দেশের স্বাস্থ্যখাতে আমূল পরিবর্তন ও জনসেবা নিশ্চিত করতে একগুচ্ছ নতুন নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় আধুনিক চিকিৎসা পৌঁছে দিতে “ই-হেলথ” কার্ড চালুর পাশাপাশি এক লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
বুধবার (৪ মার্চ) দুপুরে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী-উপদেষ্টা, স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে তিনি এ সব সিদ্ধান্ত দেন।
বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন সাংবাদিকদের জানান, জনগণের স্বাস্থ্যসেবা সহজতর করতে দ্রুততম সময়ের মধ্যে ই-হেলথ কার্ড চালুর প্রক্রিয়া শুরু করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সরকারের মূল লক্ষ্য হলো প্রতিটি নাগরিকের কাছে মানসম্মত চিকিৎসা পৌঁছে দেওয়া।
এ লক্ষ্যে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে আরও গতিশীল ও সক্রিয় হওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।
দেশের ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলায় বড় ধরনের নিয়োগ প্রক্রিয়ার বিষয়েও বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সারাদেশে এক লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে, যার মধ্যে ৮০ শতাংশই থাকবেন নারী কর্মী। এ ছাড়া স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন শূন্য পদে চিকিৎসক ও অন্যান্য জনবল দ্রুত নিয়োগের বিষয়েও দিকনির্দেশনা দিয়েছেন সরকার প্রধান।
স্বাস্থ্যসেবার পরিধি বাড়াতে সরকারি বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার অধীনে থাকা পরিত্যক্ত ভবনগুলোকে কাজে লাগানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে এলজিইডির ১৭০টিসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পরিত্যক্ত ভবনগুলো চিহ্নিত করে সেগুলোকে আধুনিক ক্লিনিক ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে রূপান্তরের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।
বৈঠকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিতসহ সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সারাদেশ: ১৩ বছরের রাহিম হত্যার রহস্য উন্মোচন