alt

সম্পাদকীয়

সড়ক দুর্ঘটনায় ঝরছে প্রাণ

: বৃহস্পতিবার, ২৫ নভেম্বর ২০২১

গণপরিবহনে ‘হাফ পাসের’ দাবিতে কয়েকদিন ধরেই শিক্ষার্থীদের আন্দোলন চলছিল। তার সঙ্গে এখন নতুন করে যুক্ত হয়েছে নিরাপদ সড়কের দাবি।

গাড়িচাপায় নটর ডেম কলেজের শিক্ষার্থী নাঈম হাসানের (১৭) মৃত্যুর ঘটনায় বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা সড়কে আন্দোলন করছে। গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, গতকাল বুধবার শিক্ষার্থী নাঈম গুলিস্তানে সড়ক পার হওয়ার সময় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) একটি ময়লার গাড়ি তাকে ধাক্কা দেয়। সঙ্গে সঙ্গে সে পড়ে যায়। এরপর গাড়িটি না থেমে তাকে চাপা দেয়।

ডিএসসিসির ভাষ্য অনুযায়ী, গাড়িটি চালাচ্ছিল একজন পরিচ্ছন্নতা কর্মী। কিন্ত পুলিশ জানিয়েছে গাড়িটি চালাচ্ছিল পরিচ্ছন্নতা কর্মীর সহকারী। অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে গ্রেপ্তারকৃত অভিযুক্তের বিচার হবে কি না তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

ব্যক্তি মালিকানাধীন গাড়ি ও পরিবহনে নানান অনিয়ম ঘটতে দেখা যায়। লাইসেন্স, ফিটনেস ছাড়া গাড়ি চালানো, চালকের পরিবর্তে সহকারী দিয়ে গাড়ি চালানো- এসব পুরোনো অভিযোগ। কিন্তু ডিএসসিসির মতো একটি দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠানের গাড়ি চালানোর ক্ষেত্রে নৈরাজ্য চলে কীভাবে- সেই প্রশ্ন উঠেছে। এক্ষত্রে কর্তৃপক্ষের কোন গাফিলতি আছে কিনা- সেটা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।

২০১৮ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় দুই কলেজ শিক্ষার্থীর মৃত্যুর পরে দেশব্যাপী নিরাপদ সড়কের আন্দোলন শুরু হয়। তখন নতুন করে সড়ক আইন পাসের পাশাপাশি দুর্ঘটনা অভিযুক্তদের দ্রুত বিচারেরও আশ্বাস দেয়া হয়। কিন্তু সেই দুর্ঘটনার বিচার এখনও হয়নি।

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পর যে সড়ক আইন পাস হয়েছে তাতে অনেক দুর্বলতা আছে বলে অভিযোগ রয়েছে। আইনের যথাযথ প্রয়োগেও শৈথিল্য দেখা যায়। যে কারণে শিক্ষার্থীদের দাবি অনুযায়ী সড়ক নিরাপদ করা যাচ্ছে না। প্রায়ই সড়কে দুর্ঘটনা ঘটে। সেসব দুর্ঘটনায় সাধারণ মানুষসহ শিক্ষার্থীরা হতাহত হয়। আজ সকালেও চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার কড়ইয়া (বিশ্বরোড) নামক স্থানে এক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারায় তিনজন কলেজ শিক্ষার্থী। একই দিনে রাজধানীর বসুন্ধরা সিটি কমপ্লেক্সের উল্টোদিকে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ময়লার গাড়ির চাপায় প্রাণ হারান আহসান কবির খান নামে একজন সংবাদ কর্মী।

সড়ক নিরাপদ করতে হলে আইনের কঠোর প্রয়োগ করতে হবে। সড়ক দুর্ঘটনার জন্য দায়ীদের বিচার করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে হবে। শিক্ষার্থীরা এখন ছয়টি দাবি নিয়ে আন্দোলন করছে। তাদের দাবিগুলো সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করতে হবে।

বায়ুদূষণে শীর্ষে ঢাকা : এই শিরোপা আমরা চাই না

গণপরিবহন শ্রমিকদের মনোজগতে কী ঘটছে

ইমিগ্রেশন পুলিশকে পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে

অবৈধ ইটভাটা বন্ধের নির্দেশের বাস্তবায়ন দেখতে চাই

প্রেরণাদায়ী সাফল্য

কিশোর গ্যাং : দায়িত্ব নিতে হবে সবাইকেই

রেণু চিংড়ি আহরণ বন্ধ করুন

গ্যাসের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব কিসের জন্য

বঙ্গবন্ধু রেল সেতু : যথাসময়ে প্রকল্পের কাজ শেষ করুন

শাবিপ্রবির এ পরিস্থিতির দায় কার

ফগলাইট কেনায় দুর্নীতি

ভালো নির্বাচনের উদাহরণ

দিবাযত্ন কেন্দ্র হোক শিশুবান্ধব

পুলিশ কেন নিখোঁজ ব্যক্তিদের বাড়ি বাড়ি যাচ্ছে

গ্যাস সিলিন্ডারে বেলুন ফোলানো বন্ধে অভিযান চালান

পাসপোর্ট পেতে কেন ঘুষ দিতে হবে

যাত্রী ছাউনিগুলো ব্যবহারের উপযোগী করুন

উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসকের উপস্থিতি নিশ্চিত করুন

সড়ক দখলের অপসংস্কৃতি

প্রশ্নবিদ্ধ কারাগারের নিরাপত্তা

সেচ প্রকল্পের পুকুর ভরাট প্রসঙ্গে

কারখানা পরিদর্শন : সব পক্ষের পারস্পরিক সহযোগিতা প্রয়োজন

ভবদহের জলাবদ্ধতা : স্থানীয় বাসিন্দাদের আস্থায় নিয়ে কাজ করুন

বিধিনিষেধ ও গণপরিবহনের ভাড়া

হালদা রক্ষায় সমন্বিত পদক্ষেপ নিন

অনেক শিক্ষার্থী এখনো কেন পাঠ্যবই পায়নি

আতশবাজি ও পটকা : শব্দ দূষণের আরেক রূপ

সড়কে শৃঙ্খলা ফিরবে কবে

রক্ষিত বনের লক্ষ্য অর্জনে বাধা কোথায়

ফেলানী হত্যার বিচার প্রতীক্ষার অবসান ঘটুক

এই কি নিরাময় কেন্দ্র, না টর্চার সেল?

পরিবেশ অধিদপ্তরের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নিন

ডিএসসিসির খাল পরিষ্কার প্রসঙ্গে

ইটভাটা চালাতে হবে আইন মেনে

নারী নির্যাতন ও ধর্ষণের বিরুদ্ধে সবাইকে সোচ্চার হতে হবে

এই যুগে এভাবে কোন কাজে কি জনসমর্থন মেলে?

tab

সম্পাদকীয়

সড়ক দুর্ঘটনায় ঝরছে প্রাণ

বৃহস্পতিবার, ২৫ নভেম্বর ২০২১

গণপরিবহনে ‘হাফ পাসের’ দাবিতে কয়েকদিন ধরেই শিক্ষার্থীদের আন্দোলন চলছিল। তার সঙ্গে এখন নতুন করে যুক্ত হয়েছে নিরাপদ সড়কের দাবি।

গাড়িচাপায় নটর ডেম কলেজের শিক্ষার্থী নাঈম হাসানের (১৭) মৃত্যুর ঘটনায় বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা সড়কে আন্দোলন করছে। গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, গতকাল বুধবার শিক্ষার্থী নাঈম গুলিস্তানে সড়ক পার হওয়ার সময় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) একটি ময়লার গাড়ি তাকে ধাক্কা দেয়। সঙ্গে সঙ্গে সে পড়ে যায়। এরপর গাড়িটি না থেমে তাকে চাপা দেয়।

ডিএসসিসির ভাষ্য অনুযায়ী, গাড়িটি চালাচ্ছিল একজন পরিচ্ছন্নতা কর্মী। কিন্ত পুলিশ জানিয়েছে গাড়িটি চালাচ্ছিল পরিচ্ছন্নতা কর্মীর সহকারী। অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে গ্রেপ্তারকৃত অভিযুক্তের বিচার হবে কি না তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

ব্যক্তি মালিকানাধীন গাড়ি ও পরিবহনে নানান অনিয়ম ঘটতে দেখা যায়। লাইসেন্স, ফিটনেস ছাড়া গাড়ি চালানো, চালকের পরিবর্তে সহকারী দিয়ে গাড়ি চালানো- এসব পুরোনো অভিযোগ। কিন্তু ডিএসসিসির মতো একটি দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠানের গাড়ি চালানোর ক্ষেত্রে নৈরাজ্য চলে কীভাবে- সেই প্রশ্ন উঠেছে। এক্ষত্রে কর্তৃপক্ষের কোন গাফিলতি আছে কিনা- সেটা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।

২০১৮ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় দুই কলেজ শিক্ষার্থীর মৃত্যুর পরে দেশব্যাপী নিরাপদ সড়কের আন্দোলন শুরু হয়। তখন নতুন করে সড়ক আইন পাসের পাশাপাশি দুর্ঘটনা অভিযুক্তদের দ্রুত বিচারেরও আশ্বাস দেয়া হয়। কিন্তু সেই দুর্ঘটনার বিচার এখনও হয়নি।

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পর যে সড়ক আইন পাস হয়েছে তাতে অনেক দুর্বলতা আছে বলে অভিযোগ রয়েছে। আইনের যথাযথ প্রয়োগেও শৈথিল্য দেখা যায়। যে কারণে শিক্ষার্থীদের দাবি অনুযায়ী সড়ক নিরাপদ করা যাচ্ছে না। প্রায়ই সড়কে দুর্ঘটনা ঘটে। সেসব দুর্ঘটনায় সাধারণ মানুষসহ শিক্ষার্থীরা হতাহত হয়। আজ সকালেও চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার কড়ইয়া (বিশ্বরোড) নামক স্থানে এক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারায় তিনজন কলেজ শিক্ষার্থী। একই দিনে রাজধানীর বসুন্ধরা সিটি কমপ্লেক্সের উল্টোদিকে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ময়লার গাড়ির চাপায় প্রাণ হারান আহসান কবির খান নামে একজন সংবাদ কর্মী।

সড়ক নিরাপদ করতে হলে আইনের কঠোর প্রয়োগ করতে হবে। সড়ক দুর্ঘটনার জন্য দায়ীদের বিচার করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে হবে। শিক্ষার্থীরা এখন ছয়টি দাবি নিয়ে আন্দোলন করছে। তাদের দাবিগুলো সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করতে হবে।

back to top