শঙ্কর প্রসাদ দে
১৯৭৪ সালে বাবা নিয়ে গেলেন আগ্রাবাদের জাতিতাত্ত্বিক জাদুঘরে। এখানটায় চাঁদের এক টুকরো মাটি দেখে থমকে দাঁড়ালাম। দেখতে অনেকটাই পাথরের মতো। বাবাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, দেখতে পৃথিবীর মাটির মতো কেন? উত্তরে বলেছিলেন, আনুমানিক ৪৫১ কোটি বছর আগে থিয়া নামক একটি গ্রহ কক্ষচ্যুত হয়ে পৃথিবীকে প্রচণ্ড গতিতে আঘাত করলে থিয়া নিজে ধ্বংস হয়ে যায়। অতঃপর নিজের ভগ্নাংশ ও পৃথিবীর বড় একটি অংশ নিয়ে মহাশূন্যে নিক্ষিপ্ত হয়। পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণও লক্ষ লক্ষ বছর ঘুরতে গিয়ে বর্তমান আকার ধারণ করে। চন্দ্র সৃষ্টির আরো ৩টি তত্ত্বের মধ্যে এটি বেশি গ্রহণযোগ্য। শীতের এক সকালে হাজির হলাম ওয়াশিংটনের নাসা মিউজিয়ামে। ঢুকতেই ডিসপ্লেতে দেয়া আছে স্পেস স্যুট। লেখা আছে চন্দ্রপৃষ্ঠে এই স্যুট পড়েই নীল আর্মস্ট্রং পদার্পণ করেছিলেন। শিহরিত হলাম, ফিরে গেলাম সত্তর দশকব্যাপী ঠাণ্ডা লড়াইয়ের দিনগুলোতে। মহাশূন্যে মানুষ পাঠিয়ে সোভিয়েত ইউনিয়ন চমকে দিয়েছিল গোটা পৃথিবীকে।
প্রতিদ্বন্দ্বীর এই সাফল্যে আমেরিকানরা মুষড়ে পড়ল। প্রেসিডেন্ট কেনেডী বিজ্ঞানীদের হুকুম দিলেন, যত টাকাই লাগুক, এই দশকের মধ্যে চাঁদে যেতে চাই, শুরু হল বলে কথা। গ্রীক দেবতা আর্টিমিসের যমজ ভাই এপোলোর নামে শুরু চন্দ্রমিশন এপোলো। এপোলে ১ থেকে ৩ পর্যন্ত পরীক্ষা করা হল লোয়ার অরবিটালে, সাব অরবিটালে (কমাণ্ড এবং সার্ভিস মডিউল) পরীক্ষা, এপোলো ৪ থেকে ১০ হল রকেট স্যাটার্ন, মানববিহীন লুনার মডিউল, কমাণ্ড মডিউলের হিট শিল্ড কার্যকারিতা, পৃথিবীর কক্ষপথে মনুষ্যবাহী ফ্লাইট, চাঁদের কক্ষপথে মনুষ্যবাহী ফ্লাইট, পৃথিবীর কক্ষপথ থেকে চন্দ্র কক্ষপথে উলম্ফন, চন্দ্রপৃষ্ঠে অবতরণের সফল মহড়া, এর পর এলো ঐতিহাসিক ২০ জুলাই ১৯৬৯। এপোলো ১১ ল্যান্ডিং করার সঙ্গে সঙ্গে নেমে এলেন নীল আর্মস্ট্রং। বলে উঠলেন “That’s one small step for a man, one giant leap for mankind”. ১৩ তম এপোলো মিশনটি মাঝপথেই ৩ জন নভোচারীসহ ধ্বংস হতে চলেছিল। বিজ্ঞানীদের তাৎক্ষণিক ব্যবস্থাপনায় চাঁদে যেতে না পারলেও ৩ নভোচারীকে নিয়ে নিরাপদে পৃথিবীতে ফিরে আসতে সক্ষম হয়। এজন্য এপোলো ১৩ কে বলা হয় ব্যর্থতার সফল অভিযান। এপোলো ১২, ১৪, ১৫, ১৬, ১৭ তে করে ১০ জনসহ মোট ১২ জন নভোচারী ১৯৭২ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত চাঁদের মাটিতে পা রেখেছে। এর পরের অর্ধশতাব্দী মানুষ চাঁদ নিয়ে খুব ভাবেনি। চাঁদ নিয়ে কবিতা লিখেছে। চাঁদের বুড়ির গল্প ফেঁদেছে। থ্রিলার মুভি দেখে বাচ্চারা চাঁদের কল্পিত চিত্র আঁকতে আঁকতে ঘুমিয়ে পড়ে। প্রশ্ন দেখা দিয়েছে চীন ও আমেরিকা হঠাৎ করে আবার চাঁদে ঘরবাড়ি বানানোর জন্য উঠে পড়ে লাগল কেন? গত অর্ধশতক তথ্য প্রযুক্তির দ্রুততম বিকাশের সঙ্গে মহাকাশে পাঠানো হচ্ছে ডজন ডজন কৃত্রিম উপগ্রহ।
এখন তো রীতিমতো পৃথিবীর কক্ষপথে স্যাটেলাইট জ্যামের সৃষ্টি হয়েছে। এইসব কৃত্রিম উপগ্রহের পরিবর্তে প্রাকৃতিক উপগ্রহ চাঁদে স্টেশন বসানো যেতে পারে। এখন শত শত স্যাটেলাইটের ক্যামেরাগুলোর তদারকিতে আছে গোটা বিশ্ব। এই স্যাটেলাইটগুলো সিগনাল রিসিভ ও ডেলিভারি দিয়ে গোটা পৃথিবীতে জনজীবনকে করে তুলেছে সহজ ও সাচ্ছন্দময়। এখন থেকে যদি ইন্টারনেট, ফিকোয়েন্সিসহ তথ্য প্রযুক্তি-সংক্রান্ত সমস্ত যন্ত্রপাতি চাঁদে স্থাপন করা হয় তবে কয়েক শত বছরের জন্য সমস্যার স্থায়ী সমাধান হয়ে যাবে।
দ্বিতীয় কারণটি হলো ভূ-পৃষ্ঠ থেকে টেলিস্কোপগুলো ব্রহ্মা- দেখতে গিয়ে বায়ুমণ্ডল আচ্ছাদনের জন্য শতভাগ পরিষ্কার দেখতে পায় না। পানির নিচ থেকে উপরের জিনিস পরিষ্কার দেখা যায়। পানির নিচ থেকে উপরের জিনিস আপনি দেখতে পাবেন তবে দেখবেন ঝাপসা। বিজ্ঞানীরা ভাবছেন টেলিস্কোপগুলোকে চাঁদে বসানো গেলে ব্রহ্মা- দেখা যাবে শতগুণ ষ্পষ্টতায়। তৃতীয় কারণটি হলো, পৃথিবী থেকে রকেটগুলোকে পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তিকে পরাস্ত করে পৃথিবীর সীমা পেরুতে হয়। যদি চাঁদ থেকে রকেট উৎক্ষেপণ করা হয় তবে ব্যয় যেমন কমে আসবে তেমনি প্রযুক্তি সক্ষমতা হবে অনেক সহজ ও বাড়বে দক্ষতা। চাঁদ থেকে সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্প নিয়ে আরেকদিন লিখব। ২য় পর্যায়ের চাঁদমুখী অভিযানে রাশিয়ার চেয়ে এগিয়ে আছে চীন ও আমেরিকার নাসা।
এবার নাসা অনেক উদার। বাংলাদেশসহ ৬১টি দেশকে আর্টিমিস মিশনের সঙ্গে যুক্ত করেছে। ইতোমধ্যে ২০২২ সালের ১৬ নভেম্বর ওরিয়ন মহাকাশযানটি উৎক্ষেপণ করে বোঝার চেষ্টা করা হয়েছে, এই মহাকাশযানটি ব্যবহার করে চাঁদে যাওয়া যাবে কি না? অভিযানটির নাম দেয়া হয়েছে ‘আর্টিমিস’। মার্চ মাসের ১ম সপ্তাহে ওই ওরিয়ন রকেটে করে ১ জন মহিলাসহ ৪ জন নভোচারী আর্টিমিস-২ তে চড়ে চাঁদে ঘুরে আসবে, তবে চাঁদে ল্যান্ড করবে না। ভালোয় ভালোয় ফিরে এলে শুরু হবে ওরিয়ন রকেটে করে ৪ নভোচারীর আর্টিমিস-৩ চন্দ্রাভিযান। ধারণা করা হচ্ছে ২০২৭ সালের যে কোন সময় আর্টিমিস-৩, ১ মহিলাসহ ৪ নভোচারী নিয়ে পৌঁছে যাবে চাঁদে। লুনার ও কমাণ্ড মডিউল ঠাঁই দাড়িয়ে থাকবে ১ সপ্তাহ। সপ্তাহ ধরে ১ নারীসহ ২ নভোচারী তন্ন তন্ন করে খুঁজে দেখবে, শেষতক চাঁদে মনুষ্য বসতি সম্ভব কিনা? চন্দ্রপৃষ্ঠ থেকে মঙ্গলে অভিযান কত তাড়াতাড়ি সম্ভব হবে। চাঁদে মনুষ্য বসতি কত তাড়াতাড়ি গড়ে তোলা যাবে। এসব ছাড়াও আরো কতো বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা নিরীক্ষা।।
[লেখক: আইনজীবী, আপিল বিভাগ]
ইপেপার
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
নগর-মহানগর
খেলা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
শিক্ষা
অর্থ-বাণিজ্য
সংস্কৃতি
ক্যাম্পাস
মিডিয়া
অপরাধ ও দুর্নীতি
রাজনীতি
শোক ও স্মরন
প্রবাস
নারীর প্রতি সহিংসতা
বিনোদন
সম্পাদকীয়
উপ-সম্পাদকীয়
মুক্ত আলোচনা
চিঠিপত্র
পাঠকের চিঠি
শঙ্কর প্রসাদ দে
শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
১৯৭৪ সালে বাবা নিয়ে গেলেন আগ্রাবাদের জাতিতাত্ত্বিক জাদুঘরে। এখানটায় চাঁদের এক টুকরো মাটি দেখে থমকে দাঁড়ালাম। দেখতে অনেকটাই পাথরের মতো। বাবাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, দেখতে পৃথিবীর মাটির মতো কেন? উত্তরে বলেছিলেন, আনুমানিক ৪৫১ কোটি বছর আগে থিয়া নামক একটি গ্রহ কক্ষচ্যুত হয়ে পৃথিবীকে প্রচণ্ড গতিতে আঘাত করলে থিয়া নিজে ধ্বংস হয়ে যায়। অতঃপর নিজের ভগ্নাংশ ও পৃথিবীর বড় একটি অংশ নিয়ে মহাশূন্যে নিক্ষিপ্ত হয়। পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণও লক্ষ লক্ষ বছর ঘুরতে গিয়ে বর্তমান আকার ধারণ করে। চন্দ্র সৃষ্টির আরো ৩টি তত্ত্বের মধ্যে এটি বেশি গ্রহণযোগ্য। শীতের এক সকালে হাজির হলাম ওয়াশিংটনের নাসা মিউজিয়ামে। ঢুকতেই ডিসপ্লেতে দেয়া আছে স্পেস স্যুট। লেখা আছে চন্দ্রপৃষ্ঠে এই স্যুট পড়েই নীল আর্মস্ট্রং পদার্পণ করেছিলেন। শিহরিত হলাম, ফিরে গেলাম সত্তর দশকব্যাপী ঠাণ্ডা লড়াইয়ের দিনগুলোতে। মহাশূন্যে মানুষ পাঠিয়ে সোভিয়েত ইউনিয়ন চমকে দিয়েছিল গোটা পৃথিবীকে।
প্রতিদ্বন্দ্বীর এই সাফল্যে আমেরিকানরা মুষড়ে পড়ল। প্রেসিডেন্ট কেনেডী বিজ্ঞানীদের হুকুম দিলেন, যত টাকাই লাগুক, এই দশকের মধ্যে চাঁদে যেতে চাই, শুরু হল বলে কথা। গ্রীক দেবতা আর্টিমিসের যমজ ভাই এপোলোর নামে শুরু চন্দ্রমিশন এপোলো। এপোলে ১ থেকে ৩ পর্যন্ত পরীক্ষা করা হল লোয়ার অরবিটালে, সাব অরবিটালে (কমাণ্ড এবং সার্ভিস মডিউল) পরীক্ষা, এপোলো ৪ থেকে ১০ হল রকেট স্যাটার্ন, মানববিহীন লুনার মডিউল, কমাণ্ড মডিউলের হিট শিল্ড কার্যকারিতা, পৃথিবীর কক্ষপথে মনুষ্যবাহী ফ্লাইট, চাঁদের কক্ষপথে মনুষ্যবাহী ফ্লাইট, পৃথিবীর কক্ষপথ থেকে চন্দ্র কক্ষপথে উলম্ফন, চন্দ্রপৃষ্ঠে অবতরণের সফল মহড়া, এর পর এলো ঐতিহাসিক ২০ জুলাই ১৯৬৯। এপোলো ১১ ল্যান্ডিং করার সঙ্গে সঙ্গে নেমে এলেন নীল আর্মস্ট্রং। বলে উঠলেন “That’s one small step for a man, one giant leap for mankind”. ১৩ তম এপোলো মিশনটি মাঝপথেই ৩ জন নভোচারীসহ ধ্বংস হতে চলেছিল। বিজ্ঞানীদের তাৎক্ষণিক ব্যবস্থাপনায় চাঁদে যেতে না পারলেও ৩ নভোচারীকে নিয়ে নিরাপদে পৃথিবীতে ফিরে আসতে সক্ষম হয়। এজন্য এপোলো ১৩ কে বলা হয় ব্যর্থতার সফল অভিযান। এপোলো ১২, ১৪, ১৫, ১৬, ১৭ তে করে ১০ জনসহ মোট ১২ জন নভোচারী ১৯৭২ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত চাঁদের মাটিতে পা রেখেছে। এর পরের অর্ধশতাব্দী মানুষ চাঁদ নিয়ে খুব ভাবেনি। চাঁদ নিয়ে কবিতা লিখেছে। চাঁদের বুড়ির গল্প ফেঁদেছে। থ্রিলার মুভি দেখে বাচ্চারা চাঁদের কল্পিত চিত্র আঁকতে আঁকতে ঘুমিয়ে পড়ে। প্রশ্ন দেখা দিয়েছে চীন ও আমেরিকা হঠাৎ করে আবার চাঁদে ঘরবাড়ি বানানোর জন্য উঠে পড়ে লাগল কেন? গত অর্ধশতক তথ্য প্রযুক্তির দ্রুততম বিকাশের সঙ্গে মহাকাশে পাঠানো হচ্ছে ডজন ডজন কৃত্রিম উপগ্রহ।
এখন তো রীতিমতো পৃথিবীর কক্ষপথে স্যাটেলাইট জ্যামের সৃষ্টি হয়েছে। এইসব কৃত্রিম উপগ্রহের পরিবর্তে প্রাকৃতিক উপগ্রহ চাঁদে স্টেশন বসানো যেতে পারে। এখন শত শত স্যাটেলাইটের ক্যামেরাগুলোর তদারকিতে আছে গোটা বিশ্ব। এই স্যাটেলাইটগুলো সিগনাল রিসিভ ও ডেলিভারি দিয়ে গোটা পৃথিবীতে জনজীবনকে করে তুলেছে সহজ ও সাচ্ছন্দময়। এখন থেকে যদি ইন্টারনেট, ফিকোয়েন্সিসহ তথ্য প্রযুক্তি-সংক্রান্ত সমস্ত যন্ত্রপাতি চাঁদে স্থাপন করা হয় তবে কয়েক শত বছরের জন্য সমস্যার স্থায়ী সমাধান হয়ে যাবে।
দ্বিতীয় কারণটি হলো ভূ-পৃষ্ঠ থেকে টেলিস্কোপগুলো ব্রহ্মা- দেখতে গিয়ে বায়ুমণ্ডল আচ্ছাদনের জন্য শতভাগ পরিষ্কার দেখতে পায় না। পানির নিচ থেকে উপরের জিনিস পরিষ্কার দেখা যায়। পানির নিচ থেকে উপরের জিনিস আপনি দেখতে পাবেন তবে দেখবেন ঝাপসা। বিজ্ঞানীরা ভাবছেন টেলিস্কোপগুলোকে চাঁদে বসানো গেলে ব্রহ্মা- দেখা যাবে শতগুণ ষ্পষ্টতায়। তৃতীয় কারণটি হলো, পৃথিবী থেকে রকেটগুলোকে পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তিকে পরাস্ত করে পৃথিবীর সীমা পেরুতে হয়। যদি চাঁদ থেকে রকেট উৎক্ষেপণ করা হয় তবে ব্যয় যেমন কমে আসবে তেমনি প্রযুক্তি সক্ষমতা হবে অনেক সহজ ও বাড়বে দক্ষতা। চাঁদ থেকে সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্প নিয়ে আরেকদিন লিখব। ২য় পর্যায়ের চাঁদমুখী অভিযানে রাশিয়ার চেয়ে এগিয়ে আছে চীন ও আমেরিকার নাসা।
এবার নাসা অনেক উদার। বাংলাদেশসহ ৬১টি দেশকে আর্টিমিস মিশনের সঙ্গে যুক্ত করেছে। ইতোমধ্যে ২০২২ সালের ১৬ নভেম্বর ওরিয়ন মহাকাশযানটি উৎক্ষেপণ করে বোঝার চেষ্টা করা হয়েছে, এই মহাকাশযানটি ব্যবহার করে চাঁদে যাওয়া যাবে কি না? অভিযানটির নাম দেয়া হয়েছে ‘আর্টিমিস’। মার্চ মাসের ১ম সপ্তাহে ওই ওরিয়ন রকেটে করে ১ জন মহিলাসহ ৪ জন নভোচারী আর্টিমিস-২ তে চড়ে চাঁদে ঘুরে আসবে, তবে চাঁদে ল্যান্ড করবে না। ভালোয় ভালোয় ফিরে এলে শুরু হবে ওরিয়ন রকেটে করে ৪ নভোচারীর আর্টিমিস-৩ চন্দ্রাভিযান। ধারণা করা হচ্ছে ২০২৭ সালের যে কোন সময় আর্টিমিস-৩, ১ মহিলাসহ ৪ নভোচারী নিয়ে পৌঁছে যাবে চাঁদে। লুনার ও কমাণ্ড মডিউল ঠাঁই দাড়িয়ে থাকবে ১ সপ্তাহ। সপ্তাহ ধরে ১ নারীসহ ২ নভোচারী তন্ন তন্ন করে খুঁজে দেখবে, শেষতক চাঁদে মনুষ্য বসতি সম্ভব কিনা? চন্দ্রপৃষ্ঠ থেকে মঙ্গলে অভিযান কত তাড়াতাড়ি সম্ভব হবে। চাঁদে মনুষ্য বসতি কত তাড়াতাড়ি গড়ে তোলা যাবে। এসব ছাড়াও আরো কতো বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা নিরীক্ষা।।
[লেখক: আইনজীবী, আপিল বিভাগ]