alt

সম্পাদকীয়

দ্রুত সড়ক-মহাসড়ক সংস্কার করুন

: শুক্রবার, ১৬ জুলাই ২০২১

এখনও সংস্কার করা হয়নি ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক। প্রতিশ্রুতি আর আশ্বাস অনুযায়ী করা হয়নি সংস্কারকাজ। গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবর থেকে জানা গেছে, মহাসড়কটির ৩০-৩৫ শতাংশ সংস্কারকাজ সম্পন্ন হয়েছে। ভাঙাচোরা সড়কের কারণে স্বাভাবিক সময়ে যাত্রীদের অনেক ভোগান্তি পোহাতে হয়। আশঙ্কা করা হচ্ছে, ঈদযাত্রায় এই ভোগান্তি আরও বাড়বে। দুর্ঘটনার আশঙ্কাও উড়িয়ে দেয়া যায় না।

শুধু এই একটি সড়কই নয়, দেশের আরও অনেক সড়ক-মহাসড়কই রয়েছে বেহাল অবস্থায়। গতকাল বৃহস্পতিবার প্রকাশিত একটি জাতীয় দৈনিকের খবর থেকে জানা গেছে, চট্টগ্রামের পিসি রোডের নয়াবাজার এলাকায় সদ্য নির্মিত সড়কের বিশাল অংশ কয়েক দিনের বৃষ্টিতে ধসে গেছে। সড়ক-মহাসড়কের ত্রুটির কারণে প্রায় দুর্ঘটনা ঘটে, যানবাহন বিকল হয়, তৈরি হয় যানজট।

প্রশ্ন হচ্ছে, সড়কগুলো নির্মাণের পর টেকসই হয় না কেন। নির্মাণের পর দেশের কোন সড়ক-মহাসড়ক মেয়াদ পূর্ণ করতে পেরেছে সেটা নিয়ে গবেষণা হতে পারে। সড়ক নির্মাণের পর বছর না ঘুরতেই ভেঙে যাবে-এটাই পরিচিত দৃশ্য। ভাঙা সড়ক সংস্কার বা পুনর্নির্মাণের জন্য আবার টেন্ডার, আবার কাজ আর জনগণের পয়সা শ্রাদ্ধ করা নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সড়কের ওপর দিয়ে কোন ধরনের এবং কত যানবাহন চলবে, কী পরিমাণ ভার বহন করতে হবে-নির্মাণের সময় এসব বিষয় মাথায় রাখা হয় কিনা সেটা একটা প্রশ্ন। দেশের অনেক সড়কই ভারি যানবাহন চলাচলের উপযোগী নয়। আবার নির্মাণ উপকরণের মান নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, সড়ক খাত অনিয়ম-দুর্নীতির একটে বড় ক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) এক প্রতিবেদনে সড়ক ও জনপথ বিভাগের কাজে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির চিত্র প্রকাশ পেয়েছে। সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী, কাজ শেষ হওয়ার আগে বিল প্রদান, টেন্ডার নিয়ে কারসাজি, ঘুষ গ্রহণ ও নজরদারির দুর্বলতা প্রভৃতি দুদকের প্রতিবেদনে উঠে এসেছিল। এসব অনিয়ম-দুর্নীতি দূর করতে দুদক ২১ দফা সুপারিশও করেছিল। আমরা বলতে চাই, সড়ক নির্মাণ বা সংস্কার যেমন জরুরি, সড়ক নিয়ে হওয়া অনিয়ম-দুর্নীতি দূর করাও তেমন জরুরি।

ঈদের আগেই ঢাকা-ময়মনসিংহসহ সব সড়ক-মহাসড়ক সংস্কার করা মানুষের নিরাপদ ঈদযাত্রা নিশ্চিত করা হবে সেটা আমাদের প্রত্যাশা।

বায়ু ও শব্দদূষণ রোধে চাই সদিচ্ছা

ঘর নির্মাণে অনিয়ম-দুর্নীতির আরেকটি অভিযোগ

এলপিজি বিক্রি করতে হবে নির্ধারিত দরে

অক্সিজেন সরবরাহ নিয়ে রশি টানাটানি বন্ধ করুন

পাহাড়ি ঢলে বন্যা, ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত সহায়তা দিন

শিল্পকারখানা খোলার ঝুঁকি মোকাবিলায় প্রস্তুতি কী

হুমকির মুখে থাকা বাঘ সুন্দরবনকে বাঁচাবে কী করে

পাহাড় ধসে মৃত্যু প্রতিরোধে স্থায়ী পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করুন

সড়ক দুর্ঘটনা রোধে সরকারের অঙ্গীকারের বাস্তবায়ন চাই

ডেঙ্গু প্রতিরোধে চাই সম্মিলিত প্রচেষ্টা

পানিতে ডুবে শিশুমৃত্যু প্রসঙ্গে

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন কার নিরাপত্তা দিচ্ছে?

সেতু নির্মাণের নামে জনগণের অর্থের অপচয় বন্ধ করতে হবে

আয় বৈষম্য কমানোর পথ খুঁজতে হবে

নদী খননে অনিয়ম কাম্য নয়

আইসিইউ স্থাপনে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ কেন মানা হয়নি

সরকারের ত্রাণ সহায়তায় অনিয়ম বন্ধ করতে হবে

পরিকল্পনাহীনতায় মানুষের ভোগান্তি

চাষিরা যেন আম উৎপাদনের সুফল পান

কঠোর বিধিনিষেধ প্রসঙ্গে

উপেক্ষিত স্বাস্থ্যবিধি : বড় মূল্য দিতে হতে পারে

অ্যান্টিবায়োটিকের যথেচ্ছ ব্যবহার বন্ধ করতে হবে

ডেঙ্গু প্রতিরোধে সম্মিলিত প্রচেষ্টা চালাতে হবে

কোরবানির পশুকেন্দ্রিক চাঁদাবাজি বন্ধ করুন

যথাসময়ে বকেয়া বেতন ও ঈদ বোনাস পরিশোধ করুন

কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের প্রশ্নবিদ্ধ ভূমিকা

হাসপাতালটি কেন সিআরবিতেই করতে হবে

অগ্নি দুর্ঘটনা প্রতিরোধে ফায়ার সার্ভিসের সুপারিশ বাস্তবায়ন করা জরুরি

চালের দামে লাগাম টানুন

অনিয়ম-দুর্নীতির পুনরাবৃত্তি রোধ করতে হবে

বন্ধ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিতে ইউনিসেফের আহ্বান

নারায়ণগঞ্জে ‘জঙ্গি আস্তানা’ প্রসঙ্গে

স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে

গণটিকাদান শুরু : ‘হার্ড ইমিউনিটি’র লক্ষ্য অর্জন হবে কি

করোনাকালের বিষণ্ণতা: চাই সচেতনতা

ক্ষুধার মহামারী সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে

tab

সম্পাদকীয়

দ্রুত সড়ক-মহাসড়ক সংস্কার করুন

শুক্রবার, ১৬ জুলাই ২০২১

এখনও সংস্কার করা হয়নি ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক। প্রতিশ্রুতি আর আশ্বাস অনুযায়ী করা হয়নি সংস্কারকাজ। গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবর থেকে জানা গেছে, মহাসড়কটির ৩০-৩৫ শতাংশ সংস্কারকাজ সম্পন্ন হয়েছে। ভাঙাচোরা সড়কের কারণে স্বাভাবিক সময়ে যাত্রীদের অনেক ভোগান্তি পোহাতে হয়। আশঙ্কা করা হচ্ছে, ঈদযাত্রায় এই ভোগান্তি আরও বাড়বে। দুর্ঘটনার আশঙ্কাও উড়িয়ে দেয়া যায় না।

শুধু এই একটি সড়কই নয়, দেশের আরও অনেক সড়ক-মহাসড়কই রয়েছে বেহাল অবস্থায়। গতকাল বৃহস্পতিবার প্রকাশিত একটি জাতীয় দৈনিকের খবর থেকে জানা গেছে, চট্টগ্রামের পিসি রোডের নয়াবাজার এলাকায় সদ্য নির্মিত সড়কের বিশাল অংশ কয়েক দিনের বৃষ্টিতে ধসে গেছে। সড়ক-মহাসড়কের ত্রুটির কারণে প্রায় দুর্ঘটনা ঘটে, যানবাহন বিকল হয়, তৈরি হয় যানজট।

প্রশ্ন হচ্ছে, সড়কগুলো নির্মাণের পর টেকসই হয় না কেন। নির্মাণের পর দেশের কোন সড়ক-মহাসড়ক মেয়াদ পূর্ণ করতে পেরেছে সেটা নিয়ে গবেষণা হতে পারে। সড়ক নির্মাণের পর বছর না ঘুরতেই ভেঙে যাবে-এটাই পরিচিত দৃশ্য। ভাঙা সড়ক সংস্কার বা পুনর্নির্মাণের জন্য আবার টেন্ডার, আবার কাজ আর জনগণের পয়সা শ্রাদ্ধ করা নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সড়কের ওপর দিয়ে কোন ধরনের এবং কত যানবাহন চলবে, কী পরিমাণ ভার বহন করতে হবে-নির্মাণের সময় এসব বিষয় মাথায় রাখা হয় কিনা সেটা একটা প্রশ্ন। দেশের অনেক সড়কই ভারি যানবাহন চলাচলের উপযোগী নয়। আবার নির্মাণ উপকরণের মান নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, সড়ক খাত অনিয়ম-দুর্নীতির একটে বড় ক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) এক প্রতিবেদনে সড়ক ও জনপথ বিভাগের কাজে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির চিত্র প্রকাশ পেয়েছে। সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী, কাজ শেষ হওয়ার আগে বিল প্রদান, টেন্ডার নিয়ে কারসাজি, ঘুষ গ্রহণ ও নজরদারির দুর্বলতা প্রভৃতি দুদকের প্রতিবেদনে উঠে এসেছিল। এসব অনিয়ম-দুর্নীতি দূর করতে দুদক ২১ দফা সুপারিশও করেছিল। আমরা বলতে চাই, সড়ক নির্মাণ বা সংস্কার যেমন জরুরি, সড়ক নিয়ে হওয়া অনিয়ম-দুর্নীতি দূর করাও তেমন জরুরি।

ঈদের আগেই ঢাকা-ময়মনসিংহসহ সব সড়ক-মহাসড়ক সংস্কার করা মানুষের নিরাপদ ঈদযাত্রা নিশ্চিত করা হবে সেটা আমাদের প্রত্যাশা।

back to top