুত পরিস্থিতি ‘সন্তোষজনক হওয়ায়’ এখনই তেলের দাম বৃদ্ধির কোনো সম্ভাবনা নেই বলে আশ্বস্ত করেছেন বিপিসি চেয়ারম্যান।

রাজধানী কারওয়ান বাজারে বিপিসি কার্যালয়ে মঙ্গলবার, (০৩ মার্চ ২০২৬) দুপুরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, বর্তমানে দেশে মোট ১ লাখ ৩৬ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি তেলের মজুত রয়েছে। বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি তেল কতদিনের জন্য মজুত আছে, তার একটি পরিসংখ্যান তুলে ধরেন তিনি।

বিপিসি চেয়ারম্যানের দেয়া তথ্যানুযায়ী, দেশে ডিজেলের মজুত আছে ১৪ দিনের। অকটেনের মজুত আছে ২৮ দিনের, পেট্রোল ১৫ দিনের, ফার্নেস অয়েল ৯৩ দিনের এবং জেট ফুয়েল মজুত আছে ৫৫ দিনের।

বিপিসি চেয়ারম্যান রেজানুর রহমান জানান, নিয়মিত আমদানির মাধ্যমে এই মজুত প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখা হচ্ছে যাতে সাধারণ মানুষের কোনো ভোগান্তি না হয়।

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) তথ্যনুযায়ী, দেশে স্থাপিত বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর মোট সক্ষমতা ২৮ হাজার ৯১৯ মেগাওয়াট। এরমধ্যে তেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ২২ দশমিক ১৭ শতাংশ। মেগাওয়াটের হিসেবে বিপিডিবির যে পরিসংখ্যান তাতে দেখা যায়, তেলভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর উৎপাদন সক্ষমতা ৬ হাজার ৪০৯ মেগাওয়াট। এরমধ্যে ফার্নেস অয়েলভিত্তিক ৫ হাজার ৬৪১ মেগাওয়াট (১৯.৫১ শতাংশ) এবং ডিজেলভিত্তিক ৭৬৮ মেগাওয়াট (২.৬৬ শতাংশ)।

দেশের কৃষি ও পরিবহন খাতেও ডিজেলের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

‘জাতীয়’ : আরও খবর

সম্প্রতি