alt

সম্পাদকীয়

যথাসময়ে বকেয়া বেতন ও ঈদ বোনাস পরিশোধ করুন

: শনিবার, ১৭ জুলাই ২০২১

বকেয়া বেতন পরিশোধের দাবিতে আজ গাজীপুরের লক্ষ্মীপুরায় পোশাক শ্রমিকরা বিক্ষোভ করেছেন। স্টাইল ক্র্যাফট লিমিটেড নামক তৈরি পোশাক কারখানার আন্দোলনরত শ্রমিকরা অভিযোগ করেছেন যে, তাদের ৮ মাসের বেতন বকেয়া রয়েছে। ঈদের আগে একাধিকবার প্রতিশ্রুতি দিলেও মালিকপক্ষ বেতন-ভাতা পরিশোধ করছে না।

গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবর থেকে জানা যাচ্ছে, দেশের সাড়ে পাঁচশ’র বেশি রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক ও বস্ত্র কারখানা এখনও জুনের বেতন পরিশোধ করেনি। সাব-কন্ট্রাক্টিংয়েয় কাজ করে এমন কারখানা হিসাবে নিলে বেতন না দেয়া কারখানার সংখ্যা হবে প্রায় এক হাজার।

শিল্পপুলিশের হিসাব অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বিজিএমইএর ৩৪৬, বিকেএমইএর ১৫২ ও বিটিএমএর ৮১ কারখানা শ্রমিকদের জুনের বেতন-ভাতা দেয়নি। শিল্পপুলিশ বলছে, বিজিএমইএর ১ হাজার ৩৮২, বিকেএমইএর ৪৯৫ ও বিটিএমএর ২৪২টি কারখানা এখনও ঈদ বোনাস দেয়নি। তবে বিজিএমইএ দাবি করছে যে, ৯০ শতাংশ কারখানা বেতন পরিশোধ করেছে।

শ্রম প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান পোশাকশিল্পের শ্রমিকদের জুনের বেতন ও ঈদ-বোনাস আগামী ১৯ জুলাইয়ের মধ্যে পরিশোধ করার আহ্বান জানিয়েছেন। তবে এ সময়ের মধ্যে সব পোশাক কারখানায় বেতন-বোনাস পরিশোধ করা সম্ভব হবে কিনা সেটা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। এবারই প্রথম নয়, প্রতি ঈদের আগেই এক শ্রেণীর পোশাক কারখানা বেতন-বোনাস পরিশোধ করা নিয়ে নানা টালবাহানা করে। বিশেষ করে সাব-কন্ট্রাক্টে কাজ করা কারখানাগুলো যথাসময়ে বেতন-বোনাস পরিশোধ করে না। শেষ সময়ে বেতন-বোনাস না পেয়ে অনেক শ্রমিককে ফিরতে হয় শূন্য হাতে।

ঈদুল আজহার বাকি আছে আর মাত্র ২ দিন। ঈদ উৎসবেও শ্রমিকদের যথাসময়ে বেতন-বোনাস না দেয়া অমানবিক। আমরা এ অমানবিকতার অবসান চাই। শ্রম আইনের বিধান হচ্ছে, এক মাসের বেতন পরের মাসের ৭ কর্মদিবস বা ১০ তারিখের মধ্যে দিতে হবে। সেটা মানেনি বহু কারখানা। শ্রম প্রতিমন্ত্রী ১৯ জুলাইয়ের মধ্যে জুনের বেতন ও ঈদ বোনাস পরিশোধের আহ্বান জানিয়েছেন। আমরা আশা করব, সংশ্লিষ্টরা এ আহ্বানে ইতিবাচকভাবে সাড়া দেবে।

যথাসময়ে শ্রমিকদের বেতন-বোনাস না দেয়ার সমস্যা শুধু পোশাক কারখানার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। অন্যান্য অনেক শিল্পকারখানায়ও বেতন বকেয়া আছে। এসব কারখানার শ্রমিকদের বকেয়াও পরিশোধ করতে হবে। যেসব কারখানার বেতন-বোনাস ঝুলিয়ে রেখেছে সেগুলোকে নজরদারির মধ্যে রাখতে হবে। শ্রমিকদের পাওনা বুঝিয়ে না দিয়ে কেউ যেন পার না পায় সেটা নিশ্চিত করতে হবে।

বায়ু ও শব্দদূষণ রোধে চাই সদিচ্ছা

ঘর নির্মাণে অনিয়ম-দুর্নীতির আরেকটি অভিযোগ

এলপিজি বিক্রি করতে হবে নির্ধারিত দরে

অক্সিজেন সরবরাহ নিয়ে রশি টানাটানি বন্ধ করুন

পাহাড়ি ঢলে বন্যা, ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত সহায়তা দিন

শিল্পকারখানা খোলার ঝুঁকি মোকাবিলায় প্রস্তুতি কী

হুমকির মুখে থাকা বাঘ সুন্দরবনকে বাঁচাবে কী করে

পাহাড় ধসে মৃত্যু প্রতিরোধে স্থায়ী পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করুন

সড়ক দুর্ঘটনা রোধে সরকারের অঙ্গীকারের বাস্তবায়ন চাই

ডেঙ্গু প্রতিরোধে চাই সম্মিলিত প্রচেষ্টা

পানিতে ডুবে শিশুমৃত্যু প্রসঙ্গে

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন কার নিরাপত্তা দিচ্ছে?

সেতু নির্মাণের নামে জনগণের অর্থের অপচয় বন্ধ করতে হবে

আয় বৈষম্য কমানোর পথ খুঁজতে হবে

নদী খননে অনিয়ম কাম্য নয়

আইসিইউ স্থাপনে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ কেন মানা হয়নি

সরকারের ত্রাণ সহায়তায় অনিয়ম বন্ধ করতে হবে

পরিকল্পনাহীনতায় মানুষের ভোগান্তি

চাষিরা যেন আম উৎপাদনের সুফল পান

কঠোর বিধিনিষেধ প্রসঙ্গে

উপেক্ষিত স্বাস্থ্যবিধি : বড় মূল্য দিতে হতে পারে

অ্যান্টিবায়োটিকের যথেচ্ছ ব্যবহার বন্ধ করতে হবে

ডেঙ্গু প্রতিরোধে সম্মিলিত প্রচেষ্টা চালাতে হবে

কোরবানির পশুকেন্দ্রিক চাঁদাবাজি বন্ধ করুন

দ্রুত সড়ক-মহাসড়ক সংস্কার করুন

কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের প্রশ্নবিদ্ধ ভূমিকা

হাসপাতালটি কেন সিআরবিতেই করতে হবে

অগ্নি দুর্ঘটনা প্রতিরোধে ফায়ার সার্ভিসের সুপারিশ বাস্তবায়ন করা জরুরি

চালের দামে লাগাম টানুন

অনিয়ম-দুর্নীতির পুনরাবৃত্তি রোধ করতে হবে

বন্ধ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিতে ইউনিসেফের আহ্বান

নারায়ণগঞ্জে ‘জঙ্গি আস্তানা’ প্রসঙ্গে

স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে

গণটিকাদান শুরু : ‘হার্ড ইমিউনিটি’র লক্ষ্য অর্জন হবে কি

করোনাকালের বিষণ্ণতা: চাই সচেতনতা

ক্ষুধার মহামারী সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে

tab

সম্পাদকীয়

যথাসময়ে বকেয়া বেতন ও ঈদ বোনাস পরিশোধ করুন

শনিবার, ১৭ জুলাই ২০২১

বকেয়া বেতন পরিশোধের দাবিতে আজ গাজীপুরের লক্ষ্মীপুরায় পোশাক শ্রমিকরা বিক্ষোভ করেছেন। স্টাইল ক্র্যাফট লিমিটেড নামক তৈরি পোশাক কারখানার আন্দোলনরত শ্রমিকরা অভিযোগ করেছেন যে, তাদের ৮ মাসের বেতন বকেয়া রয়েছে। ঈদের আগে একাধিকবার প্রতিশ্রুতি দিলেও মালিকপক্ষ বেতন-ভাতা পরিশোধ করছে না।

গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবর থেকে জানা যাচ্ছে, দেশের সাড়ে পাঁচশ’র বেশি রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক ও বস্ত্র কারখানা এখনও জুনের বেতন পরিশোধ করেনি। সাব-কন্ট্রাক্টিংয়েয় কাজ করে এমন কারখানা হিসাবে নিলে বেতন না দেয়া কারখানার সংখ্যা হবে প্রায় এক হাজার।

শিল্পপুলিশের হিসাব অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বিজিএমইএর ৩৪৬, বিকেএমইএর ১৫২ ও বিটিএমএর ৮১ কারখানা শ্রমিকদের জুনের বেতন-ভাতা দেয়নি। শিল্পপুলিশ বলছে, বিজিএমইএর ১ হাজার ৩৮২, বিকেএমইএর ৪৯৫ ও বিটিএমএর ২৪২টি কারখানা এখনও ঈদ বোনাস দেয়নি। তবে বিজিএমইএ দাবি করছে যে, ৯০ শতাংশ কারখানা বেতন পরিশোধ করেছে।

শ্রম প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান পোশাকশিল্পের শ্রমিকদের জুনের বেতন ও ঈদ-বোনাস আগামী ১৯ জুলাইয়ের মধ্যে পরিশোধ করার আহ্বান জানিয়েছেন। তবে এ সময়ের মধ্যে সব পোশাক কারখানায় বেতন-বোনাস পরিশোধ করা সম্ভব হবে কিনা সেটা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। এবারই প্রথম নয়, প্রতি ঈদের আগেই এক শ্রেণীর পোশাক কারখানা বেতন-বোনাস পরিশোধ করা নিয়ে নানা টালবাহানা করে। বিশেষ করে সাব-কন্ট্রাক্টে কাজ করা কারখানাগুলো যথাসময়ে বেতন-বোনাস পরিশোধ করে না। শেষ সময়ে বেতন-বোনাস না পেয়ে অনেক শ্রমিককে ফিরতে হয় শূন্য হাতে।

ঈদুল আজহার বাকি আছে আর মাত্র ২ দিন। ঈদ উৎসবেও শ্রমিকদের যথাসময়ে বেতন-বোনাস না দেয়া অমানবিক। আমরা এ অমানবিকতার অবসান চাই। শ্রম আইনের বিধান হচ্ছে, এক মাসের বেতন পরের মাসের ৭ কর্মদিবস বা ১০ তারিখের মধ্যে দিতে হবে। সেটা মানেনি বহু কারখানা। শ্রম প্রতিমন্ত্রী ১৯ জুলাইয়ের মধ্যে জুনের বেতন ও ঈদ বোনাস পরিশোধের আহ্বান জানিয়েছেন। আমরা আশা করব, সংশ্লিষ্টরা এ আহ্বানে ইতিবাচকভাবে সাড়া দেবে।

যথাসময়ে শ্রমিকদের বেতন-বোনাস না দেয়ার সমস্যা শুধু পোশাক কারখানার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। অন্যান্য অনেক শিল্পকারখানায়ও বেতন বকেয়া আছে। এসব কারখানার শ্রমিকদের বকেয়াও পরিশোধ করতে হবে। যেসব কারখানার বেতন-বোনাস ঝুলিয়ে রেখেছে সেগুলোকে নজরদারির মধ্যে রাখতে হবে। শ্রমিকদের পাওনা বুঝিয়ে না দিয়ে কেউ যেন পার না পায় সেটা নিশ্চিত করতে হবে।

back to top