alt

সম্পাদকীয়

আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর নির্মাণে অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগের সুরাহা করুন

: শনিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২২

দেশে গৃহহীন কোন মানুষ থাকবে না এটা সরকারের অঙ্গীকার। মুজিববর্ষ উপলক্ষে দেশের বিভিন্নস্থানে গৃহহীন ও ভূমিহীনদের জন্য আশ্রয়ণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে সরকার। প্রধানমন্ত্রীর এই প্রকল্পের অধীনে ঘর নির্মাণে প্রায়ই অনিয়ম-দুর্নীতির খবর পাওয়া যায়। এবার কক্সবাজারের মহেশখালীতে অনিয়মের খবর মিলেছে।

আজ শনিবার সংবাদ-এ প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, কক্সবাজারের মহেশখালীতে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরের মেঝে তৈরিতে ব্যবহার করা হচ্ছে বাঁশ। ঘর তৈরির কাজ শেষ হয়নি। অথচ এখনই দেয়ালে ফাটল দেখা দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট উপকারভোগীদের কাছ থেকে নানা অজুহাতে টাকাও নেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

প্রধানমন্ত্রীর প্রকল্পে অনিয়ম-দুর্নীতির ঘটনায় বিভিন্ন সময় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে দেখা গেছে। তবে তাতে সংশ্লিষ্টদের বোধোদয় হয়েছে বলে মনে হয় না। নইলে ঘর নির্মাণে বাঁশ ব্যবহার করার কথা নয়। এর আগে প্রকল্পের অনেক ঘরই নির্মাণের কিছুদিন পরেই ভেঙে যাওয়ার ঘটনা ঘটতে দেখা গেছে।

আবার কোথাও কোথাও নির্মাণাধীন অবস্থায় ভেঙে পড়েছে প্রকল্পের ঘর। নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে কাজ করার কারণে ঘরগুলো ভেঙে গেছে বলে অভিযোগ তুলেছেন ভুক্তভোগীরা। পরিমাণমতো সিমেন্ট না দেয়ায় দেয়াল ধসে পড়া, পলেস্তারা মজবুত না হওয়ার মতো ঘটনা ঘটেছে।

এখানেই অনিয়মের শেষ নয়। প্রকল্পের ঘর বরাদ্দে দুর্নীতি ও আর্থিক লেনদেনের অভিযোগও ওঠে বিভিন্ন সময়। ঘর পেতে উপকারভোগীদের ঘুষ দিতে হয় বলে খবর পাওয়া যায়।

গৃহহীনদের জন্য ঘর নির্মাণের একটি ভালো উদ্যোগ দুর্নীতিবাজদের কারণে প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়েছে। আশ্রয়ণ প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়ম-দুর্নীতি কঠোর হাতে দমন করতে হবে। মহেশখালীসহ দেশের আর যেসব স্থানে ঘর নির্মাণ বা বরাদ্দে দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া যায় তা তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে হবে। দুর্নীতির সঙ্গে যে বা যারাই জড়িত থাক না কেন তাদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেছে। আমরা এই নীতির কঠোর বাস্তবায়ন দেখতে চাই।

ভেজাল সার বিক্রি বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিন

রেলের দখল হওয়া জমি উদ্ধার করতে হবে

অবৈধ ইটভাটা বন্ধে দৃশ্যমান ব্যবস্থা নিন

সরকারি হাসপাতালের স্বাস্থ্যসেবায় প্রতিবন্ধকতা দূর করুন

ঝিনাই নদীর সেতুটি দ্রুত সংস্কার করুন

পাহাড় রক্ষা করবে কে

শিক্ষার্থীদের আত্মহত্যা রোধে সমন্বিত প্রয়াস চালাতে হবে

জন্মনিবন্ধন সনদ জালিয়াতি প্রসঙ্গে

শিশুশ্রম নিরসনে প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকুক

ভূ-গর্ভস্থ পানির অপচয় বন্ধে পদক্ষেপ নিন

বায়ুদূষণ রোধে টেকসই ব্যবস্থা নিন

নদীর মাটি কাটা বন্ধে আইনি ব্যবস্থা নিন

কারাগারে জঙ্গিবাদে উদ্বুদ্ধ হওয়ার সুযোগ মেলে কীভাবে

সেতুটি সংস্কার করুন

বাসের রং ও নাম বদলে কি সড়ককে নিরাপদ করা যাবে

নদী দখলদারদের তালিকা প্রসঙ্গে

সেচের সময় বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা জরুরি

চিংড়ি ঘেরকেন্দ্রিক চাঁদাবাজি বন্ধ করুন

সেতুর সংযোগ সড়ক নির্মাণ করুন

ফসলি জমির মাটি কাটা প্রসঙ্গে

খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল চুরির নেপথ্যের শক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন

রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন

সেচের পানি পেতে কৃষকদের এত ভোগান্তি কেন

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস প্রতিষ্ঠার পথে বাধা দূর হোক

পাঠ্যবইয়ে ভুল : ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার সুযোগ নেই

কম উচ্চতার সেতু বানানোর অপসংস্কৃতির অবসান চাই

জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষা বাতিল : একটি ভালো সিদ্ধান্ত

সংরক্ষিত বনের গাছ কাটা বন্ধ করুন

কেন্দ্রীয় লোকোমোটিভ কারখানার সংকট দূর করুন

দ্রুত বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্র্মাণ করুন

সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে অনিয়মের অভিযোগ সুরাহা করুন

নার্স সংকট নিরসন করুন

সমুদ্রপথে রোহিঙ্গা পাচার প্রসঙ্গে

অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন

পরিবেশ রক্ষায় চাই সবার অংশগ্রহণ

নিপাহ ভাইরাস প্রতিরোধে চাই সচেতনতা

tab

সম্পাদকীয়

আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর নির্মাণে অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগের সুরাহা করুন

শনিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২২

দেশে গৃহহীন কোন মানুষ থাকবে না এটা সরকারের অঙ্গীকার। মুজিববর্ষ উপলক্ষে দেশের বিভিন্নস্থানে গৃহহীন ও ভূমিহীনদের জন্য আশ্রয়ণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে সরকার। প্রধানমন্ত্রীর এই প্রকল্পের অধীনে ঘর নির্মাণে প্রায়ই অনিয়ম-দুর্নীতির খবর পাওয়া যায়। এবার কক্সবাজারের মহেশখালীতে অনিয়মের খবর মিলেছে।

আজ শনিবার সংবাদ-এ প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, কক্সবাজারের মহেশখালীতে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরের মেঝে তৈরিতে ব্যবহার করা হচ্ছে বাঁশ। ঘর তৈরির কাজ শেষ হয়নি। অথচ এখনই দেয়ালে ফাটল দেখা দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট উপকারভোগীদের কাছ থেকে নানা অজুহাতে টাকাও নেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

প্রধানমন্ত্রীর প্রকল্পে অনিয়ম-দুর্নীতির ঘটনায় বিভিন্ন সময় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে দেখা গেছে। তবে তাতে সংশ্লিষ্টদের বোধোদয় হয়েছে বলে মনে হয় না। নইলে ঘর নির্মাণে বাঁশ ব্যবহার করার কথা নয়। এর আগে প্রকল্পের অনেক ঘরই নির্মাণের কিছুদিন পরেই ভেঙে যাওয়ার ঘটনা ঘটতে দেখা গেছে।

আবার কোথাও কোথাও নির্মাণাধীন অবস্থায় ভেঙে পড়েছে প্রকল্পের ঘর। নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে কাজ করার কারণে ঘরগুলো ভেঙে গেছে বলে অভিযোগ তুলেছেন ভুক্তভোগীরা। পরিমাণমতো সিমেন্ট না দেয়ায় দেয়াল ধসে পড়া, পলেস্তারা মজবুত না হওয়ার মতো ঘটনা ঘটেছে।

এখানেই অনিয়মের শেষ নয়। প্রকল্পের ঘর বরাদ্দে দুর্নীতি ও আর্থিক লেনদেনের অভিযোগও ওঠে বিভিন্ন সময়। ঘর পেতে উপকারভোগীদের ঘুষ দিতে হয় বলে খবর পাওয়া যায়।

গৃহহীনদের জন্য ঘর নির্মাণের একটি ভালো উদ্যোগ দুর্নীতিবাজদের কারণে প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়েছে। আশ্রয়ণ প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়ম-দুর্নীতি কঠোর হাতে দমন করতে হবে। মহেশখালীসহ দেশের আর যেসব স্থানে ঘর নির্মাণ বা বরাদ্দে দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া যায় তা তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে হবে। দুর্নীতির সঙ্গে যে বা যারাই জড়িত থাক না কেন তাদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেছে। আমরা এই নীতির কঠোর বাস্তবায়ন দেখতে চাই।

back to top