মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে দেশে জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সাশ্রয়ী হওয়ার কোনো বিকল্প নেই বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।
তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতিতে আমাদের হাতে যে পরিমাণ জ্বালানি মজুদ আছে, তা দিয়েই অত্যন্ত বিচক্ষণতার সঙ্গে পরিস্থিতি সামাল দিতে হবে। সরবরাহ ব্যবস্থা পুরোপুরি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এই কৃচ্ছ্রসাধন নীতি বজায় রাখতে হবে।
বুধবার দুপুরে সচিবালয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুরের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এ সব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।
বৈঠক পরবর্তী ব্রিফিংয়ে তিনি জানান, যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে জ্বালানি সংকটও দীর্ঘায়িত হতে পারে। তাই পরিস্থিতি বিবেচনায় মন্ত্রণালয় থেকে দ্রুতই একটি সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা বা প্রেস রিলিজ জারি করা হবে।
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী সাধারণ মানুষকে ব্যক্তিগত গাড়ির ব্যবহার সীমিত করা এবং অপ্রয়োজনীয় আলোকসজ্জা পরিহার করার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, আমরা বর্তমানে একটি বিশেষ “ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট” বা সংকটকালীন ব্যবস্থাপনা করছি। যতক্ষণ পর্যন্ত বৈশ্বিক সরবরাহ চেইন স্বাভাবিক হচ্ছে না, ততক্ষণ আমাদের নিজেদের সম্পদ দিয়েই সর্বোচ্চ সাশ্রয়ী উপায়ে চলতে হবে।
প্রতিমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির অস্থিরতা এবং যুদ্ধের প্রভাব সরাসরি দেশের ওপর পড়ছে। এই কঠিন সময়ে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাধারণ জনগণের সহযোগিতা একান্ত কাম্য। সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং যে কোনো উপায়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ সচল রাখার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।