alt

মতামত » উপ-সম্পাদকীয়

দক্ষিণপন্থার রাজনীতি: অগ্রগতি নাকি অবনমন?

ফকর উদ্দিন মানিক

: সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশের রাজনীতিতে দক্ষিণপন্থার উপস্থিতি নতুন কিছু নয়, তবে আজকের বাস্তবতায় এর কৌশল, অবয়ব ও প্রভাবশক্তি নতুন করে মূল্যায়নের দাবি রাখে। দক্ষিণপন্থা এখন আর কেবল একটি মতাদর্শের নাম নয়, বরং এটি এক ধরনের সামাজিক, রাজনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক প্রকরণে রূপ নিচ্ছে-যা গণতান্ত্রিক কাঠামোর জন্য ক্রমশ হুমকি হয়ে উঠছে।

এই ধারার রাজনীতির সবচেয়ে চতুর দিক হলো-ধর্মের আবেগকে অত্যন্ত কৌশলে রাজনৈতিক ফায়দার জন্য ব্যবহার করা। ধর্মীয় মূল্যবোধকে ব্যবহার করে তারা একটি মিথ্যা নৈতিকতার আবরণ সৃষ্টি করে, যার আড়ালে চলে জনমনে বিভাজন, বিভ্রান্তি এবং উগ্রতার চাষাবাদ। যুক্তি ও বাস্তবতার বদলে আবেগ ও গুজবকে সামনে রেখে একটি বিকৃত সামাজিক চেতনা গড়ে তোলার প্রক্রিয়া চালিয়ে যাচ্ছে দক্ষিণপন্থী গোষ্ঠীগুলো।

এক সময় যারা ধর্মীয় উগ্রতাকে খোলামেলাভাবে প্রচার করত, তারা আজকাল নিজেদের উপস্থাপন করছে ভদ্রবেশে, পরিপাটি পোশাকে, ইউটিউব বা সামাজিক মাধ্যমে প্রজ্ঞাবান বক্তার মতো। অথচ ভেতরে তারা বহন করে সেই পুরনো ঘৃণা, সহিংসতা ও অসহিষ্ণুতার বিষ। এই ‘সুশীল মুখোশের’ আড়ালে কার্যত এক অশুভ রাজনৈতিক নকশা এগিয়ে নেয়া হচ্ছে-যার লক্ষ্য গণতন্ত্রকে প্রশ্নবিদ্ধ করা এবং মানবাধিকারের ভিত্তিকে দুর্বল করে তোলা।

দক্ষিণপন্থার উত্থান বাংলাদেশে একাধিকবার সংঘাত, সহিংসতা এবং সামাজিক অস্থিরতার জন্ম দিয়েছে। সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন, নারী অধিকারে বাধা, শিক্ষাঙ্গনে উগ্র মতাদর্শের বিস্তার-এসব এরই বহিঃপ্রকাশ। তারা ভিন্নমতের প্রতি শ্রদ্ধা দেখানোর বদলে, সেই মতকে ‘ষড়যন্ত্র’, ‘ধর্মবিরোধিতা’ কিংবা ‘দেশদ্রোহিতা’ বলে আখ্যা দেয়। এর ফলে তৈরি হয় এক ভীতিকর ও দমনমূলক রাজনৈতিক সংস্কৃতি, যেখানে স্বাধীন চিন্তা ও মতপ্রকাশের সুযোগ ক্রমেই সংকুচিত হয়ে পড়ে।

আরও উদ্বেগের বিষয় হলো, এই ধারার রাজনীতি রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভগুলোকেও প্রভাবিত করতে চায়। বিচার বিভাগ, সংবাদমাধ্যম, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান-কোনো কিছুই তাদের লক্ষ্য থেকে বাদ যাচ্ছে না। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রযন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যক্রমকে তারা সন্দেহপ্রবণতা, অসহিষ্ণুতা এবং ‘আমরাই দেশ’ ধরনের মনোভাব দিয়ে নিয়ন্ত্রণে আনতে চায়। ফলত, রাষ্ট্র ক্রমশ এমন এক পথে হাঁটে, যেখানে ব্যক্তি স্বাধীনতা ক্ষুণœ হয়, এবং সংবিধান নিরপেক্ষতার বদলে বিভাজনের দায়ে জর্জরিত হয়।

এই রাজনৈতিক প্রবণতা তরুণ প্রজন্মের মাঝেও এক ধরনের বিকৃত দেশপ্রেম জন্ম দিচ্ছে। তারা এখন মানবিকতা নয়, বরং ‘শত্রু নির্মাণ’ ও ‘ঘৃণার চর্চা’ কেই আদর্শ মনে করছে। ধর্মীয় পরিচয়কে মুখ্য করে তারা একটি একরৈখিক, সংকীর্ণ রাষ্ট্রচিন্তায় অভ্যস্ত হয়ে উঠছে, যেখানে ভিন্নতা সহ্য করার মানসিকতা নেই। এভাবে একটি নতুন প্রজন্ম গড়ে উঠছে যারা যুক্তির বদলে উন্মাদনায় বিশ্বাসী, আর সহনশীলতার বদলে প্রতিহিংসায় উজ্জীবিত।

বাংলাদেশের যে সমাজ-রাষ্ট্র ব্যবস্থায় মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, ধর্মনিরপেক্ষতা ও গণতান্ত্রিক সহাবস্থান ছিল মূল ভিত্তি, সেখানে এই দক্ষিণপন্থী রাজনীতি এক ধরনের সাংবিধানিক বিপর্যয়ের রূপরেখা তৈরি করছে। ‘তৃতীয় পথ’ বা ‘নৈতিক রাজনীতি’-র বুলি দিয়ে এই রাজনীতি মূলত সংবিধানের মৌলিক কাঠামোকে ধ্বংস করতে চায়। একবার এই রাজনীতি রাষ্ট্রক্ষমতায় প্রবেশ করলে, তখন আর কেবল মতাদর্শের লড়াই নয়, বরং নাগরিকদের অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই শুরু হবে।

আমরা যেন ভুলে না যাই-দল মত পথ ধর্ম বর্ণনির্বিশেষে রাজনীতি একটি সামষ্টিক ব্যবস্থা। যখন ধর্মকে রাজনীতির চালচালে পরিণত করা হয়, তখন সমাজে শান্তি নয়, বরং ঘৃণাই বিকশিত হয়। উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন সহনশীলতা, পরমতসহিষ্ণুতা ও মানবিক ন্যায়বোধ। দক্ষিণপন্থা এসবের বিপরীত এক প্রবাহ-যা জাতিকে অতীতের গুহাচিন্তায় ফিরিয়ে নিতে চায়।

সুতরাং, এখনই সময় এই ধারার রাজনীতিকে সতর্ক দৃষ্টিতে দেখার, এর বিপজ্জনক ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা করার এবং রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক ও মানবিক ভিত্তিকে রক্ষা করার। ধর্মের নামে রাজনীতি নয়, সংবিধান ও মানবাধিকারের ভিত্তিতে বাংলাদেশকে এগিয়ে নেয়াই হওয়া উচিত আমাদের অঙ্গীকার। নতুবা, ভবিষ্যতের ইতিহাসে এই নীরবতা এক কলঙ্কের অধ্যায় হয়ে থাকবে।

[লেখক: সভাপতি, কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগ এলামনাই এসোসিয়েশন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়]

সামাজিক সাম্য ও রাষ্ট্রীয় দায়বদ্ধতার পুনর্নির্ধারণ

ছবি

নর্বাচনের স্বপ্ন ও স্বপ্নের নির্বাচন

সরিষার চাষে সমৃদ্ধি ও ভোজ্যতেলের নিরাপত্তা

জমি কেনার আইনি অধিকার ও বাস্তবতা

‘ঐতিহাসিক’ নির্বাচনে জামায়াত

‘মাউশি’ বিভাজন : শিক্ষা প্রশাসন সংস্কার, না অপ্রয়োজনীয় ঝুঁকি?

নির্বাচনের ফুলের বাগানে আদিবাসী ফুল কোথায়!

ডিজিটাল থেকে এআই বাংলাদেশ: অন্তর্ভুক্তির নতুন চ্যালেঞ্জ ও বৈষম্যের ঝুঁকি

ক্যানসার সেবা: বাংলাদেশ প্রেক্ষিত

বহুমুখী অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ রেখে যাচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার

রহমান ভার্সেস রহমান

যেভাবে আছেন, সেভাবে থাকবেন!

ইরান সংকটের শেষ কোথায়?

বিশ্ব রাজনীতির অস্বস্তিকর অধ্যায়

প্লাস্টিকনির্ভর জীবনযাপন ও জনস্বাস্থ্য সংকট

চক্রে চক্রে আন্ধাচক্র

‘বাংলাদেশপন্থী’ এক অস্পষ্ট ধারণা: রাষ্ট্র না মানুষ আগে

গুরু রবিদাস: সমতার বার্তা ও মানবতাবাদী শিক্ষার প্রতিধ্বনি

অপরাধ দমন না অধিকার সুরক্ষা?

ভোটের মাস, ভাষার মাস

ব্যর্থতা নৈতিক নয় কাঠামোগত: দুর্নীতি ও বাংলাদেশের সমাজবাস্তবতা

জমি ভুলে খাস হয়ে গেলে সহজে ফেরত আনবেন কীভাবে?

আমরা কি জালিয়াত জাতি?

মন্ত্রীদের জন্য বিলাসী ফ্ল্যাট

ধর্মান্ধ আর প্রতিযোগিতা: দুই সাম্প্রদায়িকের খেলা

ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বাহিনী: সমাজের নতুন ব্যাধি

ছবি

রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি ও স্বপ্নভঙ্গের বেদনা

বাড়ি ভাড়া নির্দেশিকা: ভাড়াটিয়াদের স্বার্থ সুরক্ষা নাকি দুর্ভোগের নতুন দরজা

ক্ষমতা যখন নিজেকেই তোষামোদ করে

‘খাল কেটে কুমির আনা...’

শিক্ষকতা: নৈতিক অবস্থান ও মানবিক প্রতিশ্রুতি

অধিকারহীনতার বৃত্তে আদিবাসী জীবন

স্লোগানে ফ্যাসিবাদ, ভোটের মাঠে আশির্বাদ!

ভাঙা-গড়া সমাজের আমূল পরিবর্তন আনে

শান্তির বৃত্তে বাঁধা বাঘ

শিক্ষকতা: নৈতিক অবস্থান ও মানবিক প্রতিশ্রুতি

tab

মতামত » উপ-সম্পাদকীয়

দক্ষিণপন্থার রাজনীতি: অগ্রগতি নাকি অবনমন?

ফকর উদ্দিন মানিক

সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশের রাজনীতিতে দক্ষিণপন্থার উপস্থিতি নতুন কিছু নয়, তবে আজকের বাস্তবতায় এর কৌশল, অবয়ব ও প্রভাবশক্তি নতুন করে মূল্যায়নের দাবি রাখে। দক্ষিণপন্থা এখন আর কেবল একটি মতাদর্শের নাম নয়, বরং এটি এক ধরনের সামাজিক, রাজনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক প্রকরণে রূপ নিচ্ছে-যা গণতান্ত্রিক কাঠামোর জন্য ক্রমশ হুমকি হয়ে উঠছে।

এই ধারার রাজনীতির সবচেয়ে চতুর দিক হলো-ধর্মের আবেগকে অত্যন্ত কৌশলে রাজনৈতিক ফায়দার জন্য ব্যবহার করা। ধর্মীয় মূল্যবোধকে ব্যবহার করে তারা একটি মিথ্যা নৈতিকতার আবরণ সৃষ্টি করে, যার আড়ালে চলে জনমনে বিভাজন, বিভ্রান্তি এবং উগ্রতার চাষাবাদ। যুক্তি ও বাস্তবতার বদলে আবেগ ও গুজবকে সামনে রেখে একটি বিকৃত সামাজিক চেতনা গড়ে তোলার প্রক্রিয়া চালিয়ে যাচ্ছে দক্ষিণপন্থী গোষ্ঠীগুলো।

এক সময় যারা ধর্মীয় উগ্রতাকে খোলামেলাভাবে প্রচার করত, তারা আজকাল নিজেদের উপস্থাপন করছে ভদ্রবেশে, পরিপাটি পোশাকে, ইউটিউব বা সামাজিক মাধ্যমে প্রজ্ঞাবান বক্তার মতো। অথচ ভেতরে তারা বহন করে সেই পুরনো ঘৃণা, সহিংসতা ও অসহিষ্ণুতার বিষ। এই ‘সুশীল মুখোশের’ আড়ালে কার্যত এক অশুভ রাজনৈতিক নকশা এগিয়ে নেয়া হচ্ছে-যার লক্ষ্য গণতন্ত্রকে প্রশ্নবিদ্ধ করা এবং মানবাধিকারের ভিত্তিকে দুর্বল করে তোলা।

দক্ষিণপন্থার উত্থান বাংলাদেশে একাধিকবার সংঘাত, সহিংসতা এবং সামাজিক অস্থিরতার জন্ম দিয়েছে। সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন, নারী অধিকারে বাধা, শিক্ষাঙ্গনে উগ্র মতাদর্শের বিস্তার-এসব এরই বহিঃপ্রকাশ। তারা ভিন্নমতের প্রতি শ্রদ্ধা দেখানোর বদলে, সেই মতকে ‘ষড়যন্ত্র’, ‘ধর্মবিরোধিতা’ কিংবা ‘দেশদ্রোহিতা’ বলে আখ্যা দেয়। এর ফলে তৈরি হয় এক ভীতিকর ও দমনমূলক রাজনৈতিক সংস্কৃতি, যেখানে স্বাধীন চিন্তা ও মতপ্রকাশের সুযোগ ক্রমেই সংকুচিত হয়ে পড়ে।

আরও উদ্বেগের বিষয় হলো, এই ধারার রাজনীতি রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভগুলোকেও প্রভাবিত করতে চায়। বিচার বিভাগ, সংবাদমাধ্যম, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান-কোনো কিছুই তাদের লক্ষ্য থেকে বাদ যাচ্ছে না। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রযন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যক্রমকে তারা সন্দেহপ্রবণতা, অসহিষ্ণুতা এবং ‘আমরাই দেশ’ ধরনের মনোভাব দিয়ে নিয়ন্ত্রণে আনতে চায়। ফলত, রাষ্ট্র ক্রমশ এমন এক পথে হাঁটে, যেখানে ব্যক্তি স্বাধীনতা ক্ষুণœ হয়, এবং সংবিধান নিরপেক্ষতার বদলে বিভাজনের দায়ে জর্জরিত হয়।

এই রাজনৈতিক প্রবণতা তরুণ প্রজন্মের মাঝেও এক ধরনের বিকৃত দেশপ্রেম জন্ম দিচ্ছে। তারা এখন মানবিকতা নয়, বরং ‘শত্রু নির্মাণ’ ও ‘ঘৃণার চর্চা’ কেই আদর্শ মনে করছে। ধর্মীয় পরিচয়কে মুখ্য করে তারা একটি একরৈখিক, সংকীর্ণ রাষ্ট্রচিন্তায় অভ্যস্ত হয়ে উঠছে, যেখানে ভিন্নতা সহ্য করার মানসিকতা নেই। এভাবে একটি নতুন প্রজন্ম গড়ে উঠছে যারা যুক্তির বদলে উন্মাদনায় বিশ্বাসী, আর সহনশীলতার বদলে প্রতিহিংসায় উজ্জীবিত।

বাংলাদেশের যে সমাজ-রাষ্ট্র ব্যবস্থায় মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, ধর্মনিরপেক্ষতা ও গণতান্ত্রিক সহাবস্থান ছিল মূল ভিত্তি, সেখানে এই দক্ষিণপন্থী রাজনীতি এক ধরনের সাংবিধানিক বিপর্যয়ের রূপরেখা তৈরি করছে। ‘তৃতীয় পথ’ বা ‘নৈতিক রাজনীতি’-র বুলি দিয়ে এই রাজনীতি মূলত সংবিধানের মৌলিক কাঠামোকে ধ্বংস করতে চায়। একবার এই রাজনীতি রাষ্ট্রক্ষমতায় প্রবেশ করলে, তখন আর কেবল মতাদর্শের লড়াই নয়, বরং নাগরিকদের অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই শুরু হবে।

আমরা যেন ভুলে না যাই-দল মত পথ ধর্ম বর্ণনির্বিশেষে রাজনীতি একটি সামষ্টিক ব্যবস্থা। যখন ধর্মকে রাজনীতির চালচালে পরিণত করা হয়, তখন সমাজে শান্তি নয়, বরং ঘৃণাই বিকশিত হয়। উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন সহনশীলতা, পরমতসহিষ্ণুতা ও মানবিক ন্যায়বোধ। দক্ষিণপন্থা এসবের বিপরীত এক প্রবাহ-যা জাতিকে অতীতের গুহাচিন্তায় ফিরিয়ে নিতে চায়।

সুতরাং, এখনই সময় এই ধারার রাজনীতিকে সতর্ক দৃষ্টিতে দেখার, এর বিপজ্জনক ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা করার এবং রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক ও মানবিক ভিত্তিকে রক্ষা করার। ধর্মের নামে রাজনীতি নয়, সংবিধান ও মানবাধিকারের ভিত্তিতে বাংলাদেশকে এগিয়ে নেয়াই হওয়া উচিত আমাদের অঙ্গীকার। নতুবা, ভবিষ্যতের ইতিহাসে এই নীরবতা এক কলঙ্কের অধ্যায় হয়ে থাকবে।

[লেখক: সভাপতি, কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগ এলামনাই এসোসিয়েশন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়]

back to top