image

ঢাকার দুই সিটির ২৭ ওয়ার্ড ডেঙ্গু ঝুঁকিতে

সংবাদ অনলাইন রিপোর্ট

দেশে ক্রমশ বেড়েই চলছে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। এই সপ্তাহে ৪৩৮ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, যা দেশে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ ডেঙ্গু আক্রান্তের ঘটনা।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক জরিপে দেখা গেছে, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ১৩টি এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ১৪টি ওয়ার্ড ডেঙ্গুতে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ।

বুধবার সকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরে অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক ডা. নাজমুল ইসলাম জানান, ডিএনসিসি ৪০ ওয়ার্ডে ৪৮টি সাইট এবং ডিএসসিসির ৫৮টি ওয়ার্ডে ৬২টি সাইটসহ মোট ১১০টি সাইটে ৩ হাজার ১৫০টি বাড়িতে সার্ভে পরিচালনা করা হয়েছে। ২১টি টিমের মাধ্যমে ১০ দিনব্যাপী এই স্টাডি পরিচালনা করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। প্রতিটি টিম অন্তত ১৫টি সাইট সার্ভে করে।

জরিপের ফলাফলে দেখা গেছে, ৩ হাজার ১৫০টি বাড়িতে পরিচালিত এই সার্ভেতে ২ হাজার ৮২৯টি বাড়িতেই নমুনা পরীক্ষায় ফলাফল নেগেটিভ এসেছে, আর ১৫৯টি বাড়িতে ডেঙ্গু ফলাফল পজিটিভ এসেছে। মোট পজিটিভ আসা বাড়িগুলোর মধ্যে ৬৩টি বাড়ি ডিএনসিসিতে এবং ৯৬টি বাড়ি ডিএসসিসিতে অবস্থিত।

১১ থেকে ২৩ আগস্ট দুই করপোরেশনে এই জরিপ হয়েছে। জরিপকারীরা ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ৬২টি ওয়ার্ডে তারা মোট ১ হাজার ৮৩০টি বাড়ি পরীক্ষা করেছেন। তারা প্রায় ১২ শতাংশ বাড়িতে মশার লার্তা পেয়েছেন। অন্যদিকে প্রায় ২২ শতাংশ ভেজা পাত্রে মশার লার্তা ছিল। মশার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি দেখা গেছে ৮ নম্বর ওয়ার্ড (কমলাপুর ও মতিঝিল), ৩৮ নম্বর ওয়ার্ড ( নবাবপুর ও বংশাল) এবং ৪১ নম্বর ওয়ার্ডে ওয়ারী ও নারিন্দা)।

জরিপে দেখা গেছে, দুই সিটিতে পড়ে থাকা বা ফেলে রাখা ভেজা পাত্রে সবচেয়ে বেশি মশার লার্ভা পাওয়া গেছে। এছাড়াও ঘর বা ভবনের মেঝে প্লাস্টিকের ড্রাম বা প্লাস্টিকের নানা ধরনের পাত্রেও এই লার্ভা পাওয়া যায়। ঢাকা দক্ষিণ করপোরেশনের ২৬ শতাংশ এ ধরনের পাত্রে ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ২২ শতাংশ পাত্রে মশার এ লার্ভা পাওয়া গেছে।

সবমিলিয়ে বর্তমানে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি আছেন এক হাজার ১৯১ জন। আর ঢাকার বাইরের হাসপাতালগুলোতে ভর্তি আছেন ৩৬৯ জন।

চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে আজ (২০ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১২ হাজার ৭ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ১০ হাজার ৪০২ জন।

গত ৬ সেপ্টেম্বর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ৫ জনের মৃত্যু হয়। এটি এ বছর একদিনে সবচেয়ে বেশি মৃত্যুর ঘটনা।

‘জাতীয়’ : আরও খবর

» বাগেরহাটে কারাবন্দী ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দামকে ৬ মাসের জামিন দিয়েছে হাইকোর্ট

» উচ্চ আদালতের রায় উপেক্ষা, কয়লা ক্রয়ে নানা আয়োজন আরএনপিএলের

» সংস্কার নিয়ে ‘একটি দলের আওয়াজ’ বন্ধ হয়ে গেছে: আসিফ মাহমুদ

» জুলাই আন্দোলন: পৃথক দুই হত্যা মামলায় হাসিনাসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

» জুলাই অভ্যুত্থানকারীদের দায়মুক্তি দিয়ে অধ্যাদেশ জারি

» ট্রাইব্যুনাল: ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুরসহ ৩ পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড

সম্প্রতি