alt

সম্পাদকীয়

বন্যপ্রাণীর খাবারের সংকট দূর করতে হবে

: শনিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২

দেশে বনের আয়তন দিন দিন কমছেই। মানুষের বসতি বিস্তৃত হওয়ার সঙ্গে বন সংকুচিত হওয়ার যোগসূত্র রয়েছে। বনের আকার ছোট হওয়ার কারণে বন্যপ্রাণীদের জগৎ ছোট হয়ে গেছে। তাদের থাকার-খাবারের সংকট প্রকট হচ্ছে।

বনে খাবারের অভাবে বন্যপ্রাণীদের প্রায়ই লোকালয়ে আসতে দেখা যায়। লোকালয়েও গাছপালা অপ্রতুল। এক শ্রেণীর অসহিষ্ণু মানুষের কারণে লোকালয়ে এসব প্রাণী সুবিধা করতে পারে না। সরকার অবশ্য কোন কোন এলাকায় বন্যপ্রাণীদের খাবারের জোগান দেয়। তবে এক্ষেত্রে অনিয়ম-দুর্নীতি হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

মাদারীপুরে বানরের খাবার নিয়ে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। বানরের জন্য বরাদ্দকৃত খাবার ঠিকমতো দেয়া হয় কিনা সেই প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তারা বলছেন, পর্যাপ্ত খাবার পায় না বলেই এই প্রাণীর দল স্থানীয়দের ঘরবাড়িতে হানা দিচ্ছে। অনেক বানর অপুষ্টিতে ভুগছে। মাদারীপুরে তাদের সংখ্যা দিন দিন কমে যাচ্ছে। অবশ্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে। এ নিয়ে গতকাল সংবাদ-এ বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।

বানরের খাবার নিয়ে যে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে তা খতিয়ে দেখা হবে বলে আমরা আশা করি। অভিযোগ শুধু মুখে অস্বীকার করাই যথেষ্ট নয়। সুষ্ঠু তদন্ত করা উচিত। সেখানকার বানরের জন্য বরাদ্দকৃত খাবার যেন যথাযথভাবে যথাস্থানে সরবরাহ করা হয় সেটা নিশ্চিত করতে হবে। খাবারের বরাদ্দ বাড়ানো যায় কিনা সেটা যাচাই করে দেখা দরকার।

দেশের বন্যপ্রাণী রক্ষায় পরিকল্পিত পদক্ষেপ নিতে হবে। বনভূমি সম্প্রসারণ করার কাজ সময়সাপেক্ষ হলেও সেটা করতে হবে। বনভূমি বিস্তৃত হলে খাবারের খোঁজে প্রাণীদের লোকালয়ে আসতে হবে না। বনের ভেতরে প্রাণীদের যেন মানুষের অত্যাচার সইতে না হয় সেটাও নিশ্চিত করা দরকার। বনবিধ্বংসী কার্যক্রম থেকে মানুষকে নিবৃত্ত থাকতে হবে। তাদের বুঝতে হবে যে, বনভূমি ধ্বংস করে প্রাণ-প্রকৃতির অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখা যাবে না।

লোকালয়েও গাছ লাগানো জরুরি। শুধু মানুষের স্বার্থ বিবেচনা করে অর্থকরী গাছ লাগালে চলবে না। গাছ লাগানোর ক্ষেত্রে প্রাণিকুলের অন্যদের কথাও ভাবতে হবে। প্রকৃতিতে সবার সহাবস্থান নিশ্চিত করা না গেল এর ভারসাম্য নষ্ট হবে। যেটা কারও জন্যই মঙ্গলজনক হবে না।

ফসলি জমি কেটে বালু তোলা বন্ধ করুন

আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর নির্মাণে অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগের সুরাহা করুন

বিদ্যালয়টির নতুন ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নিন

তাজরীন ট্র্যাজেডি : বিচার পেতে আর কত অপেক্ষা করতে হবে

বিসিকের শিল্প নগরীতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্লান্ট নেই কেন

সংরক্ষিত বন ধ্বংস করে ইটভাটা নয়

রেল স্টেশন চালুর দাবি

উপহারের অ্যাম্বুলেন্সগুলো ফেলে রাখা হয়েছে কেন

দোকানে শিক্ষার্থীদের পাঠদান প্রসঙ্গে

আলুর বীজ সংকট দূর করুন

অ্যান্টিবায়োটিকের যথেচ্ছ ব্যবহার বন্ধ করতে হবে

দুই জঙ্গি ছিনতাই : প্রশ্নবিদ্ধ নিরাপত্তা ব্যবস্থা

সড়ক সংস্কারে অনিয়মের অভিযোগ আমলে নিন

চাই আর্সেনিকমুক্ত পানি

কক্সবাজারে পরিবেশ ছাড়পত্র ছাড়া হোটেল চলছে কীভাবে

বাড়ছে ঠান্ডাজনিত রোগ, সতর্ক থাকতে হবে

বরগুনা হাসপাতালের নতুন ভবনে কার্যক্রম কবে শুরু হবে

নারী নির্যাতনের উদ্বেগজনক চিত্র

পণ্য পরিবহনে চাঁদাবাজি বন্ধ করুন

বছরের শুরুতে নতুন বই পাওয়া নিয়ে শঙ্কা

সরকারি হাসপাতালগুলোর দুর্দশা

আত্মহত্যা প্রতিরোধে সম্মিলিত প্রচেষ্টা চালাতে হবে

যাত্রী ছাউনি দখলমুক্ত করুন

জলাশয়গুলো রক্ষা করুন

সিসার বিষক্রিয়ার ভয়াবহতা

সুন্দরবনের অভয়ারণ্যে মাছ শিকার বন্ধ করুন

নিউমোনিয়া প্রতিরোধে চাই সমন্বিত প্রচেষ্টা

পরিবহন খাতে চাঁদাবাজির অভিযোগের সুরাহা করুন

রাংসা নদীতে পাকা সেতু নির্মাণ করুন

শেবাচিম হাসপাতালে দ্রুত বিদ্যুৎ সংকট নিরসন করুন

বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন নির্মাণের কাজে গতি আনতে হবে

সমাজের মানসে শেকড় গেড়ে বসা সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে

খাদ্যবান্ধব কর্মসূচিতে আঙুলের ছাপ না মেলা প্রসঙ্গে

শব্দদূষণ প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ নিন

পেঁয়াজ চাষে প্রণোদনা কার্যক্রমে অনিয়মের অভিযোগ প্রসঙ্গে

ব্যাংক খাতের অনিয়ম-দুর্নীতির বিচারে বিলম্ব কেন

tab

সম্পাদকীয়

বন্যপ্রাণীর খাবারের সংকট দূর করতে হবে

শনিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২

দেশে বনের আয়তন দিন দিন কমছেই। মানুষের বসতি বিস্তৃত হওয়ার সঙ্গে বন সংকুচিত হওয়ার যোগসূত্র রয়েছে। বনের আকার ছোট হওয়ার কারণে বন্যপ্রাণীদের জগৎ ছোট হয়ে গেছে। তাদের থাকার-খাবারের সংকট প্রকট হচ্ছে।

বনে খাবারের অভাবে বন্যপ্রাণীদের প্রায়ই লোকালয়ে আসতে দেখা যায়। লোকালয়েও গাছপালা অপ্রতুল। এক শ্রেণীর অসহিষ্ণু মানুষের কারণে লোকালয়ে এসব প্রাণী সুবিধা করতে পারে না। সরকার অবশ্য কোন কোন এলাকায় বন্যপ্রাণীদের খাবারের জোগান দেয়। তবে এক্ষেত্রে অনিয়ম-দুর্নীতি হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

মাদারীপুরে বানরের খাবার নিয়ে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। বানরের জন্য বরাদ্দকৃত খাবার ঠিকমতো দেয়া হয় কিনা সেই প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তারা বলছেন, পর্যাপ্ত খাবার পায় না বলেই এই প্রাণীর দল স্থানীয়দের ঘরবাড়িতে হানা দিচ্ছে। অনেক বানর অপুষ্টিতে ভুগছে। মাদারীপুরে তাদের সংখ্যা দিন দিন কমে যাচ্ছে। অবশ্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে। এ নিয়ে গতকাল সংবাদ-এ বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।

বানরের খাবার নিয়ে যে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে তা খতিয়ে দেখা হবে বলে আমরা আশা করি। অভিযোগ শুধু মুখে অস্বীকার করাই যথেষ্ট নয়। সুষ্ঠু তদন্ত করা উচিত। সেখানকার বানরের জন্য বরাদ্দকৃত খাবার যেন যথাযথভাবে যথাস্থানে সরবরাহ করা হয় সেটা নিশ্চিত করতে হবে। খাবারের বরাদ্দ বাড়ানো যায় কিনা সেটা যাচাই করে দেখা দরকার।

দেশের বন্যপ্রাণী রক্ষায় পরিকল্পিত পদক্ষেপ নিতে হবে। বনভূমি সম্প্রসারণ করার কাজ সময়সাপেক্ষ হলেও সেটা করতে হবে। বনভূমি বিস্তৃত হলে খাবারের খোঁজে প্রাণীদের লোকালয়ে আসতে হবে না। বনের ভেতরে প্রাণীদের যেন মানুষের অত্যাচার সইতে না হয় সেটাও নিশ্চিত করা দরকার। বনবিধ্বংসী কার্যক্রম থেকে মানুষকে নিবৃত্ত থাকতে হবে। তাদের বুঝতে হবে যে, বনভূমি ধ্বংস করে প্রাণ-প্রকৃতির অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখা যাবে না।

লোকালয়েও গাছ লাগানো জরুরি। শুধু মানুষের স্বার্থ বিবেচনা করে অর্থকরী গাছ লাগালে চলবে না। গাছ লাগানোর ক্ষেত্রে প্রাণিকুলের অন্যদের কথাও ভাবতে হবে। প্রকৃতিতে সবার সহাবস্থান নিশ্চিত করা না গেল এর ভারসাম্য নষ্ট হবে। যেটা কারও জন্যই মঙ্গলজনক হবে না।

back to top