জামালপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে দালালদের প্রভাব দিন দিন বেড়েই চলেছে, যা সাধারণ নাগরিকদের মৌলিক অধিকারকে হরণ করছে। সরকারি কর্মচারীরা দালালদের সঙ্গে কমিশন চুক্তিতে জড়িয়ে পড়ে সেবা গ্রহীতাদের হয়রানি করে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করছেন। অথচ পাসপোর্ট প্রাপ্তি বাংলাদেশের নাগরিকদের একটি মৌলিক অধিকার, যা পাসপোর্ট অর্ডিন্যান্স ১৯৭৩ অনুসারে নির্বিঘে্ন নিশ্চিত করার দায়িত্ব সরকারের।
এই অফিসে গিয়ে আমি নিজেই এমন সমস্যার সম্মুখীন হয়েছি। দালাল ছাড়া সরকারি নিয়মানুসারে আবেদন করলে দায়িত্বরত অফিসাররা অতিরিক্ত কাগজপত্রের বাহানা দিয়ে গ্রাহকদের ফিরিয়ে দেন। বিপরীতে, দালালকে ১৫০০ টাকা বা তারও বেশি দিলে তাদের কাজ সবার আগে সম্পন্ন করা হয়। দূর-দূরান্ত থেকে আসা বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষ যেমন- শিক্ষার্থী, শ্রমিক বা চাকরিজীবী হয়রানির শিকার হচ্ছেন বহু দিন ধরে। কিন্তু কোনো স্থায়ী সমাধান হচ্ছে না। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে এ বিষয়ে আইনানুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের জোরালো দাবি জানাচ্ছি। যতক্ষণ না এই সমস্যার মূলোৎপাটন হবে, ততক্ষণ সাধারণ নাগরিকরা তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত হবেন।
আব্দুল্লাহ মাহমুদ মুআয
অর্থ-বাণিজ্য: ভরিতে ৩ হাজার ২৩৬ টাকা বাড়লো সোনার দাম
অর্থ-বাণিজ্য: ঈদের ছুটিতে কাস্টম হাউসগুলো খোলা থাকবে