মায়ানমারের সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির কাছে ‘জিম্মি থাকা’ ৭৩ জেলেকে ফেরত এনেছে বিজিবি।
যাদের বিভিন্ন সময় টেকনাফের নাফ নদী ও বঙ্গোপসাগর থেকে ধরে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ আছে আরাকান আর্মির সদস্যদের বিরুদ্ধে। সোমবার, (১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে টেকনাফের জালিয়াপাড়া ট্রানজিট ঘাট দিয়ে তাদের ফেরত আনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিজিবির রামু সেক্টরের কামান্ডার কর্নেল মহিউদ্দিন আহমেদ।
ফেরত আসা জেলেদের মধ্যে ৭ জন রোহিঙ্গাও আছেন, অন্যরা বাংলাদেশি।
আরাকান আর্মির সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনার পর তাদের ফেরত আনা সম্ভব হয় জানিয়ে কর্নেল মহিউদ্দিন বলেন, আরাকান আর্মি দাবি করেছে এসব জেলে জলসীমা অতিক্রম করে মায়ানমারে প্রবেশ করায় আটক করা হয়েছিল।
এই জেলেদের ফেরত আনতে সোমবার দুপুরে বিজিবির একটি প্রতিনিধিদল একই ঘাট থেকে নাফ নদীর শূন্য রেখার উদ্দেশে যাত্রা করে।
সেখানে বিজিবির কাছে জেলেদের হস্তান্তর করে আরাকান আর্মি।
এরপর জেলেদের টেকনাফ-মায়ানমার ট্রানজিট জেটি ঘাটে ফেরত আনা হয়। ফেরত আনা জেলেদের জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের মাধ্যমে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
স্থানীয়দের দাবি, বিভিন্ন সময় নাফ নদী ও বঙ্গোপসাগর থেকে ট্রলারসহ ধরে নিয়ে যাওয়া অন্তত ২০০ জেলে আরাকান আর্মির হাতে জিম্মি রয়েছে।
এ বিষয়ে কর্নেল মহিউদ্দিন বলেন, অন্য জেলেদের ফেরত আনতে বিজিবির পক্ষে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। উল্লেখ্য, এদের মধ্যে ৭৩ জনকে ফেরত আনা হলো।