alt

অর্থ-বাণিজ্য

অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে পোশাক রপ্তানি বাড়ছে

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক : রোববার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩

দেশের রপ্তানি আয়ের প্রায় ৮৪ শতাংশই আসে তৈরি পোশাক থেকে। আর রপ্তানি বাজার হিসেবে বিবেচনা করলে প্রথমেই উঠে আসে যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা দেশগুলোর নাম। কিন্তু বর্তমানে পশ্চিমা দেশগুলোয় রপ্তানি প্রবৃদ্ধির গতি ধীর হয়েছে। বিপরীতে অপ্রচলিত বাজারগুলোয় প্রবৃদ্ধির গতি বাড়ছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে এসব বাজারের মধ্যে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে পোশাক রপ্তানি প্রবৃদ্ধির হার ছিল সবচেয়ে বেশি।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) পরিসংখ্যানে দেখা যায়, জুলাই ও আগস্টে নিউজিল্যান্ডে পোশাক রপ্তানি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৫১ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়েছে। অস্ট্রেলিয়ায় রপ্তানি বেড়েছে ৪৯ দশমিক ৫২ শতাংশ। রপ্তানি প্রবৃদ্ধির দিক থেকে তৃতীয় স্থানে আছে ব্রাজিল। দেশটিতে পোশাক রপ্তানি ৪৬ দশমিক ৩৪ শতাংশ বেড়েছে। এছাড়া রাশিয়া ৪৫ দশমিক ৬৫ শতাংশ এবং তুরস্কে ৩৯ দশমিক ৫৮ শতাংশ বেড়েছে।

বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) পরিচালক মো. মহিউদ্দিন রুবেল বলেন, ‘আমাদের রপ্তানির সবচেয়ে বড় ব্যাপার হচ্ছে অপ্রচলিত বাজারগুলোতে আমরা ভালো করছি। অতীতেও এ বাজারগুলোতে আমাদের পণ্যের ব্যাপক চাহিদা ছিল, এখনও আছে, আগামীতেও থাকবে বলে আশা করি। এর কারণ হচ্ছে, নতুন পণ্যে এবং নতুন বাজারের দিকে বিজিএমইএ দৃষ্টি দিচ্ছে। ইউরোপে আমাদের সবসময় রপ্তানি ছিল, এখনও আছে। কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রেও আমাদের রপ্তানি বাড়ছে। বিশ্ব অর্থনৈতিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ধীরে ধীরে আমাদের রপ্তানি বাজার আরও সম্প্রসারিত হবে।’

বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২১ সালে বিশ্বে পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল দ্বিতীয়। বৈশ্বিক রপ্তানিতে হিস্যা ছিল ৬ দশমিক ৪০ শতাংশ। গত বছর হিস্যা বেড়ে ৭ দশমিক ৯০ শতাংশে উন্নীত হয়। পোশাক রপ্তানিকারক দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ দ্বিতীয় অবস্থান ধরে রেখেছে। চীন এখনও সবচেয়ে বড় পোশাক রপ্তানিকারক দেশ। বিশ্ববাজারে ২০২২ সালে পোশাক রপ্তানিতে চীনের হিস্যা ছিল ৩১ দশমিক ৭ শতাংশ।

ওয়ার্ল্ড ট্রেড স্ট্যাটিস্টিক্যাল রিভিউ ২০২৩-এ বলা হয়েছে, ২০২২ সালে ভিয়েতনাম তৃতীয় বৃহত্তম পোশাক রপ্তানিকারক দেশ ছিল। ২০২২ সালে বাংলাদেশ ৪৫ বিলিয়ন ডলারের পোশাক রপ্তানি করে। ডব্লিউটিওর তথ্য অনুসারে, ২০২২ সালে চীন ১৮২ বিলিয়ন ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি করে এবং ভিয়েতনাম রপ্তানি করে ৩৫ বিলিয়ন ডলারের।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, জুলাই-আগস্ট সময়ে দেশের রপ্তানি আয়ের প্রধান খাত তৈরি পোশাক এসেছে প্রায় ৮ বিলিয়ন (৭৯৯ কোটি ৮৬ লাখ) ডলার যা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ১২ দশমিক ৪৬ শতাংশ বেশি। লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে আয় বেড়েছে ১ দশমিক ৪৬ শতাংশ।

জুলাই-আগস্ট দুই মাসে মোট রপ্তানি আয়ের ৮৫ দশমিক ৩১ শতাংশই এসেছে তৈরি পোশাক রপ্তানি থেকে। এর মধ্যে নিট পোশাক রপ্তানি থেকে এসেছে ৪ দশমিক ৫৮ বিলিয়ন ডলার; প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৭ দশমিক শূন্য দুই শতাংশ। এ হিসাবে দেখা যাচ্ছে, মোট রপ্তানি আয়ের প্রায় অর্ধেকই এসেছে নিট পোশাক থেকে। তৈরি পোশাকের ৫৭ দশমিক ২৮ শতাংশ এসেছে নিট পোশাক রপ্তানি থেকে।

ওভেন পোশাক থেকে এসেছে ৩ দশমিক ৪১ বিলিয়ন ডলার; গত বছরের একই সময়ের চেয়ে আয় বেড়েছে ৬ দশমিক ৮৬ শতাংশ। গত ২০২২-২৩ অর্থবছরের জুলাই-আগস্ট সময়ে তৈরি পোশাক রপ্তানি থেকে আয় হয়েছিল ৭ দশমিক ১১ বিলিয়ন ডলার। লক্ষ্যমাত্রা ধরা ছিল ৭ দশমিক ৮৮ বিলিয়ন ডলার। সার্বিক রপ্তানিতে এই দুই মাসে ৯ দশমিক ১২ শতাংশ যে প্রবৃদ্ধি হয়েছে, তা আসলে পোশাক খাতের ওপর ভর করেই অর্জিত হয়েছে।

ছবি

এ বছর জিডিপি প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৫.৭%: আইএমএফ

ছবি

একীভূতকরণ প্রক্রিয়ায় থাকা ব্যাংক চাইলে সরে যেতে পারবে, তবে শর্তসাপেক্ষে : কেন্দ্রীয় ব্যাংক

ছবি

পণ্যের দাম ঠিক রাখতে বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে : প্রতিমন্ত্রী

ছবি

একীভূত ব্যাংক : পাঁচটির বাইরে আপাতত আর না

ছবি

ঈদে মানুষের মাঝে স্বস্তি দেখেছি : বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী

ছবি

বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি বিশ্ব ব্যাংকের চেয়ে বেশি দেখছে এডিবি

ছবি

মার্চে দেশে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৯.৮১ শতাংশ

ছবি

ঈদের আগে পাঁচ দিনে দেশে এলো ৪৬ কোটি ডলার

ছবি

শিল্পাঞ্চলের বাইরের কারখানায় গ্যাস-বিদ্যুৎ আর নয়, পাবেনা ঋণও

এবার ঈদে পর্যটন খাত চাঙ্গা হওয়ার আশা

ছবি

জাতীয় লজিস্টিক নীতির খসড়ার অনুমোদন

সোনালীতে একীভূত হচ্ছে বিডিবিএল

ছবি

সোনার দাম আবার বাড়লো, ভরি ১ লাখ ১৭ হাজার ৫৭৩ টাকা

ছবি

সিটি ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত হচ্ছে রাষ্ট্রীয় বেসিক ব্যাংক

ছবি

বিজিএমইএর দায়িত্ব নিলেন এস এম মান্নান কচি

ছবি

বাজার মূলধন কিছুটা বাড়লো, তবু লাখ কোটি টাকার ওপরে ক্ষতি

ছবি

নতুন বিদেশী ঋণ নিয়ে পুরনো ঋণ শোধ করছে সরকার : সিপিডি

ছবি

ব্যাংক একীভুতকরনে নীতিমালা জারি

রাষ্ট্রীয় চার ব্যাংক একীভূত হয়ে হবে দুই

ছবি

এবার একীভূত হচ্ছে ‘সোনালীর সাথে বিডিবিএল’ ও ‘কৃষির সাথে রাকাব’

ছবি

শেয়ার প্রতি ১ পয়সা লভ্যাংশ দেবে একমি পেস্টিসাইড

এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানী লিমিটেডের কর্মীদের জন্য মেটলাইফের বীমা সুরক্ষা

গাজীপুরে এক বছরে ট্রাফিক পুলিশের ৫ কোটি টাকা রাজস্ব আয়

ছবি

প্রবৃদ্ধি কমে ৫ দশমিক ৬ শতাংশ হবে: বিশ্বব্যাংক

ছবি

সিএসআর ফান্ডের আওতায় কৃষকদের আর্থিক সহযোগিতা করল সাউথইস্ট ব্যাংক

ছবি

ডেমরায় বাস গ্যারেজে আগুন

ছবি

নিত্যপণ্যের দাম বাড়লেও সেইহারে বাড়েনি তামাকপণ্যের দাম

ছবি

প্রকাশ্যে ঘুষ নেওয়া সেই ভূমি অফিস কর্মী সাময়িক বরখাস্ত

ব্যাংক ঋণের সুদহার আরও বাড়লো

ছবি

বেক্সিমকোর ২ হাজার ৬২৫ কোটি টাকার বন্ড অনুমোদন দিলো বিএসইসি

শ্রমিকের অধিকার সুরক্ষিত রাখতে কাজ করব : শ্রম প্রতিমন্ত্রী

ছবি

ঈদে অভ্যন্তরীণ রুটে ফ্লাইট বাড়াল বিমান

ছবি

ডিজেল-কেরোসিনের দাম লিটারে ২.২৫ টাকা কমলো

ছবি

ফেনীতে টপটেন মার্ট উদ্বোধন করলেন তামিম

ছবি

উচ্চ খেলাপি ঋণ আর্থিক খাতের জন্য বিরাট হুমকি : বাংলাদেশ ব্যাংক

ছবি

শেয়ারবাজারে পতন : ফ্লোর প্রাইস, আতঙ্ক না জুয়া

tab

অর্থ-বাণিজ্য

অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে পোশাক রপ্তানি বাড়ছে

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

রোববার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩

দেশের রপ্তানি আয়ের প্রায় ৮৪ শতাংশই আসে তৈরি পোশাক থেকে। আর রপ্তানি বাজার হিসেবে বিবেচনা করলে প্রথমেই উঠে আসে যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা দেশগুলোর নাম। কিন্তু বর্তমানে পশ্চিমা দেশগুলোয় রপ্তানি প্রবৃদ্ধির গতি ধীর হয়েছে। বিপরীতে অপ্রচলিত বাজারগুলোয় প্রবৃদ্ধির গতি বাড়ছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে এসব বাজারের মধ্যে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে পোশাক রপ্তানি প্রবৃদ্ধির হার ছিল সবচেয়ে বেশি।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) পরিসংখ্যানে দেখা যায়, জুলাই ও আগস্টে নিউজিল্যান্ডে পোশাক রপ্তানি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৫১ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়েছে। অস্ট্রেলিয়ায় রপ্তানি বেড়েছে ৪৯ দশমিক ৫২ শতাংশ। রপ্তানি প্রবৃদ্ধির দিক থেকে তৃতীয় স্থানে আছে ব্রাজিল। দেশটিতে পোশাক রপ্তানি ৪৬ দশমিক ৩৪ শতাংশ বেড়েছে। এছাড়া রাশিয়া ৪৫ দশমিক ৬৫ শতাংশ এবং তুরস্কে ৩৯ দশমিক ৫৮ শতাংশ বেড়েছে।

বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) পরিচালক মো. মহিউদ্দিন রুবেল বলেন, ‘আমাদের রপ্তানির সবচেয়ে বড় ব্যাপার হচ্ছে অপ্রচলিত বাজারগুলোতে আমরা ভালো করছি। অতীতেও এ বাজারগুলোতে আমাদের পণ্যের ব্যাপক চাহিদা ছিল, এখনও আছে, আগামীতেও থাকবে বলে আশা করি। এর কারণ হচ্ছে, নতুন পণ্যে এবং নতুন বাজারের দিকে বিজিএমইএ দৃষ্টি দিচ্ছে। ইউরোপে আমাদের সবসময় রপ্তানি ছিল, এখনও আছে। কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রেও আমাদের রপ্তানি বাড়ছে। বিশ্ব অর্থনৈতিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ধীরে ধীরে আমাদের রপ্তানি বাজার আরও সম্প্রসারিত হবে।’

বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২১ সালে বিশ্বে পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল দ্বিতীয়। বৈশ্বিক রপ্তানিতে হিস্যা ছিল ৬ দশমিক ৪০ শতাংশ। গত বছর হিস্যা বেড়ে ৭ দশমিক ৯০ শতাংশে উন্নীত হয়। পোশাক রপ্তানিকারক দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ দ্বিতীয় অবস্থান ধরে রেখেছে। চীন এখনও সবচেয়ে বড় পোশাক রপ্তানিকারক দেশ। বিশ্ববাজারে ২০২২ সালে পোশাক রপ্তানিতে চীনের হিস্যা ছিল ৩১ দশমিক ৭ শতাংশ।

ওয়ার্ল্ড ট্রেড স্ট্যাটিস্টিক্যাল রিভিউ ২০২৩-এ বলা হয়েছে, ২০২২ সালে ভিয়েতনাম তৃতীয় বৃহত্তম পোশাক রপ্তানিকারক দেশ ছিল। ২০২২ সালে বাংলাদেশ ৪৫ বিলিয়ন ডলারের পোশাক রপ্তানি করে। ডব্লিউটিওর তথ্য অনুসারে, ২০২২ সালে চীন ১৮২ বিলিয়ন ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি করে এবং ভিয়েতনাম রপ্তানি করে ৩৫ বিলিয়ন ডলারের।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, জুলাই-আগস্ট সময়ে দেশের রপ্তানি আয়ের প্রধান খাত তৈরি পোশাক এসেছে প্রায় ৮ বিলিয়ন (৭৯৯ কোটি ৮৬ লাখ) ডলার যা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ১২ দশমিক ৪৬ শতাংশ বেশি। লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে আয় বেড়েছে ১ দশমিক ৪৬ শতাংশ।

জুলাই-আগস্ট দুই মাসে মোট রপ্তানি আয়ের ৮৫ দশমিক ৩১ শতাংশই এসেছে তৈরি পোশাক রপ্তানি থেকে। এর মধ্যে নিট পোশাক রপ্তানি থেকে এসেছে ৪ দশমিক ৫৮ বিলিয়ন ডলার; প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৭ দশমিক শূন্য দুই শতাংশ। এ হিসাবে দেখা যাচ্ছে, মোট রপ্তানি আয়ের প্রায় অর্ধেকই এসেছে নিট পোশাক থেকে। তৈরি পোশাকের ৫৭ দশমিক ২৮ শতাংশ এসেছে নিট পোশাক রপ্তানি থেকে।

ওভেন পোশাক থেকে এসেছে ৩ দশমিক ৪১ বিলিয়ন ডলার; গত বছরের একই সময়ের চেয়ে আয় বেড়েছে ৬ দশমিক ৮৬ শতাংশ। গত ২০২২-২৩ অর্থবছরের জুলাই-আগস্ট সময়ে তৈরি পোশাক রপ্তানি থেকে আয় হয়েছিল ৭ দশমিক ১১ বিলিয়ন ডলার। লক্ষ্যমাত্রা ধরা ছিল ৭ দশমিক ৮৮ বিলিয়ন ডলার। সার্বিক রপ্তানিতে এই দুই মাসে ৯ দশমিক ১২ শতাংশ যে প্রবৃদ্ধি হয়েছে, তা আসলে পোশাক খাতের ওপর ভর করেই অর্জিত হয়েছে।

back to top