alt

মতামত » উপ-সম্পাদকীয়

‘ভোট দিছি ভাই, ছিল দিছি...’

জাঁ-নেসার ওসমান

: বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

‘হেঁ হেঁ ভোট দিছি ভাই ছিল দিছি!’

‘একিরে! এ আবার কী কথা, “ভোট দিছি ভাই, ছিল দিছি”। ভোট দিয়েছিস, ভালোকথা, কিন্তু ছিল দিছি! মানে, কী বলতে চাস, তুই আবার কাকে বোকা বানিয়ে টাকা কামালি, ক্যান্ডিডেটের কাছ থেকে টাকা নিয়েছিস? মানে কোন প্রার্থীকে আবার ছিল দিলি?’

‘হেঁ হেঁ আপনে যে কী কন? এই ছিল তো সেই ছিল নয়, এইডা হোইলো রাবার স্ট্যাম্পে কালি লাগায়া, ব্যালট পেপারে ছিল দিছি।’

পেরথমে কেন্দ্রে গেলাম। ব্যালট পেপারে ভুট দিলাম। তারপর যখন কেন্দ্র থ্যেইক্কা বাহির হমু তখন প্রিসাইডিং অফিসার আমারে কয়, কী রে ভাই, ভুট তো দিলেন, এইবার ছিল দিবেন না?’ আমি কোই কিয়ের ছিল? হ্যায় কয়, ‘হ্যাঁ-না’-এর, ছিল। তখন আমি কোইলাম, ভুট তো দিছি আবার ‘হ্যাঁ-না’-এর ছিল এইডা আবার কিডা! জীবনে তো শুনি নাই, ভুট দেওনের পর আবার ছিল দেওন লাগপে!’

‘ও মানে তুই বলতে চাস যে, তুই ব্যালট পেপারে সিল দিয়েছিস, অর্থাৎ ব্যালট পেপারে সিলমোহর মেরেছিস?’

‘হ হ, মিয়া ভাই আমি ব্যালট পেপারে ছিল দিছি, আমি কুনো ক্যান্ডিডেটের কাছ থেকে টাকা নেই নাই।’

‘তুই যদি কেবল সিল দিস, তাহলে সেটাকে ছিল বলছিস ক্যেনো, বলবি সিল দিয়েছি।’

‘ওই হোইলো ছিল দিছি ভাই, ছিল দিছি।’

‘আচ্ছা তুই ভোট দিয়েছিস, নির্বাচনে তোর পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়েছিস, সেটা বুঝলাম। কিন্তু “ভোট দিছি ভাই, ছিল দিছি” বুঝলাম না। ভোট তো দিলি কিন্তু সিল দিয়েছিস সেটা কী?’

‘এ্যাঁ, কুচি খুকা, “ভোট দিছি ভাই, ছিল দিছি” এই কথাটা না বুঝার কী আছে! পেরথমে কেন্দ্রে গেলাম। ব্যালট পেপারে ভুট দিলাম। তারপর যখন কেন্দ্র থ্যেইক্কা বাহির হমু তখন প্রিজাইডিং অফিসার আমারে কয়, কি রে ভাই, ভুট তো দিলেন, এইবার ছিল দিবেন না?’ আমি কোই কিয়ের ছিল? হ্যায় কয়, ‘হ্যাঁ-না’এর, ছিল। তখন আমি কোইলাম, ভুট তো দিছি আবার ‘হ্যাঁ-না’-এর ছিল এইডা আবার কিডা! জীবনে তো শুনি নাই, ভুট দেওনের পর আবার ছিল দেওন লাগপে!’

‘ও হরি, ও রাম, তুই গণভোটের কথা বলছিস!’

‘ঘন ডাইলের মতুন ঘন ভুট না পাৎলা ভুট হ্যেইডা তো বুঝি নাই...’

‘ধুর পাগলা এটা ঘন বা পাৎলা নয় এটা হচ্ছে জনগণের ইচ্ছার প্রকাশ, গণভোট।’

‘জি’অয়, আমারে কোইলো, ভুটতো দিছেন, এবার ‘হ্যাঁ-না, তে ছিল মারেন। ব্যাস লগে লগে, আবার বুথে ঢুইক্কা ‘হ্যাঁ-না’-এর, দুইটাতেই ছিল মারছি।’

‘মানে কী, হ্যাঁ’তেও সিল মেরেছিস আবার না’তেও সিল দিয়েছিস?’

‘হয়, প্রিসাইডিং অফিসার আমারে কোইলো যান ‘হ্যাঁ-না-তে’ ছিল মারেন। আমিও বুথে যায়া,‘হ্যাঁ-না’ দুই টাতেই ছিল দিছি।’

‘কোরেছিস কী! ‘হ্যাঁ-না’ দুই টাতেই সিল দিয়েছিস।’ তোর তো তাহলে পুরো ভোটটাই বাতিল হবে রে!’

‘আরে কোয়েন না, বুথের ভেতরে যায়া দেখি, গোলাপি রংয়ের ব্যালট পেপারের মাথায় লেখা দেশ থ্যেইক্কা দুর্নীতি, ঘুষ খাওয়া সুদ খাওয়া সব বন্ধ করার জইন্য হ্যাঁ ভুট দেন। লগে লগে মহাবিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের কথা মনে পড়লো।’

‘ভোটের বুথে বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম! নারে আমার মাথায় কুলাচ্ছে না!’

‘ক্যা, আপনের মাথায় কুলায়বো না ক্যান? আপনে না ঢাকা-বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলায় অর্নাস, আপনে ক্যেন মহাবিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের কথা বুঝবেন না! হুনেন মহাবিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম তার কবিতায় লিখছিল, “টেকো বলে, টাক ভালো হয়, আমার তেল লাগাও মাথে... মানে যেই ব্যাটা কয় যে, হ্যার তেল মাখলে টাক ভালোহয় মানে চুল গজায়, ওই হালার নিজের মাথায় চুল নাই, হালায় টাক্কু।’

‘তো তোর নির্বাচনে কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবিতার সাথে সম্পর্ক কী?’

‘সিম্পেল, টেকো বলে টাক ভালো হয়, আমার তেল লাগাও মাথে, তেমনি আমাগো হ্যাঁ-না ভুটের মুড়ি মইধ্যে হ্যারা কয় সুদ খাওয়া থামাইবো! হি: হি: বুইচেন নি কা-!”

‘থাক ভাই তোর কা- আমার বোঝার দরকার নেই, তবে তোর কি মনে হয় এবারের ভোটে কে জিতবে?’

‘ভবিষ্যদ্বাণী তো করা পারুম না, তয় আপনের কয়া দেই, এইবার জেন-জি’র, ঠ্যেলায়, ‘বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট পার্টি’ জিতবে। কারণ সব তরুণ-তরুণীরা, আমেরিকার মার্টিন লুথার কিং, জুনিয়ারের মতুন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের পুত্র জুনিয়র জিয়াউর রহমান মানে তারেক জিয়ার নেতৃত্ব ব্যেবাগতে মাইন্না নিবে।’

‘তুই কি মোটামুটি নিশ্চিত?’

‘ভাই বুঝেন না, মর্নিং শো’ ওস দ্য, ডে। তয় যদি বাংলাদেশের আবহাওয়া বিভাগের মতুন কলিকাতার আবহাওয়া অফিসের রিপোর্টের ওপর নির্ভর করে, তায়লে আমার প্রেডিকশান, মানে আমার ধারণা, উল্টাইতেও পারে। তয় চট্ কোইরা কিছু ওলোট-পালট হোইবো না, শীতকালে ঝড়বৃষ্টি নাই। আবহাওয়া শান্ত।’

‘ঠিক আছে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে দেখি তোর শান্ত পরিবেশে ভোটের ফলাফল কী হয়?”

[লেখক: চলচ্চিত্রকার]

অনেকগুলো চ্যালেঞ্জ নিতে হবে নতুন সরকারকে

সবুজ অর্থনীতির পথে বাংলাদেশ: সম্ভাবনা, সংকট ও করণীয়

গণতন্ত্র: একটি দার্শনিক জিজ্ঞাসা

নির্বাচনে প্রতিশ্রুতি ও বাস্তবতার ব্যবধান

ক্ষমতার অক্টোপাস: রাষ্ট্র দখল ও আমজনতার নাভিশ্বাস

কার হাতে উঠবে শাসনের রাজদণ্ড

নির্বাচন ও সাধারণ ভোটারের ‘অসাধারণ’ সামাজিক চাপ

মানুষের মাঝেই স্বর্গ-নরক

মহাকাশের ভূত ডার্ক ম্যাটার ও ডার্ক এনার্জি

নির্বাচনী হাওয়ার ভেতরে করুণ মৃত্যুর সংবাদ

দেশকে বধিবে যে গোকুলে বেড়েছে সে!

দক্ষিণপন্থার রাজনীতি: অগ্রগতি নাকি অবনমন?

সামাজিক সাম্য ও রাষ্ট্রীয় দায়বদ্ধতার পুনর্নির্ধারণ

ছবি

নির্বাচনের স্বপ্ন ও স্বপ্নের নির্বাচন

সরিষার চাষে সমৃদ্ধি ও ভোজ্যতেলের নিরাপত্তা

জমি কেনার আইনি অধিকার ও বাস্তবতা

‘ঐতিহাসিক’ নির্বাচনে জামায়াত

‘মাউশি’ বিভাজন : শিক্ষা প্রশাসন সংস্কার, না অপ্রয়োজনীয় ঝুঁকি?

নির্বাচনের ফুলের বাগানে আদিবাসী ফুল কোথায়!

ডিজিটাল থেকে এআই বাংলাদেশ: অন্তর্ভুক্তির নতুন চ্যালেঞ্জ ও বৈষম্যের ঝুঁকি

ক্যানসার সেবা: বাংলাদেশ প্রেক্ষিত

বহুমুখী অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ রেখে যাচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার

রহমান ভার্সেস রহমান

যেভাবে আছেন, সেভাবে থাকবেন!

ইরান সংকটের শেষ কোথায়?

বিশ্ব রাজনীতির অস্বস্তিকর অধ্যায়

প্লাস্টিকনির্ভর জীবনযাপন ও জনস্বাস্থ্য সংকট

চক্রে চক্রে আন্ধাচক্র

‘বাংলাদেশপন্থী’ এক অস্পষ্ট ধারণা: রাষ্ট্র না মানুষ আগে

গুরু রবিদাস: সমতার বার্তা ও মানবতাবাদী শিক্ষার প্রতিধ্বনি

অপরাধ দমন না অধিকার সুরক্ষা?

ভোটের মাস, ভাষার মাস

ব্যর্থতা নৈতিক নয় কাঠামোগত: দুর্নীতি ও বাংলাদেশের সমাজবাস্তবতা

জমি ভুলে খাস হয়ে গেলে সহজে ফেরত আনবেন কীভাবে?

আমরা কি জালিয়াত জাতি?

মন্ত্রীদের জন্য বিলাসী ফ্ল্যাট

tab

মতামত » উপ-সম্পাদকীয়

‘ভোট দিছি ভাই, ছিল দিছি...’

জাঁ-নেসার ওসমান

বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

‘হেঁ হেঁ ভোট দিছি ভাই ছিল দিছি!’

‘একিরে! এ আবার কী কথা, “ভোট দিছি ভাই, ছিল দিছি”। ভোট দিয়েছিস, ভালোকথা, কিন্তু ছিল দিছি! মানে, কী বলতে চাস, তুই আবার কাকে বোকা বানিয়ে টাকা কামালি, ক্যান্ডিডেটের কাছ থেকে টাকা নিয়েছিস? মানে কোন প্রার্থীকে আবার ছিল দিলি?’

‘হেঁ হেঁ আপনে যে কী কন? এই ছিল তো সেই ছিল নয়, এইডা হোইলো রাবার স্ট্যাম্পে কালি লাগায়া, ব্যালট পেপারে ছিল দিছি।’

পেরথমে কেন্দ্রে গেলাম। ব্যালট পেপারে ভুট দিলাম। তারপর যখন কেন্দ্র থ্যেইক্কা বাহির হমু তখন প্রিসাইডিং অফিসার আমারে কয়, কী রে ভাই, ভুট তো দিলেন, এইবার ছিল দিবেন না?’ আমি কোই কিয়ের ছিল? হ্যায় কয়, ‘হ্যাঁ-না’-এর, ছিল। তখন আমি কোইলাম, ভুট তো দিছি আবার ‘হ্যাঁ-না’-এর ছিল এইডা আবার কিডা! জীবনে তো শুনি নাই, ভুট দেওনের পর আবার ছিল দেওন লাগপে!’

‘ও মানে তুই বলতে চাস যে, তুই ব্যালট পেপারে সিল দিয়েছিস, অর্থাৎ ব্যালট পেপারে সিলমোহর মেরেছিস?’

‘হ হ, মিয়া ভাই আমি ব্যালট পেপারে ছিল দিছি, আমি কুনো ক্যান্ডিডেটের কাছ থেকে টাকা নেই নাই।’

‘তুই যদি কেবল সিল দিস, তাহলে সেটাকে ছিল বলছিস ক্যেনো, বলবি সিল দিয়েছি।’

‘ওই হোইলো ছিল দিছি ভাই, ছিল দিছি।’

‘আচ্ছা তুই ভোট দিয়েছিস, নির্বাচনে তোর পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়েছিস, সেটা বুঝলাম। কিন্তু “ভোট দিছি ভাই, ছিল দিছি” বুঝলাম না। ভোট তো দিলি কিন্তু সিল দিয়েছিস সেটা কী?’

‘এ্যাঁ, কুচি খুকা, “ভোট দিছি ভাই, ছিল দিছি” এই কথাটা না বুঝার কী আছে! পেরথমে কেন্দ্রে গেলাম। ব্যালট পেপারে ভুট দিলাম। তারপর যখন কেন্দ্র থ্যেইক্কা বাহির হমু তখন প্রিজাইডিং অফিসার আমারে কয়, কি রে ভাই, ভুট তো দিলেন, এইবার ছিল দিবেন না?’ আমি কোই কিয়ের ছিল? হ্যায় কয়, ‘হ্যাঁ-না’এর, ছিল। তখন আমি কোইলাম, ভুট তো দিছি আবার ‘হ্যাঁ-না’-এর ছিল এইডা আবার কিডা! জীবনে তো শুনি নাই, ভুট দেওনের পর আবার ছিল দেওন লাগপে!’

‘ও হরি, ও রাম, তুই গণভোটের কথা বলছিস!’

‘ঘন ডাইলের মতুন ঘন ভুট না পাৎলা ভুট হ্যেইডা তো বুঝি নাই...’

‘ধুর পাগলা এটা ঘন বা পাৎলা নয় এটা হচ্ছে জনগণের ইচ্ছার প্রকাশ, গণভোট।’

‘জি’অয়, আমারে কোইলো, ভুটতো দিছেন, এবার ‘হ্যাঁ-না, তে ছিল মারেন। ব্যাস লগে লগে, আবার বুথে ঢুইক্কা ‘হ্যাঁ-না’-এর, দুইটাতেই ছিল মারছি।’

‘মানে কী, হ্যাঁ’তেও সিল মেরেছিস আবার না’তেও সিল দিয়েছিস?’

‘হয়, প্রিসাইডিং অফিসার আমারে কোইলো যান ‘হ্যাঁ-না-তে’ ছিল মারেন। আমিও বুথে যায়া,‘হ্যাঁ-না’ দুই টাতেই ছিল দিছি।’

‘কোরেছিস কী! ‘হ্যাঁ-না’ দুই টাতেই সিল দিয়েছিস।’ তোর তো তাহলে পুরো ভোটটাই বাতিল হবে রে!’

‘আরে কোয়েন না, বুথের ভেতরে যায়া দেখি, গোলাপি রংয়ের ব্যালট পেপারের মাথায় লেখা দেশ থ্যেইক্কা দুর্নীতি, ঘুষ খাওয়া সুদ খাওয়া সব বন্ধ করার জইন্য হ্যাঁ ভুট দেন। লগে লগে মহাবিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের কথা মনে পড়লো।’

‘ভোটের বুথে বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম! নারে আমার মাথায় কুলাচ্ছে না!’

‘ক্যা, আপনের মাথায় কুলায়বো না ক্যান? আপনে না ঢাকা-বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলায় অর্নাস, আপনে ক্যেন মহাবিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের কথা বুঝবেন না! হুনেন মহাবিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম তার কবিতায় লিখছিল, “টেকো বলে, টাক ভালো হয়, আমার তেল লাগাও মাথে... মানে যেই ব্যাটা কয় যে, হ্যার তেল মাখলে টাক ভালোহয় মানে চুল গজায়, ওই হালার নিজের মাথায় চুল নাই, হালায় টাক্কু।’

‘তো তোর নির্বাচনে কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবিতার সাথে সম্পর্ক কী?’

‘সিম্পেল, টেকো বলে টাক ভালো হয়, আমার তেল লাগাও মাথে, তেমনি আমাগো হ্যাঁ-না ভুটের মুড়ি মইধ্যে হ্যারা কয় সুদ খাওয়া থামাইবো! হি: হি: বুইচেন নি কা-!”

‘থাক ভাই তোর কা- আমার বোঝার দরকার নেই, তবে তোর কি মনে হয় এবারের ভোটে কে জিতবে?’

‘ভবিষ্যদ্বাণী তো করা পারুম না, তয় আপনের কয়া দেই, এইবার জেন-জি’র, ঠ্যেলায়, ‘বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট পার্টি’ জিতবে। কারণ সব তরুণ-তরুণীরা, আমেরিকার মার্টিন লুথার কিং, জুনিয়ারের মতুন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের পুত্র জুনিয়র জিয়াউর রহমান মানে তারেক জিয়ার নেতৃত্ব ব্যেবাগতে মাইন্না নিবে।’

‘তুই কি মোটামুটি নিশ্চিত?’

‘ভাই বুঝেন না, মর্নিং শো’ ওস দ্য, ডে। তয় যদি বাংলাদেশের আবহাওয়া বিভাগের মতুন কলিকাতার আবহাওয়া অফিসের রিপোর্টের ওপর নির্ভর করে, তায়লে আমার প্রেডিকশান, মানে আমার ধারণা, উল্টাইতেও পারে। তয় চট্ কোইরা কিছু ওলোট-পালট হোইবো না, শীতকালে ঝড়বৃষ্টি নাই। আবহাওয়া শান্ত।’

‘ঠিক আছে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে দেখি তোর শান্ত পরিবেশে ভোটের ফলাফল কী হয়?”

[লেখক: চলচ্চিত্রকার]

back to top