image

সেন্টমার্টিন বন্ধক দিলে ক্ষমতায় থাকার অসুবিধা নেই : প্রধানমন্ত্রী

সংবাদ অনলাইন রিপোর্ট

সেন্টমার্টিন দ্বীপ বা বাংলাদেশকে বিদেশিদের কাছে বন্ধক দিয়ে বিএনপি ক্ষমতায় আসতে চায় কি না, সেই প্রশ্ন তুলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, এমনটা করলে তারও ক্ষমতায় থাকতে অসুবিধা হবে না। তবে তিনি সেটা করবেন না। বিএনপি ‘গ্যাস বিক্রি করার’ মুচলেকা দিয়েই ২০০১ সালে ক্ষমতায় এসেছিল অভিযোগ করে তিনি বলেন, ওই সময় গ্যাস বিক্রির মুচলেকা দিলে তিনিও ক্ষমতায় থাকতে পারতেন।

বুধবার (২১ জুন) দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। সম্প্রতি তার সুইজারল্যান্ড ও কাতার সফর নিয়ে সরকারি বাসভবন গণভবনে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। লিখিত বক্তব্যে সরকারপ্রধান তার সফরের একটি সারসংক্ষেপ তুলে ধরেন।

প্রশ্নোত্তর পর্বে উঠে আসে সাম্প্রতিক আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি, সরকারের অবস্থান ও পরিকল্পনা, দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে বিরোধী দলের আন্দোলন সম্পর্কে সরকারের মনোভাবের কথা। বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচন নিয়ে মার্কিন হস্তক্ষেপের প্রতিক্রিয়ায় প্রতিবেশী ভারতের অবস্থান প্রসঙ্গও উঠে আসে এ সময়।

আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটের শরিক বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন সম্প্রতি জাতীয় সংসদে দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র সেন্টমার্টিন দ্বীপ চায়। এরপর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়। বুধবার সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নে সেন্টমার্টিন দ্বীপ প্রসঙ্গটিও উঠে আসে।

জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এখনও যদি বলি যে, না, ওই সেন্টমার্টিন দ্বীপ বা আমাদের দেশ কাউকে লিজ দেবো, তাহলে আমার ক্ষমতায় থাকার কোন অসুবিধা নাই, আমি জানি সেটা। কিন্তু আমার দ্বারা সেটা হবে না।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে কাউকে খেলতে দেয়া হবে না। আমার দেশের মাটি ব্যবহার করে কোন জায়গায় কোন সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালাবে, কাউকে অ্যাটাক করবে বা এ ধরনের কাজ- আমরা হতে দেবো না। আমরা শান্তিতে বিশ্বাস করি, আমরা শান্তিপূর্ণ সহযোগিতায় বিশ্বাস করি।’

তিনি বলেন, ‘কিছু কিছু তো আছে, আমি আগে বললাম অন্য দেশের তাঁবেদারি করবে... দেশের মাটি ব্যবহার করে অন্য দেশে আক্রমণ করবে, আমার দেশকে নিয়ে খেলবে, এটাতো আমি অন্তত হতে দিতে পারি না। এটা তো আমি হতে দেবো না।’

গ্যাস বিক্রির মুচলেকা

২০০১ সালে বিএনপি ‘গ্যাস বিক্রি করার’ মুচলেকা দিয়েই ক্ষমতায় এসেছিল অভিযোগ করে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা প্রশ্ন রাখেন ‘এখন তারা (বিএনপি) দেশ বিক্রি করবে, নাকি সেন্টমার্টিন দ্বীপ বিক্রি করার মুচলেকা দিয়ে ক্ষমতায় আসতে চায়? ’

সরকারপ্রধান বলেন, ‘আমি তো এটুকু বলতে পারি যে, আমি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুরের কন্যা। আমার হাত থেকে এদেশের কোন সম্পদ কারো কাছে বিক্রি করে আমি ক্ষমতায় আসতে চাই না। ওই গ্যাস বিক্রির মুচলেকা দিলে আমিও ক্ষমতায় থাকতে পারতাম।’

কংগ্রেস সদস্যদের চিঠি, অপপ্রচার

বাংলাদেশে নির্বাচন ‘বাধাগ্রস্তকারীদের’ ওপর নিষেধাজ্ঞা চেয়ে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে লেখা ছয় মার্কিন কংগ্রেস সদস্যের চিঠির বিষয়টি ইঙ্গিত করেও কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। সেই চিঠিতে দাবি করা হয়, বাংলাদেশে ধর্মীয় সংখ্যা লঘুরা চাপে আছে। তাদের অধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে।

এ বিষয়ে সরকারপ্রধান বলেন, ‘আমি মনে করি, দেশের মানুষকে সচেতন হতে হবে। ঠিক যেভাবে আমাদের হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সম্প্রদায় প্রতিবাদ করেছে। বলেছে যে, না, এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভুয়া তথ্য, সেভাবে সবাইকে সোচ্চার হতে হবে।’

নির্বাচন যত কাছে আসবে, তত বেশি বেশি পরিমাণে এ ধরনের ‘অপপ্রচার’ চালবে বলেও মনে করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘মানুষকে তারা বিভ্রান্ত করছে এটা ঠিক। কাজেই আমি দেশবাসীকে বলব এ সমস্ত অপপ্রচারে কান দেবেন না, বিভ্রান্ত হবেন না। এরা বলতেই থাকবে, যত ইলেকশন সামনে আসবে আরও বেশি বলবে। কিন্তু নিজেদের মনে নিজে প্রশ্ন করতে হবে, আসলে ভালো আছেন কি না, দেশটা ভালো চলছে কি না, দেশটা এগোচ্ছে কি না, দেশটার আরও উন্নতি হবে কি না।’

মার্কিন ভিসানীতি, ভারতের অবস্থান

জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে বাংলাদেশের জন্য করা নতুন ভিসানীতি প্রসঙ্গে প্রতিবেশী ভারতের অবস্থান কী হবে এমন প্রশ্নও উঠে আসে সংবাদ সম্মেলনে।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র সফরে রয়েছেন। তিন দিনের ঐতিহাসিক এ সফরে হোয়াইট হাউসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন তিনি। ২২ জুন এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

ওই বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে অবস্থান নিয়ে ভারত কথা বলবে কি না, এ সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, ‘ভারত যথেষ্ট পরিপক্ব, তাদের কী বলতে হবে তারা তা জানে। ভারতের কাছে আমাদের ওকালতি করার প্রয়োজন হবে না। ভারত সম্পূর্ণ স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক দেশ। তাদের নিজের মতো ভাববে কী করবে, কী করবে না। তবে ভারত আমাদের বন্ধুপ্রতিম রাষ্ট্র। এটুকু বলতে পারি। বাকিটা আপনারা বুঝে নেন।’

ব্রিকসে যোগদান

রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের উত্তরে শেখ হাসিনা বলেন, মায়ানমার থেকে প্রায় ১১ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী এলেও ‘শান্তির নীতিতে’ চলার কারণে দেশটির সঙ্গে বাংলাদেশ কোন ‘ঝগড়া’ করেনি। তিনি বলেন, ‘আমরা সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারো সঙ্গে বৈরিতা নয়- এই নীতিতে বিশ্বাস করি, সেভাবে আমরা মেনে চলব।’

ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন ও দক্ষিণ আফ্রিকা- এই পাঁচ দেশের আঞ্চলিক অর্থনৈতিক জোট ব্রিকসে যোগদান প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ব্রিকসে জয়েন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমাদের যেখানে সুবিধা হবে, আমরা যেখানে সম্পৃক্ত হব।’

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও নির্বাচনকালীন সরকার ব্যবস্থা

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনার দাবিতে বিএনপির চলমান আন্দোলন প্রসঙ্গেও কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, বাংলাদেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ‘নষ্ট’ করার জন্য বিএনপিই দায়ী। উচ্চ আদালতের রায়ের আলোকে সংবিধান সংশোধন করা হয়েছে। এখন নির্বাচন তার আলোকেই হবে। গণতান্ত্রিক ধারাকে ‘নষ্ট করার জন্য’ বিএনপি ও সমমনা দলগুলো তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি তুলছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বিরোধী দলগুলো ২০০৭ সালে সেনা নিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলের ‘ধরপাকড়’ ও জরুরি অবস্থায় ফিরে যেতে চায় কি না, সে প্রশ্নও রাখেন শেখ হাসিনা।

আওয়ামী লীগ প্রধান বলেন, ‘নির্বাচনকালীন সময়ে আমাদের বিরোধী দল থেকে নানারকম প্রস্তাব... এখন আবার তারা তত্ত্বাবধায়ক সরকার চায়, যে তত্ত্বাবধায়ক সরকার সম্পর্কে খালেদা জিয়ারই উক্তি ছিল যে, ‘পাগল আর শিশু ছাড়া কেউ নিরপেক্ষ নয়। একবার যেটা তারাই বাদ দিয়েছে, এই পদ্ধতিটা তারাই নষ্ট করেছে, তারাই কিন্তু এটা রাখেনি, সেটাকে আবার তারা ফেরত চাচ্ছে।’

বিএনপি কি আবার ইমার্জেন্সি চায়

বিরোধীদলগুলোকে উদ্দেশ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘তারা (বিএনপি) কি গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা চান? অর্থনৈতিক উন্নতি চান? দেশের মানুষের কল্যাণ হোক সেটা চান? নাকি আবার সেই ২০০৭-এর মতো তত্ত্বাবধায়ক সরকার, আবার সেই ইমার্জেন্সি, আবার সেই ধরপাকড় সেইগুলো চায়? এটা তো দেশের মানুষকে বিবেচনা করতে হবে।’

প্রধানমন্ত্রীর ভাষায়, উচ্চ আদালতের রায়ের বিষয়টি জেনেও বিএনপির আন্দোলনের উদ্দেশ্যটা হলো ‘অসাংবিধানিক সরকার’ আনা। তিনি বলেন, ‘যেহেতু আমাদের গণতন্ত্রটা ওয়েস্ট মিনস্টার টাইপ অব ডেমোক্রেসি, ঠিক ইংল্যান্ডের মতো জায়গায় যেভাবে নির্বাচনটা হয়, ঠিক সেভাবে আমাদের এখানে নির্বাচন হবে। এটা যেমন উচ্চ আদালতের রায় আছে, আবার আমাদের সংবিধানেও কিন্তু সেটা আছে। তো, যতক্ষণ পর্যন্ত আরেকজন নির্বাচিত সরকারপ্রধান ক্ষমতা না নেবে, সেটা পরিবর্তন হবে না। একজন নির্বাচিতের জায়গায় আরেকজন নির্বাচিতই আসতে হবে। এটাও সবাই জানে। জানার পরেও, আমি জানি না কেন এই সাংবিধানিক জটিলতা সৃষ্টির চেষ্টা করা হচ্ছে? উদ্দেশ্যটা কী?’

পরে নিজেই প্রশ্নের জবাব দিয়ে তিনি বলেন, ‘তার মানে এই গণতান্ত্রিক ধারাটাকে নষ্ট করা। এই যে দীর্ঘ সাড়ে ১৪ বছরের বাংলাদেশটা যে সুষ্ঠুভাবে চলছে, আর্থ-সামাজিক উন্নতি করছে সেটাকে নষ্ট করা। তো, দেশবাসী এটা কীভাবে সেটাই আমার প্রশ্ন।’

দশম সংসদ নির্বাচনের আগে ও পরে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির দিকে ইঙ্গিত করে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ‘নির্বাচন বানচাল করার জন্য বিএনপি-জামায়াত যেভাবে অগ্নিসন্ত্রাস করেছে, ৩ হাজার ৮০০ গাড়ি পুড়িয়েছে, তিন হাজারের বেশি মানুষকে পুড়িয়েছে। কত মানুষ পঙ্গু হয়ে আছে, কত পরিবার ধ্বংস হয়ে আছে। জ্বালাও- পোড়াও করে মানুষের ক্ষতিগুলো করে দিয়েছিল তারা, সেটা মানুষ এত তাড়াতাড়ি ভুলে যাবে?’

মূল্যস্ফীতি, মানুষের কষ্ট

নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি এবং নিয়ন্ত্রণে সরকারের চেষ্টা নিয়েও কথা বলেন সরকারপ্রধান। তিনি বলেন, ‘মানুষ দুবেলা পেট ভরে ভাত খাচ্ছে। এত ইনফ্লেশনের মধ্যেও মানুষের খাবারের অভাব তো ওভাবে হচ্ছে না। হ্যাঁ, একটু চাপে আছে মানুষ, আমি জানি। সেই কষ্টটা আমি বুঝি। বুঝি বলেই আমাদের প্রচেষ্টা আছে, মানুষের দুঃখকষ্ট সহজ করার চেষ্টা করছি।’

শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে এগিয়ে যাওয়ার কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, ‘এই সাড়ে ১৪ বছর আমরা এই অগ্নিসন্ত্রাস, মানুষ খুন, যত রকমের অপপ্রচার- এই সবগুলো মোকাবিলা করেই কিন্তু দেশটাকে আমরা এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। তো, সেটাই মানুষ চাইবে, না আবার সেই সন্ত্রাস যুগে প্রবেশ করবে, ভোট চুরির, ভোট ডাকাতির যুগে প্রবেশ করবে, জনগণের ওপর ছেড়ে দিচ্ছি। জনগণের ওপর ছেড়ে দিচ্ছি, তারা ঠিক করুক কী করবে।’

আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ‘দেশের মানুষের জন্য কাজ করছি। মানুষের যদি পছন্দ হয় ভোট দেবে, পছন্দ না হলে ভোট দেবে না। ভোট না দিলে থাকব না। আমি কি মানুষের ভোট চুরি করতে যাব? যারা ভোট ডাকাত, তারা আমাদের ভোট চোর বলে।’

সুইজারল্যান্ড সফর প্রসঙ্গে লিখিত বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী জানান, জেনেভায় অনুষ্ঠিত ‘ওয়ার্ল্ড অফ ওয়ার্ক সামিট : সোশ্যাল জাস্টিস ফর অল’-এ অংশগ্রহণের মাধ্যমে বিশ্ব সম্প্রদায়ের কাছে বাংলাদেশের শ্রম খাতের সংস্কারের জন্য নেয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরা হয়েছে। কাতার সফরে দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন মাত্রা যুক্ত হয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, তার অনুরোধে কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ বিন খলিফা আল থানি তার ফিফা বিশ্বকাপ ২০২২ পরবর্তী সময়ে কর্মহীন হয়ে যাওয়া বাংলাদেশিদের বিকল্প কর্মসংস্থানের বিষয়টি দেখবেন বলে উল্লেখ করেছেন। এছাড়া, তিনি (কাতারের আমির) কাতার থেকে বাংলাদেশে অব্যাহতভাবে সুবিধাজনক শর্তে এলএনজি আমদানির বিষয়টিকে নিশ্চিত করার ব্যাপারে আশ্বাস দিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সংসদ উপনেতা ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ, আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মুন্নুজান সুফিয়ান মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ সম্মেলন সঞ্চালনা করেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কাতার ইকোনমিক ফোরামে যোগ দিতে ২২ থেকে ২৫ মে কাতার সফর করেন এবং আইএলওর একটি শীর্ষ সম্মেলন ‘ওয়ার্ল্ড অফ ওয়ার্ক সামিট : সোশ্যাল জাস্টিস ফর অলে’ যোগ দিতে ১৩ থেকে ১৬ জুন সুইজারল্যান্ড সফর করেন।

‘জাতীয়’ : আরও খবর

» ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ: জ্বালানি তেল নিয়ে শঙ্কা, বিকল্প সন্ধানের তাগিদ

» দেশে জ্বালানি তেলের বর্তমান মজুত কত?

সম্প্রতি