alt

সম্পাদকীয়

মহাসড়কে ধীরগতির যান চলাচল বন্ধ করুন

: বৃহস্পতিবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১

দেশের ২২টি মহাসড়কে থ্রি-হুইলার অটোরিকশা, অটোটেম্পোসহ সবধরনের অযান্ত্রিক যান চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়েছে ২০১৫ সালে। কিন্তু কোথাও সেই নিষেধাজ্ঞা মানা হচ্ছে না। সব মহাসড়কেই নিষিদ্ধ যানবাহন চলছে বলে আজ একটি জাতীয় দৈনিক বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। শুধু যাত্রী ও পণ্যই পরিবহন করছে না, মহাসড়কে এসব যানের অবৈধ স্ট্যান্ডও গড়ে উঠেছে।

ধীরগতির যান চলাচল আর যত্রতত্র যাত্রী ওঠানো-নামানোর কারণে মহাসড়কে প্রায়ই যানজট তৈরি হয়, সড়ক দুর্ঘটনাও ঘটে। দেশের মহাসড়কগুলোতে দুর্ঘটনা কমানোর লক্ষ্যে ছয় বছর আগে থ্রি-হুইলার অটোরিকশা, অটোটেম্পোসহ সবধরনের অযান্ত্রিক যান চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়। এরপর কিছুদিন এসব যান চলাচল বন্ধও ছিল। তখন সড়ক দুর্ঘটনা উল্লেখযোগ্য হারে কমেছিল বলে জানা যায়। সরকার বলেছিল, বাই-লেন সড়ক নির্মাণ করার পর ধীরগতির যানবাহন চলতে দেয়া হবে। কোন কোন মহাসড়কে বাই-লেন সড়ক নির্মাণ করা হয়েছে। তবে বাই-লেন সড়ক নির্মাণ করা হয়নি এমন মহাসড়কেও ধীরগতির যানবাহন চলছে।

প্রশ্ন হচ্ছে- প্রশাসনের নাকের ডগার ওপর দিয়ে ধীরগতির যানবাহন মহসড়কে চলছে কী করে। অভিযোগ রয়েছে, মাসোহারার বিনিময়ে নিষিদ্ধ যানবাহন চলতে দেয়া হয়। যদিও সংশ্লিষ্ট প্রশাসন এ অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করে। মহাসড়কে নিষিদ্ধ যান চলাচলের পেছনে স্থানীয় রাজনৈতিক প্রভাবশালীদের হাত রয়েছে বলেও অভিযোগ পাওয়া যায়।

সড়ক-মহাসড়ক নিরাপদ করতে সরকার অনেক সিদ্ধান্তই এ পর্যন্ত নিয়েছে। তবে এসব সিদ্ধান্ত বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বাস্তবায়ন করা হয় না। কখনো কখনো মহাসড়কে থ্রি-হুইলার অটোরিকশা, নসিমন-করিমন, লেগুনা প্রভৃতি চলাচলের বিরুদ্ধে বিচ্ছিন্নভাবে অভিযান চালানো হয়। অভিযান শেষ হতে না হতেই মহাসড়ক পূর্বের অবস্থায় ফিরে যায়। আবার দুর্ঘটনা ঘটে, যানজটও হয়।

আমরা মহাসড়কে ধীরগতির যান চলাচল করতে না দেয়ার সরকারি সিদ্ধান্তের কঠোর বাস্তবায়ন দেখতে চাই। এজন্য হাইওয়ে পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনকে তৎপর হতে হবে। কার্যকর তদারকি চালাতে হবে। ধীরগতির যান চলাচলের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চালাতে হবে। মহাসড়ক চার লেনে উন্নীত করে বাই-লেন সড়ক নির্মাণ করে তারপর ধীরগতির যানবাহন চলতে দেয়া যেতে পারে।

স্পিডবোট চলাচলে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করুন

করোনাকাল ও দারিদ্র্য বিমোচন দিবস

নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে

স্বাধীন দেশে কেন সাম্প্রদায়িকতাকে পরাস্ত করা যাচ্ছে না

‘মা ইলিশ’ নিধন বন্ধে ব্যবস্থা নিন

মাথাপিছু আয়

আবারও সাম্প্রদায়িক হামলা

আবারও সাম্প্রদায়িক হামলা

ভবদহের জলাবদ্ধতা নিরসন করুন

বজ্রপাতের বিপদ মোকাবিলা করতে হবে

প্রকল্পগুলোর এমন পরিণতির দায় কার

নিত্যপণ্যের দাম কি নিয়ন্ত্রণহীনই থাকবে

হত্যাকান্ডগুলো ‘আত্মহত্যা’য় পরিণত হলো কীভাবে

পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র গৌরবময় অধ্যায়

ঢাকা-লক্ষ্মীপুর লঞ্চ সার্ভিস চালু করুন

তৈরি পোশাক কারখানায় ট্রেড ইউনিয়ন প্রসঙ্গে

আফগানিস্তানে শান্তির দেখা মিলবে কবে

নিত্যপণ্যের বাজারে মানুষের পকেট কাটা বন্ধ করুন

গাঙ্গেয় ডলফিন রক্ষা করুন

দক্ষতা ও মেধাভিত্তিক শ্রমবাজারে প্রবেশ করতে হবে

করোনার টিকা পেতে প্রবাসী শ্রমিকদের ভোগান্তি দূর করুন

ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে সাড়া দিন

তাপমাত্রা ও রাজধানীবাসীর কর্মক্ষমতা

ফ্র্যাঞ্চাইজি পদ্ধতিতে বাস চালুর উদ্যোগ সফল হোক

ইলিশের অভয়াশ্রমে অর্থনৈতিক অঞ্চল নয়

রোহিঙ্গাদের নিয়ে ব্যবসা করতে চাওয়া গোষ্ঠীর নাম প্রকাশ করুন

বাল্যবিয়ে বন্ধে এনআইডি ব্যবহারের প্রস্তাব

শিক্ষার্থী উপস্থিতির প্রকৃত কারণ চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নিন

উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলোর সমস্যা দূর করুন

রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের ঋণ প্রসঙ্গে

দশমিনা-পটুয়াখালী সড়কটি দ্রুত সংস্কার করুন

সাংবাদিক নির্যাতনের প্রতিকার চাই

মাধ্যমিক শিক্ষায় দুর্নীতি

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে হত্যাকান্ড প্রসঙ্গে

প্রতিমা ভাঙচুরের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার করুন, ব্যবস্থা নিন

করোনার টিকা প্রয়োগে উল্লেখযোগ্য অর্জন

tab

সম্পাদকীয়

মহাসড়কে ধীরগতির যান চলাচল বন্ধ করুন

বৃহস্পতিবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১

দেশের ২২টি মহাসড়কে থ্রি-হুইলার অটোরিকশা, অটোটেম্পোসহ সবধরনের অযান্ত্রিক যান চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়েছে ২০১৫ সালে। কিন্তু কোথাও সেই নিষেধাজ্ঞা মানা হচ্ছে না। সব মহাসড়কেই নিষিদ্ধ যানবাহন চলছে বলে আজ একটি জাতীয় দৈনিক বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। শুধু যাত্রী ও পণ্যই পরিবহন করছে না, মহাসড়কে এসব যানের অবৈধ স্ট্যান্ডও গড়ে উঠেছে।

ধীরগতির যান চলাচল আর যত্রতত্র যাত্রী ওঠানো-নামানোর কারণে মহাসড়কে প্রায়ই যানজট তৈরি হয়, সড়ক দুর্ঘটনাও ঘটে। দেশের মহাসড়কগুলোতে দুর্ঘটনা কমানোর লক্ষ্যে ছয় বছর আগে থ্রি-হুইলার অটোরিকশা, অটোটেম্পোসহ সবধরনের অযান্ত্রিক যান চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়। এরপর কিছুদিন এসব যান চলাচল বন্ধও ছিল। তখন সড়ক দুর্ঘটনা উল্লেখযোগ্য হারে কমেছিল বলে জানা যায়। সরকার বলেছিল, বাই-লেন সড়ক নির্মাণ করার পর ধীরগতির যানবাহন চলতে দেয়া হবে। কোন কোন মহাসড়কে বাই-লেন সড়ক নির্মাণ করা হয়েছে। তবে বাই-লেন সড়ক নির্মাণ করা হয়নি এমন মহাসড়কেও ধীরগতির যানবাহন চলছে।

প্রশ্ন হচ্ছে- প্রশাসনের নাকের ডগার ওপর দিয়ে ধীরগতির যানবাহন মহসড়কে চলছে কী করে। অভিযোগ রয়েছে, মাসোহারার বিনিময়ে নিষিদ্ধ যানবাহন চলতে দেয়া হয়। যদিও সংশ্লিষ্ট প্রশাসন এ অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করে। মহাসড়কে নিষিদ্ধ যান চলাচলের পেছনে স্থানীয় রাজনৈতিক প্রভাবশালীদের হাত রয়েছে বলেও অভিযোগ পাওয়া যায়।

সড়ক-মহাসড়ক নিরাপদ করতে সরকার অনেক সিদ্ধান্তই এ পর্যন্ত নিয়েছে। তবে এসব সিদ্ধান্ত বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বাস্তবায়ন করা হয় না। কখনো কখনো মহাসড়কে থ্রি-হুইলার অটোরিকশা, নসিমন-করিমন, লেগুনা প্রভৃতি চলাচলের বিরুদ্ধে বিচ্ছিন্নভাবে অভিযান চালানো হয়। অভিযান শেষ হতে না হতেই মহাসড়ক পূর্বের অবস্থায় ফিরে যায়। আবার দুর্ঘটনা ঘটে, যানজটও হয়।

আমরা মহাসড়কে ধীরগতির যান চলাচল করতে না দেয়ার সরকারি সিদ্ধান্তের কঠোর বাস্তবায়ন দেখতে চাই। এজন্য হাইওয়ে পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনকে তৎপর হতে হবে। কার্যকর তদারকি চালাতে হবে। ধীরগতির যান চলাচলের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চালাতে হবে। মহাসড়ক চার লেনে উন্নীত করে বাই-লেন সড়ক নির্মাণ করে তারপর ধীরগতির যানবাহন চলতে দেয়া যেতে পারে।

back to top