সরকারি নির্দেশনাকে বৃদ্ধাঙ্গলি, দিনেই শপিংমলে আলোকসজ্জা

ফয়েজ আহমেদ তুষার

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় দেশজুড়ে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের কঠোর নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। বিশেষ করে শপিংমল, বিপণিবিতান ও অন্যান্য বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে সব ধরনের আলোকসজ্জা পরিহার করার সুনির্দিষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে রাজধানীর অনেক জায়গাতেই এই নির্দেশনার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না।

রাজধানীর অনেক শপিংমল ও বড় বড় বিপণিবিতানে আগের মতোই ঝলমলে আলোকসজ্জা অব্যাহত রয়েছে। অবাক করার বিষয় হলো, রাতের বেলা তো বটেই, এমনকি দিনের আলোতেও অনেক মার্কেটে বাহারি বৈদ্যুতিক বাতি জ্বালিয়ে রাখতে দেখা যাচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, রাজধানীর মৌচাক মোড়ে ফরচুন শপিং মলে দিনের বেলায়ই অতিরিক্ত আলোকসজ্জা। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৫টার দিকে মার্কেটের ভবন জুড়ে ফুটে আছে ঝলমলে আলোকসজ্জা। একই অবস্থা শান্তিনগরের টুইন টাওয়ারস কনকর্ড শপিংমলেও। শান্তিনগরের ‘ইজি’ নামের একটি পোশাকের শোরুমের বাইরের দেয়াল জুড়েও দেখা গেছে ঝলমলে আলোকসজ্জা। কাকরাইলে কর্ণফুলী গার্ডেন সিটি কমপ্লেক্সেও জ্বলছে ঝলমলে আলো।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় বলছে, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ায় দেশে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ বজায় রাখতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার বিকল্প নেই। এ লক্ষ্যে গত ৪ মার্চ এক জরুরি সভায় আলোকসজ্জা বন্ধের পাশাপাশি ব্যক্তিগত যানবাহন কমিয়ে গণপরিবহন ব্যবহারেরও আহ্বান জানায় সরকার

https://sangbad.net.bd/images/2026/March/07Mar26/news/%E0%A6%9F%E0%A7%81%E0%A6%87%E0%A6%A8%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%93%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0.jfif

তবে ব্যবসায়ীদের কেউ কেউ দাবি করছেন উৎসবের (ঈদ) মৌসুমে ক্রেতা আকর্ষণের জন্য তারা এই আলোকসজ্জা করেন। তবে বর্তমান সংকটের গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে সরকারি আদেশ পালনে তাদের সদিচ্ছার অভাব স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনই কঠোর তদারকি ও প্রয়োজনে জরিমানা নিশ্চিত করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সচেতন নাগরিকরা।

‘জাতীয়’ : আরও খবর

সম্প্রতি