বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে এক বৃদ্ধ কৃষকের মাছের ঘের থেকে মাছ লুট করা হয়েছে। সংবাদ-এ প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, আবু হানিফ বেপারি প্রায় দুই দশক ধরে মাছ চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন। তার অভিযোগ, বহিরাগত লোকজন নিয়ে ঘেরে হামলা চালানো হয়েছে। আগেও এমন ঘটনা ঘটেছে। ভুক্তভোগী পরিবার নিরাপত্তা ও ন্যায্য বিচার নিয়ে অনিশ্চয়তায় ভুগছে।
ঘের দখল গ্রামীণ অর্থনীতি ও নিরাপত্তার একটি গুরুতর চিত্র তুলে ধরে। দীর্ঘদিন ধরে চাষ করা ঘের থেকে লক্ষাধিক টাকার মাছ নিয়ে যাওয়া এবং বাধা দিতে গেলে একজন যুবককে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উদ্বেগজনক।
পুলিশ বলছে, বিষয়টি পারিবারিক জমিজমা-সংক্রান্ত বিরোধ। স্থানীয় পর্যায়ে মীমাংসার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। প্রশ্ন হচ্ছে, এ ধরনের ঘটনায় স্থানীয় মীমাংসা কতটা কার্যকর ও ন্যায্য হতে পারে?
গ্রামীণ এলাকায় প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় দুর্বল মানুষের ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার অভিযোগ নতুন নয়। এ ধরনের ঘটনায় দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্ত না হলে সাধারণ মানুষের আস্থা ক্ষুণ্ণ হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দায়িত্ব শুধু পরিস্থিতি দেখা বা সমঝোতার চেষ্টা নয়, বরং ঘটনার প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটন করে আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করা।
এই ঘটনায় প্রশাসনের উচিত উভয় পক্ষের বক্তব্য খতিয়ে দেখা। সুষ্ঠু তদন্তে সহিংসতার দায় নির্ধারণ করা এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার যেন ন্যায়বিচার পায় তা নিশ্চিত করা দরকার।
সারাদেশ: উপকূলে কমেছে পরিযায়ী পাখির আশ্রয়স্থল