হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নবনির্মিত থার্ড টার্মিনাল আগামী ৬ থেকে ৯ মাসের মধ্যে পুরোপুরি চালু হতে পারে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।
বুধবার সচিবালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রথম বৈঠকেই থার্ড টার্মিনাল দ্রুত চালুর নির্দেশনা দিয়েছিলেন। তবে কারিগরি ও আনুষঙ্গিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে কমপক্ষে ৬ থেকে ৯ মাস সময় প্রয়োজন হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
থার্ড টার্মিনালের কার্যক্রম পরিচালনা প্রসঙ্গে জাইকার সঙ্গে আলোচনার কথা জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সংস্থাটির সঙ্গে পূর্বের চুক্তি রিভিউ করার প্রক্রিয়া চলছে। যদি জাইকার সঙ্গে সমঝোতা সফল হয় তবে তাদের মাধ্যমেই কাজ এগোবে, অন্যথায় উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে নতুন করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এই পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হতে ৯ মাসের মতো সময় লাগতে পারে বলে তিনি ধারণা দিচ্ছেন।
চীনের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে আলোচনার বিষয়ে এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত জানান, বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পে বিনিয়োগে বিশেষ আগ্রহ দেখিয়েছে চীন। বিশেষ করে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতকে আন্তর্জাতিক মানের করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে তারা বিনিয়োগ করতে চায়। এ বিষয়ে একটি সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের প্রস্তাব দেওয়ার জন্য তাদের বলা হয়েছে। চীনের বিনিয়োগকারীরা যদি লাভজনক ও কার্যকর কোনো প্রস্তাব দেয়, তবে সরকার তা গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করবে।
এ ছাড়া আকাশপথে যোগাযোগ বাড়াতে চীন বাংলাদেশ থেকে অতিরিক্ত তিনটি ফ্লাইটের ফ্রিকোয়েন্সি চেয়েছে। বর্তমানে সপ্তাহে ১২টি ফ্লাইট চলাচল করলেও তারা গুয়াংজু রুটে দুটি এবং বেইজিং রুটে একটি অতিরিক্ত ফ্লাইট পরিচালনার আবেদন করেছে।
প্রতিমন্ত্রী জানান, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক আবেদন এলে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় অনুমতি প্রদান করবে।
এর ফলে দুই দেশের পর্যটন ও ব্যবসা-বাণিজ্যে নতুন গতি আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
অর্থ-বাণিজ্য: পেট্রোল পাম্পে নিরাপত্তা চান মালিকরা, দিলেন হুঁশিয়ারি
অপরাধ ও দুর্নীতি: স্মার্ট ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাই যানজট নিরসনের চাবিকাঠি: আইজিপি