image
ছবিঃ সংগৃহীত

সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কামালের স্ত্রীর দুই সঞ্চয়ী হিসাব অবরুদ্ধ

সংবাদ অনলাইন রিপোর্ট

দুর্নীতির মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের স্ত্রী লুৎফুল তাহমিনা খানের নামে জনতা ব্যাংকে থাকা ২০ লাখ টাকার দুটি সঞ্চয়ী হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ দিয়েছে আদালত।

ভিশন-৭১ ডেভেলপমেন্টের আতিকুর দম্পতির বাড়ি, ফ্ল্যাট ও জমি জব্দের আদেশ

দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার, (০৫ মার্চ ২০২৬) এ আদেশ দেন ঢাকার মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ সাব্বির ফয়েজ। আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন জানান, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক মুহাম্মদ জয়নাল আবেদীন হিসাব দুটি অবরুদ্ধ চেয়ে আবেদন করেন।

আবেদনে বলা হয়, লুৎফুল তাহমিনার বিরুদ্ধে ১৫ কোটি ৪৬ লাখ ৯৪ হাজার ৫৯১ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে। তার নিজ নামে এবং তার আংশিক মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের নামে একাধিক ব্যাংক হিসাবে জ্ঞাত আয়ের উৎস বহির্ভূত ৪৩ কোটি ৭৭ লাখ ৭৪৫ টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য মিলেছে। এ ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার তদন্ত চলছে।

দুদক জেনেছে, তিনি এসব অর্থ হস্তান্তরের চেষ্টা করছেন, যা হলে মামলার মূল উদ্দেশ্যই ব্যর্থ হবে। সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায় বিচারের স্বার্থে তার দুই সঞ্চয়ী হিসাব অবরুদ্ধ করা দরকার। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট থেকে আসাদুজ্জামান খান কামালকে আর প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। তিনি বর্তমানে ভারতে অবস্থান করছে বলে খবর বেরিয়েছে। ওই বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর আসাদুজ্জামান খানের ছেলে সাফি মুদ্দাসির খান জ্যোতিকে ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

ভিশন-৭১ ডেভেলপমেন্টের আতিকুর দম্পতির বাড়ি, ফ্ল্যাট ও জমি জব্দের আদেশ

দুর্নীতির অভিযোগে তদন্তের মুখে থাকা ভিশন-৭১ ডেভেলপমেন্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আতিকুর রহমান খানের নামে বনশ্রী ও রামপুরাতে থাকা দুটি ফ্ল্যাট ও জমি এবং গাজীপুরের কালিগঞ্জে থাকা ৯৫২ শতাংশ জমি জব্দের আদেশ দিয়েছে আদালত। তার স্ত্রী, কোম্পানির পরিচালক নাহিদা ইসলাম নিপার নামে বাড্ডার ছয়তলা বাড়ি এবং সাড়ে তিন কাঠা জমি জব্দেরও আদেশ দেয়া হয়েছে। দুদকের পৃথক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার এ আদেশ দেন ঢাকার মহানগর বিশেষ জজ সাব্বির ফয়েজ। আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন জানান, দুদকের পক্ষে সংস্থার উপ-পরিচালক মানসী বিশ্বাস এসব সম্পত্তি জব্দ চেয়ে আবেদন করেন। আতিকুর রহমানের আবেদনে বলা হয়, মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আতিকুর তার সম্পদ বিবরণীতে ১ কোটি ৭৪ লাখ ৫৩ হাজার ৩৫ টাকা মূল্যের স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ অর্জনের তথ্য গোপন করেন।

ভিত্তিহীন ও মিথ্যা তথ্য দিয়ে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ ২ কোটি ৩৫ লাখ এক হাজার ১৩৫ টাকা মূল্যের স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ অবৈধভাবে অর্জন ও দখলে রেখে এবং ৪৭টি ব্যাংক হিসাবে ‘ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত’ ৭ কোটি ২৬ লাখ ৩৭ হাজার ৪৯ টাকার অবৈধ প্রকৃতি, উৎস ও অবস্থান গোপন করেন। ছদ্মবরণে মালিকানা নিয়ন্ত্রণ করার অভিযোগে দুদক করেছে, যা বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে। আতিকুর রহমান তার মালিকানাধীন ও স্বার্থ সংশ্লিষ্ট স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চেষ্টা করছেন। সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায় বিচারের জন্য তার স্থাবর এসব সম্পত্তি ক্রোক করা প্রয়োজন। নাহিদা ইসলামের আবেদনে বলা হয়, তদন্তের স্বার্থে তার নামে অর্জিত স্থাবর সম্পদ জব্দ করা প্রয়োজন।

‘জাতীয়’ : আরও খবর

সম্প্রতি