alt

সম্পাদকীয়

সিলেটে দফায় দফায় ভূমিকম্প : সতর্ক থাকতে হবে

: সোমবার, ৩১ মে ২০২১

অনেক সময় বড় ভূমিকম্পের আগে দফায় দফায় মৃদু কম্পন অনুভূত হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন এমন কথা। শনিবার থেকে রোববার পর্যন্ত সিলেটে ছয় দফায় অনুভূত হওয়া মৃদু ভূমিকম্পকে প্রি-শক বলা যায় কিনা সেটা নিয়ে বিশেষজ্ঞরা সন্দিহান। তবে তারা এ বিষয়ে একমত যে, ভূতাত্ত্বিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ এই অঞ্চলে ভবিষ্যতে যে কোন সময় বড় ধরনের ভূমিকম্প হতে পারে। এ বিষয়ে তারা শুনিয়েছেন সতর্কবাণী। ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে সচেতন হওয়ার ওপর তারা জোর দিয়েছেন।

ইন্ডিয়ান প্লেট, ইউরেশিয়ান প্লেট এবং বার্মিজ প্লেটের সংযোগস্থলে বাংলাদেশের অবস্থান। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশে ‘বিপজ্জনক ভূকম্পনের’ প্রধান উৎস দুটি। একটি হচ্ছে ৩০০ কিলোমিটার দীর্ঘ ডাউকি ‘ফল্ট’, আরেকটি হচ্ছে টেকনাফ-পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি অঞ্চল সাবডাকশন জোন। ডাউকি ফল্টের অবস্থান সিলেট থেকে ৫০-৬০ কিলোমিটার দূরে। মৃদু মাত্রায় অনুভূত হলেও দফায় দফায় ভূমিকম্প হওয়ায় মানুষের মধ্যে উদ্বেগ-আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। এই উদ্বেগ গেল স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। বড় ধরনের ভূমিকম্প হলে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বড় বিপর্যয় ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে ভূমিকম্পের ঝুঁকি মোকাবিলায় এখনি প্রস্তুত হতে হবে। প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ভূমিকম্পের সময় করণীয় বিষয়ে ঝুঁকিপ্রবণ এলাকাগুলোতে নিয়মিত মহড়া ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। বিপদের সময় আতঙ্কিত না হয়ে কীভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হবে সে বিষয়ে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানো জরুরি। ভূমিকম্প হলে যেন দ্রুত উদ্ধার ও সেবা কাজ শুরু করা যায় সেজন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি থাকতে হবে।

ভূমিকম্প প্রতিরোধে ‘বিল্ডিং কোড মেনে’ ভবন তৈরি করা জরুরি। নিয়ম মেনে ভবন তৈরি করা গেলে অন্তত ছোট বা মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হবে। সেটা করা না গেলে ছোট বা মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্পেও বড় বিপর্যয় দেখা দিতে পারে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যের গরমিল

গণটিকাদান কর্মসূচি

বায়ু ও শব্দদূষণ রোধে চাই সদিচ্ছা

ঘর নির্মাণে অনিয়ম-দুর্নীতির আরেকটি অভিযোগ

এলপিজি বিক্রি করতে হবে নির্ধারিত দরে

অক্সিজেন সরবরাহ নিয়ে রশি টানাটানি বন্ধ করুন

পাহাড়ি ঢলে বন্যা, ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত সহায়তা দিন

শিল্পকারখানা খোলার ঝুঁকি মোকাবিলায় প্রস্তুতি কী

হুমকির মুখে থাকা বাঘ সুন্দরবনকে বাঁচাবে কী করে

পাহাড় ধসে মৃত্যু প্রতিরোধে স্থায়ী পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করুন

সড়ক দুর্ঘটনা রোধে সরকারের অঙ্গীকারের বাস্তবায়ন চাই

ডেঙ্গু প্রতিরোধে চাই সম্মিলিত প্রচেষ্টা

পানিতে ডুবে শিশুমৃত্যু প্রসঙ্গে

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন কার নিরাপত্তা দিচ্ছে?

সেতু নির্মাণের নামে জনগণের অর্থের অপচয় বন্ধ করতে হবে

আয় বৈষম্য কমানোর পথ খুঁজতে হবে

নদী খননে অনিয়ম কাম্য নয়

আইসিইউ স্থাপনে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ কেন মানা হয়নি

সরকারের ত্রাণ সহায়তায় অনিয়ম বন্ধ করতে হবে

পরিকল্পনাহীনতায় মানুষের ভোগান্তি

চাষিরা যেন আম উৎপাদনের সুফল পান

কঠোর বিধিনিষেধ প্রসঙ্গে

উপেক্ষিত স্বাস্থ্যবিধি : বড় মূল্য দিতে হতে পারে

অ্যান্টিবায়োটিকের যথেচ্ছ ব্যবহার বন্ধ করতে হবে

ডেঙ্গু প্রতিরোধে সম্মিলিত প্রচেষ্টা চালাতে হবে

কোরবানির পশুকেন্দ্রিক চাঁদাবাজি বন্ধ করুন

যথাসময়ে বকেয়া বেতন ও ঈদ বোনাস পরিশোধ করুন

দ্রুত সড়ক-মহাসড়ক সংস্কার করুন

কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের প্রশ্নবিদ্ধ ভূমিকা

হাসপাতালটি কেন সিআরবিতেই করতে হবে

অগ্নি দুর্ঘটনা প্রতিরোধে ফায়ার সার্ভিসের সুপারিশ বাস্তবায়ন করা জরুরি

চালের দামে লাগাম টানুন

অনিয়ম-দুর্নীতির পুনরাবৃত্তি রোধ করতে হবে

বন্ধ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিতে ইউনিসেফের আহ্বান

নারায়ণগঞ্জে ‘জঙ্গি আস্তানা’ প্রসঙ্গে

স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে

tab

সম্পাদকীয়

সিলেটে দফায় দফায় ভূমিকম্প : সতর্ক থাকতে হবে

সোমবার, ৩১ মে ২০২১

অনেক সময় বড় ভূমিকম্পের আগে দফায় দফায় মৃদু কম্পন অনুভূত হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন এমন কথা। শনিবার থেকে রোববার পর্যন্ত সিলেটে ছয় দফায় অনুভূত হওয়া মৃদু ভূমিকম্পকে প্রি-শক বলা যায় কিনা সেটা নিয়ে বিশেষজ্ঞরা সন্দিহান। তবে তারা এ বিষয়ে একমত যে, ভূতাত্ত্বিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ এই অঞ্চলে ভবিষ্যতে যে কোন সময় বড় ধরনের ভূমিকম্প হতে পারে। এ বিষয়ে তারা শুনিয়েছেন সতর্কবাণী। ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে সচেতন হওয়ার ওপর তারা জোর দিয়েছেন।

ইন্ডিয়ান প্লেট, ইউরেশিয়ান প্লেট এবং বার্মিজ প্লেটের সংযোগস্থলে বাংলাদেশের অবস্থান। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশে ‘বিপজ্জনক ভূকম্পনের’ প্রধান উৎস দুটি। একটি হচ্ছে ৩০০ কিলোমিটার দীর্ঘ ডাউকি ‘ফল্ট’, আরেকটি হচ্ছে টেকনাফ-পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি অঞ্চল সাবডাকশন জোন। ডাউকি ফল্টের অবস্থান সিলেট থেকে ৫০-৬০ কিলোমিটার দূরে। মৃদু মাত্রায় অনুভূত হলেও দফায় দফায় ভূমিকম্প হওয়ায় মানুষের মধ্যে উদ্বেগ-আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। এই উদ্বেগ গেল স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। বড় ধরনের ভূমিকম্প হলে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বড় বিপর্যয় ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে ভূমিকম্পের ঝুঁকি মোকাবিলায় এখনি প্রস্তুত হতে হবে। প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ভূমিকম্পের সময় করণীয় বিষয়ে ঝুঁকিপ্রবণ এলাকাগুলোতে নিয়মিত মহড়া ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। বিপদের সময় আতঙ্কিত না হয়ে কীভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হবে সে বিষয়ে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানো জরুরি। ভূমিকম্প হলে যেন দ্রুত উদ্ধার ও সেবা কাজ শুরু করা যায় সেজন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি থাকতে হবে।

ভূমিকম্প প্রতিরোধে ‘বিল্ডিং কোড মেনে’ ভবন তৈরি করা জরুরি। নিয়ম মেনে ভবন তৈরি করা গেলে অন্তত ছোট বা মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হবে। সেটা করা না গেলে ছোট বা মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্পেও বড় বিপর্যয় দেখা দিতে পারে।

back to top